Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২১ মার্চ, ২০১৯ ১৮:৪৫

শাবিতে জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

শাবিতে জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
ফাইল ছবি

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টার মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিলেটের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মমিনুন নেসার মামলার বাদী শাবির রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

আদালতের এপিপি মাসুক আহমদ জানান, সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে। এ মামলায় ৫৬ জনের সাক্ষ্য নেয়া হবে। পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ২৫ এপ্রিল নির্ধারণ করেছেন আদালত।

তিনি আরও জানান, সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি ফয়জুল হক, তার বন্ধু সোহাগ মিয়া, বাবা আতিকুর রহমান, মা মিনারা বেগম, মামা ফজলুল হক ও ভাই এনামুল হাসান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

শাবি ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে গত বছরের ৩ মার্চ এক অনুষ্ঠানে জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালান ফয়জুল হক।  এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নগরীর জালালাবাদ থানায় মামলা করেন। ওই বছরের ২৬ জুলাই ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জালালাবাদ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম। গত ৪ অক্টোবর মামলার অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়।

আদালতের এপিপি মাসুক আহমদ জানান, হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন ফয়জুল হক। জবানবন্দিতে তিনি জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে বন্ধু সোহাগের কাছ থেকে পাওয়া মেমোরি কার্ডে জসিম উদ্দিন রহমানী, তামিম ইল আদরানী ও ওলিপুরি হুজুরের ওয়াজ শুনে জিহাদে উদ্বুদ্ধ হন তিনি। 

জসিম উদ্দিন রহমানীর লেখা ‘উন্মুক্ত তরবারি’ ও তিতুমির মিডিয়ার ভিডিও দেখে জাফর ইকবালকে ‘নাস্তিক’ বলে ধরে নেন ফয়জুল। এই ধারণা থেকেই তিনি জাফর ইকবালকে হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং একই তাকে ছুরিকাঘাত করেন।

ঘটনার বিভিন্ন স্থির চিত্র, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে হামলার সঙ্গে ‘প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত’ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন মাসুক আহমদ। তবে জাফর ইকবালকে ফয়জুল হক একাই আঘাত করেন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ তাফসীর


আপনার মন্তব্য