শিরোনাম
প্রকাশ : ২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:৫৮
আপডেট : ২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:৫৯

খুলনায় পাসপোর্ট অফিসের ৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ২ জনের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা :

খুলনায় পাসপোর্ট অফিসের ৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ২ জনের জেল

গ্রাহকের ডেলিভারি স্লিপ থাকে অফিসের নৈশ প্রহরী আজহারুল ইসলামের কাছে। অফিসে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সাথে রয়েছে উচ্চমান সহকারীর আর্থিক যোগাযোগ। দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয় পাসপোর্ট। আর টাকা না দিলে হয়রানির শিকার হতে হয় গ্রাহকদের।  

সোমবার খুলনা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে এসব চিত্র দেখা যায়। অভিযানে দালাল চক্রের সাথে জড়িত নৈশ প্রহরী আজহারুল ইসলামের কাছ থেকে ৬৩টি ডেলিভারি স্লিপ, আনসার সদস্য ফরমান সরদারের কাছে নগদ টাকা ও পাসপোর্ট ডেলিভারী স্লিপ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এই চক্রের সাথে আনসার সদস্য রবিউল ইসলাম ও পাসপোর্ট অফিসের উচ্চমান সহকারী হোসনে আরার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। জানা যায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে নির্ধারিত ফি ৩৪৫০ টাকার বদলে ৫৫০০ টাকা নিয়ে পাসপোর্ট করে দিতো। 

অভিযানে আটক দুই দালাল ফিরোজ শিকদার (২৪) ও মো. মিল্টন (২৬) কে দুই দিনের কারাদণ্ড ও দুই হাজার ৫শ’ টাকা করে জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে আরো একদিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদেরকে এই শাস্তি প্রদান করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান খান। 

দুদকের খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক নাজমুল হাসান বলেন, দালাল চক্রের সাথে অফিসের আরো কয়েকজন জড়িত রয়েছে। এখানে টাকা না দিয়ে পাসপোর্ট করতে এলে আবেদন ফরমে নানা রকম ভুল-ভ্রান্তি দেখিয়ে হয়রানি করা হয়। তিনি বলেন, এই চক্রের সাথে জড়িত পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী ও আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। অভিযানে দুদকের সহকারী পরিচালক অরুন কান্তি ঘোষ, শাওনা মিয়া, উপ-সহকারী পরিচালক নীল কমল পাল উপস্থিত ছিলেন।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য