শিরোনাম
প্রকাশ : ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৩:৫২
আপডেট : ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৯:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

ভাস্কর্য নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস, স্থায়ী বহিষ্কার ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

ভাস্কর্য নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস, স্থায়ী বহিষ্কার ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা
বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা কবির হোসাইন


ভাস্কর্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদদীন হল শাখা ছাত্রলীগের এক নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত ওই নেতার নাম কবির হোসাইন। তিনি হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

গতকাল শনিবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাকে বহিষ্কারের বিষয়ে জানানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের নীতি-আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় কবির হোসাইন (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কবি জসীম উদদীন হল শাখা ছাত্রলীগ)-কে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হল।

তবে, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জেরেই তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে বলে ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে। 
জানা গেছে, গত পহেলা ডিসেম্বর কবির হোসাইন ফেসবুক আইডিতে ভাস্কর্য নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে এক জায়গাতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মামুনুল হক যদি কুরআনের ভুল ব্যাখ্যা করে, তার কণ্ঠনালী কেটে দাও, যদি কুরআন ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে কথা বলে, আল্লাহ এটাকে হারাম করে, তবে কোন বাপের বেটা এটাকে হালাল করার সাহস রাখে? 

কুরআনের বিরোধিতা যেই করবে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ১ সেকেন্ডও অপেক্ষা করবে না ঈমানদাররা! হোক সে মামুমুল হক, মুজিব, জিয়া! হোক সে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, বামাতি বা জামাতি! ইসলামের প্রতিনিধিত্ব রহিমুদ্দ, সলিমুদ্দি, কলীমুদ্দিরা করে না, স্বয়ং আল্লাহর রাসূল করেন! ইসলাম শিখতে হলে কুরআন হাদিসের জ্ঞান অর্জন করতে হবে, মনগড়া যুক্তি খাটবে না! 

একটা কথা মাথায় রাখবেন, আল্লাহর কোন আইন যদি আপনি না পালন করতে পারেন, সেটা অন্য কথা!  তবে যদি তার কোন আইনের বিরোধিতা করা তো দূরের কথা, অস্বীকারও যদি করেন, আর নিজেকে যতই ঈমানদার দাবি করেন না কেন, মনে রাখবেন, আপনি খাঁটি মুসলমান না, পাক্কা মুনাফিক! আপনার বিরুদ্ধে লড়াই করাও খাঁটি মুসলমানের জন্য ফরজ!’

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৫
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৮
প্রিন্ট করুন printer

মুশতাক হত্যার জন্য সরকার দায়ী: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

মুশতাক হত্যার জন্য সরকার দায়ী: জাফরুল্লাহ চৌধুরী
ফাইল ছবি

কারাগারে মৃত্যুবরণ করা লেখক মুশতাক আহমেদকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ বলেছেন, সরকার, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সাথে যারা জড়িত তারা প্রত্যেকে এই হত্যার জন্য দায়ী।

শুক্রবার শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে লেখক মুশতাক আহমেদের গায়েবানা জানাজার পূর্বে এক সমাবেশে একথা বলেন তিনি। মুশতাক ‘হত্যার বিচার’ ও ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিলের দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক ড. আসিফ নজরুল, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি প্রমুখ। 

সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিচারপতিরা এই হত্যার বিচার যদি না করেন, তাহলে তারাও কিন্তু হত্যার সহযোগী হিসেবে বিবেচিত হবেন। ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। এটা কোনোক্রমেই থাকতে দেওয়া যায় না। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড.আসিফ নজরুল বলেন, আমরা এই হত্যাকান্ডের জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে দায়ী করছি। অবশ্যই এটা একটা জঘন্যতম আইন। যারা গুম-খুন করে, জুডিশিয়াল কিলিং করে, রাতের আঁধারে ভোট করে, তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে যেই আইনের মাধ্যমে একজনকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে দিনের পর দিন জেলে রাখা যায়, তা অবশ্যই কালো আইন। 

ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফারুক হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দীন খান, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক রুশাদ ফরিদী, রাশেদ হোসেন, রাষ্ট্রচিন্তার সংগঠক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক ফারুক ওয়াসিফ প্রমুখ। 

সমাবেশের পর লেখক মুশতাকের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আরেকটি সমাবেশে মিলিত হন তারা। 

শাহবাগে বিক্ষোভ 
কারাগারের ভিতরে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর প্রতিবাদ ও ঘটনার দ্রুত বিচারের দাবিতে শুক্রবার শাহবাগে বিক্ষোভ করেছে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা। এর আগে, সকাল ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে তারা। মিছিলটি শাহবাগ পার হয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে ঘুরে আবারও শাহবাগে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সমাবেশ চলাকালে মোড় দিয়ে যান চলাচলে প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। পরে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি মশাল মিছিল ও সমাবেশ করে তারা। এছাড়াও আগামী সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচিও দিয়েছে তারা। 


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫৪
প্রিন্ট করুন printer

জাতির পিতার সমাধিতে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতির পিতার সমাধিতে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের শ্রদ্ধা

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের নবগঠিত কমিটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেছেন। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা থেকে পরিষদের সদস্যরা টুঙ্গিপাড়া গিয়ে জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সবাই এক মিনিট নিরবতা পালন করেন। পরে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শামিম হোসেন খান এবং সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সহসভাপতি আশফাক আকতার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অজু উল্লাহ, ফিরোজ, সাদিক, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম, দফতর সস্পাদক সাব্বির হান্নান, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন শাহ নেওয়াজ, ইয়াসিন আলী, সালাউদ্দিন, মিজান, ফকরুল। 

পরিষদের সভাপতি শামিম হোসেন খান বলেন, 'ছাত্রাবস্থায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিভিন্ন দায়িত্ব যেভাবে নিষ্ঠার পালন করেছি, ঠিক তেমনি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার উপর যে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, পূর্বের ন্যায় কোন বাত্যয় হবে না। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সকল ফাযিল কামিল ও ডিগ্রী মাদ্রাসা গুলোতে মুক্তিযুদ্ধোর চেতনায় উজ্জীবিত করবো এটাই হবে আমার প্রথম কাজ।


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:২০
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:০৮
প্রিন্ট করুন printer

কারাগারে লেখক মোস্তাকের মৃত্যুর প্রতিবাদে শাহবাগে বিক্ষোভ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

কারাগারে লেখক মোস্তাকের মৃত্যুর প্রতিবাদে শাহবাগে বিক্ষোভ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার লেখক মুশতাক আহমেদের কারাগারের ভেতরে মৃত্যুর প্রতিবাদ ও ঘটনার দ্রুত বিচারের দাবিতে শাহবাগ বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ছাত্র-জনতার সমাবেশ করছে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা। ফলে শাহবাগ মোড় দিয়ে যান চলাচলে প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

এর আগে, বেলা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি শাহবাগ পার হয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে ঘুরে আবারও শাহবাগে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার লেখক মুশতাক আহমেদ বৃহস্পতিবার রাতে মারা যান। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন। এদিন সন্ধ্যার দিকে কারাগারের ভেতর তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। গত বছরের মে মাসে মুশতাকসহ আরও কয়েকজনকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:১৫
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:১৬
প্রিন্ট করুন printer

অর্থ মন্ত্রনালয় ও সোনালী ব্যাংকের সাথে ববির সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

অর্থ মন্ত্রনালয় ও সোনালী ব্যাংকের সাথে ববির সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৪ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ৪ ভাগ সুদে গৃহনির্মাণ ঋন প্রদানের লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রানালয়ের অর্থবিভাগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি ত্রি-পক্ষীয় সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ের অর্থ বিভাগের সভাকক্ষে সমঝোতা স্মারকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মু. মুহসিন উদ্দীন, অর্থ মন্ত্রলায়ের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব মো. এখলাছুর রহমান এবং সোনালী ব্যাংকের পক্ষে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম। 

এসময় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাক্ষী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. খোরশেদ আলম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি সহ অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির উদ্যোগ এবং উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিনের সার্বিক দিক নির্দেশনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষের পদক্ষেপগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার ফলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে গতকাল এই ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো। এই চুক্তির আওতায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা চুক্তির শর্তপূরণ স্বাপেক্ষে স্বল্পসুদে গৃহনির্মাণ ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। 

সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই সুযোগ দেয়ার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল মাহমুদ রুমি প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:৪৪
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৩১
প্রিন্ট করুন printer

রাতভর বখাটেদের হয়রানির শিকার ইবির ৪ ছাত্রী

ইবি প্রতিনিধি

রাতভর বখাটেদের হয়রানির শিকার ইবির ৪ ছাত্রী
ফাইল ছবি

রাতভর বখাটেদের দ্বারা হয়রানির শিকার হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ছাত্রী।  ভুক্তভোগী ওই চার ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী। গত বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী শেখপাড়া এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ ঘটনা ঘটে।

মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত দুই দফায় ওই ছাত্রীদের জানালার সামনে অশ্লীল কথাবার্তা ও বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ বাজে মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীরা। পরে আতঙ্কিত ছাত্রীরা তাদের সহপাঠী ও শিক্ষকদের মাধ্যমে পুলিশকে জানালে রাত ৪টার দিকে টহল পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বখাটেরা পালিয়ে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।  

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালেই ওই ভাড়া করা মেস ছেড়ে দিয়েছেন তারা। দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন তারা। পরে নিজেদের মালামাল আবাসিক হলে রেখে প্রক্টরিয়াল বডির সহযোগিতায় বাড়ি ফিরে গেছেন চার ছাত্রী। এদিকে, এ ঘটনা সামনে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইবিয়ানরা। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওয়াত এনে শাস্তির দাবি করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। যাতে এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর না ঘটে সেজন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। 

ভুক্তভোগী ছাত্রীরা জানান, তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থী। পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করায় কোনো উপায় না পেয়ে চারজন বান্ধবী মিলে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে পড়াশুনা করছিলেন। হঠাৎ পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্তে তারা বিপাকে পড়ে যান। ওই বাসায় মেস মালিকের স্ত্রী ও এক মেয়েও তাদের সঙ্গে থাকেন। ওই বাসায় কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় প্রায়ই স্থানীয় বখাটেরা আশপাশে ঘুরাফেরা করে থাকে। রাত হলেই তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বখাটেরা মেসের পাশে এসে অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তা বলতে থাকে। এসময় জানালার নিচের ফাঁকা অংশ দিয়ে কক্ষের ভেতরে তাকানো ও বিভিন্ন বাজে ভাষায় মন্তব্য করে। এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার করলে মেস মালিক ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় ১ ঘণ্টা পর তারা পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি সহপাঠীদের মাধ্যমে ইবি থানা পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের জানানো হয়। একই সঙ্গে ওই সময় শৈলকুপা থানার টহলরত পুলিশকে জানালে তাৎক্ষণিক কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। 

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাত সাড়ে ৩টার দিকে আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, রাতেই সহকারী প্রক্টর ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সকালে প্রক্টরিয়াল বডি ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা মেসে গিয়েছিলেন। ছাত্রীরা বাড়ি যেতে চাওয়ায় তাদের মালামাল হলে রেখে ছাত্রীদের বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা মেস মালিকের সঙ্গে কথা বলে অভিযুক্তদের নাম জানার চেষ্টা করছি। যেহেতু এটা ক্যাম্পাসের বাইরে তাই কারো নাম জানা গেলে আমরা সে অনুযায়ী অভিযোগ দাখিল করব।  

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রক্টর ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি যেন বিষয়টি নিয়ে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পাশাপাশি অন্য শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছি।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর