Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৩ জুন, ২০১৯ ২৩:৪৭

কাঁচা লবণ আমদানি

দুদকের ১০ দফা সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুদকের ১০ দফা সুপারিশ

কাঁচা লবণ আমদানির অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়ম প্রতিরোধে সরকারের কাছে ১০ দফা সুপারিশ পেশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্তের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দুদকের এই সুপারিশ রয়েছে। কমিশনের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে এই চিঠি প্রদানের পাশাপাশি এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে অনুরোধ করেছে কমিশন। চিঠির অনুলিপি বাণিজ্য  এবং শিল্প সচিব ও বিসিক  চেয়ারম্যানকেও দেওয়া হয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে এসেছে, বিভিন্ন লবণ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সক্ষমতা যাচাই না করে সব প্রতিষ্ঠানকে সমহাওে বোল্ডার লবণ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এই আমদানির অনুমোদন প্রক্রিয়া দুদকের কাছে যথাযথ মনে হয়নি।

দুদকের সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ লবণের মৌসুম  শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিসিকের কাছ থেকে লবণের চাহিদা ও উৎপাদিত লবণের পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘাটতি লবণ আমদানির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নিজস্ব লবণ শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য শুধু প্রকৃত চাহিদার তুলনায় ঘাটতির সমপরিমাণ বোল্ডার লবণ আমদানি নিশ্চিত করা। বিসিক সিআইডিডি প্রকল্পের আওতায় ভোজ্য ও শিল্প লবণ উৎপাদনকারী লবণ মিলগুলোর কার্যক্রম মনিটরিং করে, তাই লবণ উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত লবণ মিলের জন্য বিসিকের নিবন্ধন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। যেসব লবণ মিল ভোজ্য লবণ বাজারজাত করে, তাদের নিজস্ব আইএসপি মেশিন থাকা বাধ্যতামূলক করা।  ভোজ্য লবণ আমদানির ক্ষেত্রে যেসব লবণ মিল বিসিকের তালিকাভুক্ত সেগুলোর বাইরে অন্য কোনো লবণ মিলকে লবণ আমদানির অনুমোদন দেওয়া যাবে না। লবণ আমদানির জন্য যোগ্য মিল নির্বাচনের প্রয়োজনে বিসিক, প্রধান আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দফতর, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে নীতিমালা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা। ভোজ্য লবণ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। কোনো লবণ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আমদানির অনুমতিপ্রাপ্তির পর লবণ আমদানি না করলে পরবর্তী বছরে সেই প্রতিষ্ঠানকে লবণ আমদানির অনুমতি না দেওয়া। গ্রুপভিত্তিক আমদানিকে নিরুৎসাহিত করা। পূর্ববর্তী বছরগুলোর উৎপাদন ও বিপণনসংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে লবণ মিলের উৎপাদন সক্ষমতা নির্ধারণ করতে হবে। সমহারে লবণ আমদানির অনুমোদন না দিয়ে সক্ষমতার ভিত্তিতে আমদানির অনুমোদন দিতে হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর