শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৯:২৯

এখনো বহাল জহুর আহমদ চৌধুরীর কবরের প্রবেশ পথে ডাস্টবিন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

এখনো বহাল জহুর আহমদ চৌধুরীর কবরের প্রবেশ পথে ডাস্টবিন

চট্টগ্রাম নগরের দামপাড়ার পল্টন রোডের ১০০ দুরে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জহুর আহমদ চৌধুরীর কবরস্থানে প্রবেশপথের দু’টি ডাস্টবিন এখনো বহাল আছে। ফলে ডাস্টবিনের দুর্গন্ধ মাড়িয়েই যেতে হচ্ছে কবরে। 

এখানেই আছে হযরত দানিশ শাহ্ চিশতি (রহ.) এর মাজার এবং জহুর আহমদ চৌধুরীর সহধর্মীনিসহ পরিবারের একাধিক সদস্যের কবর। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নগরে ডাস্টবিন স্থাপন ও বর্জ্যগুলো অপসারণ করে থাকে। 

আজ রবিবার বিকালে গিয়ে দেখা যায়, জহুর আহমদ চৌধুরীর কবরে প্রবেশপথে আবর্জনাগারে প্লাস্টিকের দুটি বিন এখনো দেখা যায়। তবে এসময় সেখানে কোনো বর্জ্য ছিল না।

এর আগে গত শনিবার বাংলাদেশ প্রতিদিনে ‘জহুর আহমদ চৌধুরীর কবরস্থানে প্রবেশপথে ডাস্টবিন’ শীর্ষক একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।  

জহুর আহমদ চৌধুরীর সন্তান শরফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী রাজু বলেন, ‘রবিবার সিটি কর্পোরেশন বলেছে, তারা বিন দু’টি এটি অপসারণ করে ফেলবে। আশা করি অপসারণ করার পর আর কেউ এখানে বর্জ্য ফেলবে না। বিন দু’টি  অপসারণ করলে আমরা সেখানে ফুলের চারা রোপনসহ সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করব।’     

চসিকের অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদ আলম বলেন, ‘জহুর আহমদ চৌধুরীর কবরে প্রবেশপথের বিন দু’টি অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হবে।’

প্রসঙ্গত, জহুর আহমদ চৌধুরী ১৯১৬ সালে চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবদুল আজিজ চৌধুরী ও মাতার নাম জরিনা বেগম।

জহুর আহমদ চৌধুরী ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিসভার শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। তিনি ১৯৭৩ সালের সংসদ নির্বাচনে কোতোয়ালি-পাঁচলাইশ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিযুক্ত হন। জহুর আহমদ চৌধুরী আমৃত্যু আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর