শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩২, রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

তৃতীয় পর্ব

জুলুম নির্যাতন হত্যা গুম কামালের বড় গুণ

আসাদুজ্জামান খান : বস্তায় ঘুষ খান
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
জুলুম নির্যাতন হত্যা গুম কামালের বড় গুণ

আসাদুজ্জামান খান কামাল, যিনি ‘কসাই কামাল’ হিসেবে বেশি পরিচিত। জুলাই গণ অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা, হেলিকপ্টার থেকে নিরস্ত্র নিরীহ মানুষের ওপর গুলি করা, কোলের শিশুকে হত্যা করে লাশ গুম করা, নারীদের নির্বিচারে আক্রমণ এসব ঘৃণ্য জঘন্য অপরাধে অপরাধী আসাদুজ্জামান খান কামাল। প্রশ্ন হলো, গত বছরের জুলাই মাসে কি হঠাৎ করে আসাদুজ্জামান খান কামাল নৃশংস হয়ে উঠেছিলেন? না, কামালের এই নৃশংসতা তার পুরো ১০ বছরের রাজত্বজুড়ে। ১০ বছরের বেশি সময় ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় তিনি জুলুম নির্যাতন, হত্যা গুম করেছেন নির্বিচারে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, ভিন্ন মত দমনের জন্য তিনি নির্মম ছিলেন, কসাই ছিলেন। নিজস্ব আওয়ামী পেটোয়া বাহিনী তৈরি করেছিলেন পুলিশে এবং র‌্যাবে। যাদের মাধ্যমে সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট মাসনে কামালই জল্লাদ। বিরোধী মত দমনে তার নেতৃত্বে তৈরি হয়েছিল ‘গেস্টাপো বাহিনী’। একদিকে যেমন তিনি অপরাধীদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করতেন, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে অবাধে তাদের অপরাধ করার সুযোগ করে দিতেন। গত ১০ বছরে তারাই ছিল ক্ষমতাবান। সারা দেশে কামালের নেতৃত্বে চালু হয়েছিল মাফিয়া তন্ত্র। অন্যদিকে এই সমস্ত অপরাধ, অন্যায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে যারাই কথা বলত, প্রতিবাদ করত তাদের ওপর নেমে আসত জুলুম, নির্যাতন, নৃশংসতা, গুম, খুন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল এই সময় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ‘আয়না ঘর’। সেই ‘আয়না ঘরে’ নিয়ে যেয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর জুলুম, নির্যাতন করা হতো। র‌্যাবের ‘আয়না ঘরে’ নির্যাতিত হয়েছেন বিএনপি, জামায়াতসহ বিরোধী দলের প্রচুর নেতা। শুধু তাই নয়, বিরোধী দলের লোকদের দমন পীড়ন নির্যাতন করতেন তার আওয়ামী বাহিনী দিয়ে। ছাত্রলীগ, যুবলীগের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল অবৈধ অস্ত্র। তাদেরকে দিয়ে নির্বিচারে গুলি, হত্যা এবং জুলুম, নির্যাতনের ঘটনা ঘটানো হতো নিয়মিত ভাবে। আসাদুজ্জামান খান কামালের বিভিন্ন সময় যারা সহযোগী ছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিল সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ। এই বেনজীর আহমেদ একসময় ছিলেন পুলিশ কমিশনার। পরে তাকে করা হয় র‌্যাবের ডিজি এবং সবশেষে পুলিশের আইজিপি।

জানা গেছে, বেনজীরকে পুলিশের আইজিপি করার পিছনে আসাদুজ্জামান খানের বড় ভূমিকা ছিল। এখানে ছিল মোটা অঙ্কের লেনদেন। বেনজীর আইজিপি হওয়ার পর কামাল-বেনজীর জুটি সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। একদিকে জঙ্গি নাটকের মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মানুষকে হত্যা, নির্যাতন, অন্যদিকে ভিন্ন মতাবলম্বীদেরকে ‘আয়না ঘরে’ নিয়ে নির্যাতনের মতো ঘটনা ছিল নৈমিত্তিক ব্যাপার। এই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছয় শতাধিক গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত। ক্রসফায়ারের নামে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছিলেন শত শত। ক্রসফায়ারের নামে হত্যার নির্দেশ দিতেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। ইলিয়াস আলী, কক্সবাজারের একরামসহ শতাধিক মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল আসাদুজ্জামান খান কামালের ১০ বছরের বেশি শাসনামলে। এসব তথ্য যারা প্রকাশ করত আসাদুজ্জামান খান কামাল বা তার সাঙ্গপাঙ্গদের গঙ্গের বিরুদ্ধে ন্যূনতম সংবাদ যারা প্রকাশ করত তাদের বিরুদ্ধে নেমে আসত খড়গ। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে বসুন্ধরা মিডিয়া গ্রুপের কথা। বসুন্ধরা মিডিয়া গ্রুপ বিভিন্ন সময় আসাদুজ্জামান খান কামলের দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাসীদের লুটপাট, দাপট ইত্যাদি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এসব প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য বারবার নিগৃহীত হয়েছে বসুন্ধরা মিডিয়া গ্রুপ। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে একের পর এক মামলা হয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠের বিরুদ্ধে। এই সব মামলাগুলোর নামে পুলিশ হয়রানি করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা, হত্যা মামলা হয়েছে একের পর এক। বাংলাদেশ প্রতিদিনের কলাম লেখক ও রাজনীতিবিদ গোলাম মাওলা রনিকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ প্রতিদিন কার্যালয় থেকেই। ভিন্নমতের কলাম লেখার ওপর আরোপ করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বসুন্ধরা মিডিয়ার কণ্ঠরোধ করার জন্য তাদেরকে সরাসরি হুমকি দিয়েছিলেন আয়না ঘরে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু তারপরও যখন কাজ হয়নি, তখন অন্য পথ অবলম্বন করেন। একের পর এক বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা দিয়ে তাদেরকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে। বিশেষ করে ‘বেনজীরের আলাদিনের চেরাগ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রধান টার্গেট হয় বসুন্ধরা গ্রুপ।

গত বছরের ৩১ মার্চ বসুন্ধরা গ্রুপের অন্যতম সংবাদপত্র ‘কালের কণ্ঠে’ বেনজীরের আলাদিনের চেরাগ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এর পরে আসাদুজ্জামান খান কামাল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বসুন্ধরা গ্রুপের ওপর। এরপর একের পর এক করা হতে থাকে অসত্য মিথ্যা মামলা। বসুন্ধরার বিরুদ্ধে এসব মামলাগুলোর পৃষ্ঠপোষক ছিলেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। এসব মামলাগুলো করা হয়েছিল চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের দিয়ে, যারা আসাদুজ্জামান খান কামালের ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে অন্তত নয়টি বানোয়াট মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল থানায় বা আদালতে। এসব মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে :

১. সিআর কেস নম্বর-২১/২৪। মামলার ধারা ৩২৩/৩২৪/৩৮০/৩৮৫/৪৫২/৫০৬/৩৪, মামলার বাদী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন এবং জোবাইদা বেগম।

২. সিআর কেস নম্বর-৩৯/২০২৪, মামলার ধারা ৩২৩/৩২৪/৩৭৯/৩৮৫/৪৫২/৫০৬/৩৪ পিসি, মামলার বাদী মিজানুর রহমান।

৩. সিআর কেস নম্বর-৪৭/২০২৪, মামলার ধারা ৩২৩/৩২৪/৩৭৯/৩৮৫/৪৫২/৫০৬/৩৪, মামলার বাদী মো. এমদাদুল হক।

৪. সিআর কেস নম্বর-৪৮/২০২৪, মামলার ধারা ৩২৩/৩৭৯/৩৮৫/৪৫২/৫০৬/৩৪, মামলার বাদী আশিকুর রহমান।

৫. সিআর কেস নম্বর-৪৯/২০২৪, মামলার ধারা ৩২৩/৩৮০/৩৮৫/৪৫২/৫০৬/৩৪, মামলার বাদী মো. এমদাদুল হক।

৬. সিআর কেস নম্বর-৫০/২০২৪, মামলার ধারা ৩২৩/৩৮৫/৪৫২/৫০৬/৩৪, মামলার বাদী মো. এমদাদুল হক।

৭. সিআর কেস নম্বর-১০১৪/২৪, এনআই অ্যাক্ট (ঘও অপঃ) এর ১৩৮ ধারা, মামলার বাদী মো. রফিকুল ইসলাম।

৮. খিলক্ষেত পিএস কেস নম্বর-২০(৪)২৪, মামলার ধারা ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৫/৪২৭/৩৭৯/৩৮৫/৫০৬/১১৪/৩৪ পি.সি, মামলার বাদী মো. সোহেল রানা।

৯. রূপগঞ্জ পিএস কেস নম্বর-২৩(৬)২৪, মামলার ধারা ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৮০/৩৮৫/৪২৭/১১৪/১৪৯৫০৬(২) পি.সি।

এই ধরনের মামলার মাধ্যমে বসুন্ধরা মিডিয়ার কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল আসাদুজ্জামান খান কামালের নেতৃত্বে। শুধু বসুন্ধরা গ্রুপ নয়, কোনো মিডিয়া হাউস কামালের বিরুদ্ধে লিখলেই সেই মিডিয়া হাউসের ওপর নিয়ে আসত খড়গ। বিশেষ করে বেনজীর আহমেদ যখন পুলিশের আইজিপি ছিল তখন পুরো দেশে সংবাদপত্র জগতে একটা ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই ত্রাসের রাজত্বের মূল হোতা ছিলেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিরোধী দলের নেতাদেরকে গ্রেপ্তার করা, গুম করা শুধু নয়, টকশোতে ভিন্ন মতের কেউ কথা বললেও আসাদুজ্জামান খান তার বিরুদ্ধে নৃশংস কঠোর হতেন। এই নর কসাইয়ের হাত রক্তাক্ত। মানুষ খুন, গুম অপরাধ করে তিনি ‘কসাই কামাল’ উপাধি পেয়েছেন। যার চূড়ান্ত রূপ আমরা দেখতে পাই পয়লা জুলাই থেকে ৫ আগস্ট সময়ে। কোটা সংস্কার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গণহত্যার সূচনা করেন এই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, এ সময় যে সব গুলি নিপীড়ন নির্যাতনগুলো হয়েছে, আবু সাঈদ থেকে মুগ্ধ সব শহীদের রক্তের দাগ লেগে আছে আসাদুজ্জামান খান কামালের গায়ে। আসাদুজ্জামান খান কামাল শুধু একজন দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন হিঃস্র কসাই।

 

এই বিভাগের আরও খবর
ক্ষমতায় গেলে গুম প্রতিরোধে আইন করবে বিএনপি
ক্ষমতায় গেলে গুম প্রতিরোধে আইন করবে বিএনপি
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
সংকুচিত হচ্ছে অর্থনীতি
সংকুচিত হচ্ছে অর্থনীতি
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
ষড়যন্ত্রে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন
ষড়যন্ত্রে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সংশয় রয়েছে
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সংশয় রয়েছে
দেশে উগ্রপন্থি রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র চলছে
দেশে উগ্রপন্থি রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র চলছে
সর্বশেষ খবর
মেহেরপুরে দীর্ঘ ১৭ বছর পর জেলা বিএনপির সম্মেলন
মেহেরপুরে দীর্ঘ ১৭ বছর পর জেলা বিএনপির সম্মেলন

এই মাত্র | রাজনীতি

রংপুরে প্রাথমিকে শিক্ষক সংকট কাটছে না
রংপুরে প্রাথমিকে শিক্ষক সংকট কাটছে না

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

কসবায় শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং, যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড
কসবায় শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং, যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বৈষম্যহীন সমাজের আকাঙ্ক্ষায় রংপুরে শ্রমিক ফ্রন্টের মতবিনিময় সভা
বৈষম্যহীন সমাজের আকাঙ্ক্ষায় রংপুরে শ্রমিক ফ্রন্টের মতবিনিময় সভা

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: ড. আহমেদ আব্দুল কাদের
জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: ড. আহমেদ আব্দুল কাদের

২৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে অস্ত্রসহ যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
চট্টগ্রামে অস্ত্রসহ যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

২৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে সেতাবগঞ্জ স্টেশন অবরোধ
ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে সেতাবগঞ্জ স্টেশন অবরোধ

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জাকসু নির্বাচনে আরও নতুন ৩ প্যানেলের আত্মপ্রকাশ
জাকসু নির্বাচনে আরও নতুন ৩ প্যানেলের আত্মপ্রকাশ

৩৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা
বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা

৩৭ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

৫৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

৫৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক
ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা