Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ আগস্ট, ২০১৯ ০২:২৬

দুর্বল সুশাসনে দেশে বেড়েছে মন্দঋণ

আইসিসিবির প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্বল সুশাসনে দেশে বেড়েছে মন্দঋণ

দেশে দুর্বল ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, দুর্বল করপোরেট গভার্নেন্স বা সুশাসনের কারণে মন্দঋণ বেড়েছে বলে মনে করছে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসিবি)। ব্যবসায়ীদের এই আন্তর্জাতিক সংগঠনটির বাংলাদেশ চ্যাপ্টার আরও বলেছে, বাংলাদেশের উন্নয়নে দুই বড় চ্যালেঞ্জের একটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, আরেকটি হচ্ছে অসমতা দূরীকরণ। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত রাখা ও সবার মধ্যে সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে। সরকারকে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক সেবাসমূহের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে সংগঠনটির ২৪তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এক প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন আইসিসিবি সভাপতি ও এফবিসিসিআইর সাবেক  সভাপতি মাহবুবুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন আইসিসিবির সহ-সভাপতি রোকিয়া এ রহমান, স্কয়ার টেক্সটাইল লিমিটেডের চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী, ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির হোসেন, ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ওসামা তাসীর, বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রমুখ।

সভায় মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশে ঋণদান, দুর্বল ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও দুর্বল করপোরেট গভার্নেন্সের কারণে মন্দঋণ বেড়েছে। ঋণ পুনর্নির্ধারণ এবং রাইট অফও বেড়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোর ওপর চাপ আরও বেড়েছে। তার মতে, অর্থনৈতিক খাতের স্থিরতা এবং শৃঙ্খলা আনয়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের রেগুলেশনের স্বায়ত্তশাসন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক তত্ত্বাবধান, ঋণ পুনর্নির্ধারণ গাইডলাইন আরও জোরদারকরণ, অ্যাডহক ঋণ পুনর্নির্ধারণ বন্ধ করা ইত্যাদি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক খাত, বিজনেস রেগুলেশনের সংস্কার প্রয়োজন এবং অবকাঠামো খাতের বৈসাদৃশ্য দূর করতে হবে।

আইসিসিবি সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর সংস্কারের জন্য সরকারের ভিতরেই একটি কারিগরি রেগুলেটরি ওভারসাইট বডি গঠন করা দরকার। কতটুকু লক্ষ্য অর্জিত হবে এটি নির্ভর করে কত দ্রুত চ্যালেঞ্জসমূূহ সমাধান করতে পারে বাংলাদেশ। বিদেশি এবং স্থানীয় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। অচিরেই অর্থনৈতিক জোনের কার্যক্রম শুরু করতে হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর