শিরোনাম
প্রকাশ : ১৪ মার্চ, ২০১৯ ১৯:৫৮

তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধে বিভাগীয় কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধে বিভাগীয় কর্মশালা

তামাকের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের ৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। প্রতি বছর তামাকের কারণে ১ লাখ ৬৩ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। বছরে তামাকজনিত রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসায় ব্যয় হচ্ছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। এমন বাস্তবতায় বরিশালে অনুষ্ঠিত তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা নিষিদ্ধ এবং পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ন্ত্রণ আইনের বাস্তবয়ন বিষয়ক কর্মশালায় এই তথ্য জানানো হয়।

দি ইউনিয়ন ও ব্লুমবার্গ ইনিশিয়েটিভ টু টোবাকো হাউজের আর্থিক সহযোগীতায় এবং গ্রাম বাংলা উন্নয়ন কমিটি ও সেভ দ্যা কোস্টাল পিপলের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নগরীর সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার রাম চন্দ্র দাস।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. খায়রুল আলম শেখের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান। প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন গ্রাম বাংলা উন্নয়ন কমিটির নির্বাহী পরিচালক একেএম মাকসুদুর রহমান।

বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো.মাহবুবুর রহমান, তামাকের কুফল নিয়ে কাজ করা সংগঠন দি ইউনিয়নের কেনিক্যাল অ্যাডভাইজার সৈয়দ মাহবুবুল আলম, স্বাগত বক্তব্য দেনগ্রাম বাংলা উন্নয়ন কমিটি বরিশালের উপদেষ্টা ও বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহ আলম তালুকদার।

সমাপনী ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী ও আয়োজক সংগঠন সেভ দ্যা কোস্টাল পিপল’র নির্বাহী পরিচালক কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু।

মুক্ত আলোচনায় সুপারিশ তুলে ধরেন মোবাশি^র উল্লাহ চৌধুরী, প্রকৌলী দেবজ্যোতি বড়–য়া, উন্নয়ন সংগঠক কাওসার পারভীন, মাহমুদা বেগম সহ বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রতিনিধিরা। 

কর্মশালায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, শতভাগ ক্ষতিকর বিষয় তামাক ব্যবহার বন্ধ করতেই হবে। আর সেটা করতে হবে সরকারকেই। এর মূল উৎপাটন করতে ভেতর থেকে ধরতে হবে। তামাকের শতভাগ উৎপাদন ও আমদানী বন্ধ করতে না পারলে চোর পুলিশের খেলা বন্ধ হবে না। আমাদের বক্তব্য হওয়া উচিত নিজের টাকায় বিষ কিনে খাবো না, শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে কাউকে বিষ কিনে দেবো না। 

কর্মশালায় জানানো হয়, তামাকের ব্যবহার ও বিজ্ঞাপন বন্ধে এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলা এবং ৬টি উপজেলায় কাজ শুরু হয়েছে। এই কাজের সঙ্গে বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন কার্যালয়, উপজেলা প্রশাসন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এই কাজে সহযোগী হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয় কর্মশালায়। 

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য