৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৩:০৮

এডুটিউব কুইজ কনটেস্ট ২০২২-এর ঢাকা বিভাগীয় রাউন্ড অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক

এডুটিউব কুইজ কনটেস্ট ২০২২-এর ঢাকা বিভাগীয় রাউন্ড অনুষ্ঠিত

সম্প্রতি মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলশিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এডুটিউব কুইজ কনটেস্ট ২০২২-এর সর্বশেষ বিভাগীয় রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঢাকায় রাজধানীর আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা মিলনায়তনে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি গত ১০ মে  ঢাকায় হোটেল শেরাটনে এডুটিউব কুইজকন টেস্ট-২০২২ উদ্বোধন করেন। 
এই উদ্যোগের সাথে নলেজ পার্টনার হিসেবে সম্পৃত্ত রয়েছে বিশ্বব্যাংক, টেকনোলজি পার্টনার হিসাবে হুয়াওয়ে এবং স্ট্র্যাটেজি পার্টনার হিসাবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকমিশন (বিটিআরসি)।

এথিক্স অ্যাডভান্স টেকনোলজিলিমিটেডের (ইএটিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খানের সভাপতিত্বে আয়োজনের প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিঊর রহমান।

এ রাউন্ডে ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলা থেকে অনলাইন পর্বে উত্তীর্ণ মোট ২৫ দল অংশগ্রহণ করে। এতে দুটি পর্বে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে দুটি দল জাতীয় সেরা-১৬ পর্বেও জন্য নির্বাচিত হয়। এরা হচ্ছে, মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অদম্য-৩ ও ঢাকা জেলার বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজের বিএনএমপিসি কুইজারস। অনলাইনপর্বে উত্তীর্ণ ও বিভাগীয় পর্বে বাদ  পড়া ২৩টি দলের প্রত্যেকটিকে দশ হাজার টাকা পুরস্কার ও সনদপত্র দেয়া হয়। 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘এই চমৎকার কুইজ প্রতিযোগিতায় এতক্ষণ তোমাদের মধ্যে যে সৃজনশীলতা দেখলাম, তোমরাই পারবে! তোমাদের মধ্যে যে সাহস দেখলাম, যে টিমওয়ার্ক দেখলাম, সেটি উপভোগ করলাম। আমরা পথে পথে ভুল করতে করতে শুদ্ধতায় পৌঁছে যাবে। প্রথম ব্যর্থতা দিয়ে শুরু হতে পারে; তবে চেষ্টা অটুট থাকলে সফল হবেই।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনএবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. রাজেশ পালিত।

প্রতিযোগিতার আয়োজক এবং এথিক্স অ্যাডভান্স টেকনোলজিলিমিটেডের (ইএটিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান এডুটিউব নিয়ে তার স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে মোবাইল ডিভাইস ভাল কাজে ব্যবহার করতে পারে, আমাদের কিশোররা যেন মোবাইল এবং ইন্টারনেটের নেতিবাচক অংশ থেকে দূরে সরে এসে ইতিবাচক চিন্তা ভাবনা এবং গঠনমূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এ আয়োজন। আগামী পাঁচ বছরে তিনি এ প্রতিযোগিতা দেশের সব স্কুল-কলেজে ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর