শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ০১:৪৪

ছাত্র সংগঠনগুলোর লিখিত প্রস্তাব পেশ

ডাকসু গঠনতন্ত্র সংশোধন

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ছাত্র সংগঠনগুলোর লিখিত প্রস্তাব পেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) গঠনতন্ত্র সংশোধনের কাজ প্রায় শেষ। আর এর সুপারিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে জমা দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন গঠনতন্ত্র সংশোধনে গঠিত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক ড. মিজানুর রহমান। গতকাল সংশোধনীর বিষয়ে ছাত্রসংগঠনগুলো তাদের লিখিত ও মৌখিক বক্তব্য কমিটির কাছে দাখিল করে। এরপর ডাকসু সংবিধানের চূড়ান্ত সংশোধনীর অগ্রগতি সম্পর্কে এ কথা জানান তিনি। তিনি জানান, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ১৪টি ছাত্র সংগঠনের প্রস্তাবনা পেয়েছি। আমাদের মোট ১০ কার্যদিবস দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে কমিটি একাধিকবার আলোচনায় বসেছে। আশা করছি আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে আমরা আমাদের সুপারিশ উপাচার্যের কাছে জমা দিতে পারব। এরপর তা সিন্ডিকেটে আলোচনা করা হবে। সিন্ডিকেটই সংশোধনীর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। গতকাল ছাত্রলীগ, ছাত্রদল ও বামপন্থি সংগঠনগুলোসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলো লিখিত ও মৌখিকভাবে কমিটির কাছে তাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরে। ছাত্রলীগ মৌখিকভাবে তাদের প্রস্তাবনা জানায় কমিটিকে। এতে চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীদের প্রার্থিতার বিষয়ে তাদের দাবি তুলে ধরে তারা। এ বিষয়ে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন জানান, ‘আমরা নতুন একটি প্রস্তাবনা সংযোজন করে গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটির কাছে জানিয়েছি। তা হলোÑ চারুকলা অনুষদের প্রার্থিতা পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটা গঠনতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তাদের প্রার্থিতার বিষয়ে বলেছি।’ অন্যদিকে ক্যাম্পাসে ‘কোণঠাসা’ ছাত্রদল লিখিতভাবে তাদের ৮ দফা দাবি সংশোধন কমিটির কাছে তুলে ধরে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার বলেন, আমরা ডাকসু সভাপতি বা উপাচার্যের ক্ষমতায় সামঞ্জস্য আনার কথা বলেছি। কেননা তিনি চাইলেই যে কোনো সময় পরিষদ ভেঙে দিতে পারেন। এটা গণতন্ত্রের চর্চা হতে পারে না। এ ছাড়াও বামপন্থি ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে ছাত্র ফেডারেশন ও ছাত্রফ্রন্ট তাদের লিখিত প্রস্তাবনা কমিটির কাছে দাখিল করেছে।

ফেডারেশনের ঢাবি শাখার সভাপতি উম্মে হাবীবা বেনজীর বলেন, আমাদের আগের দাবিগুলোর সঙ্গে নতুন করে দাবি জানিয়েছি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা কমিশন গঠনের। এর সদস্যরা হবেন শিক্ষকদের মধ্য থেকে। ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে তারা কমিশনে আসবেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর