শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৪৫

ঢাকা সিটি নির্বাচন

ভোটে কারচুপি হলে জনগণই রুখে দাঁড়াবে : ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভোটে কারচুপি হলে জনগণই রুখে দাঁড়াবে : ইশরাক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে নিয়ে প্রচারণায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর -বাংলাদেশ প্রতিদিন

ঢাকা দক্ষিণ সিটির নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, সিটি নির্বাচনে ভোটে কারচুপি হলে জনগণই তা রুখে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, আমরা জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আছি। ভোটের দিন যদি সে রকম কোনো পরিস্থিতি হয়, তাহলে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে তারা কীভাবে তাদের অধিকার সংরক্ষণ করবে। গতকাল দুপুরে রাজধানীর হাই কোর্ট মাজার গেটে সিটি নির্বাচনে ১৪তম দিনের প্রচারণার শুরুতে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সে এলাকায় গণসংযোগ চলাকালে জুরাইন কবরস্থানে সদ্যপ্রয়াত বাবা সাদেক হোসেন খোকার কবর জিয়ারত করেন ধানের শীষের এই প্রার্থী। সেখানকার পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে নির্বাচনে তাঁর দোয়া ও সহযোগিতা চান ইশরাক হোসেন। এ সময় তিনি নিজের একটি পোস্টার ভিসির হাতে তুলে দেন।

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি অধ্যাপক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মোরশেদ হাসান খান, অধ্যাপক লুৎফর রহমান, সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক আকতার হোসেন খান, অধ্যাপক ড. আবদুর রশিদ, বিএনপির যুগ্মমহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান রতন, যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাবি ভিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্ক। আমার বাবা, মা, বোন এখান থেকে পড়াশোনা করেছেন। স্যার আমি এখানে এসেছি আপনার দোয়া নিতে। আমার ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল রাজনীতি করার। এজন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমি যদি মেয়র নির্বাচিত হই, তাহলে সিটি করপোরেশনের সব সমস্যা নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করব।’ জবাবে অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আশা করছি, সামনের নির্বাচনে একটি সুষ্ঠু এবং সাবলীল পরিবেশ থাকবে। এখানে আসার জন্য আমি আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি।’

সেখান থেকে বেরিয়ে গিয়ে আশপাশের এলাকায় দুপুর পর্যন্ত প্রচার চালান ইশরাক। এ সময় ধানের শীষের স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। বিজনেস ফ্যাকাল্টি, কলাভবন, ভিসি চত্বর, জগন্নাথ হল হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক এলাকা দিয়ে কার্জন হল, হাই কোর্ট এলাকায় ইশরাককে নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস জুড়ে ছিল ধানের শীষের মিছিল।

পরে শ্যামপুর থানার ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের জুরাইন মাজারের ব্যাংক এশিয়ার সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করে পর্যায়ক্রমে পোস্তগোলা, জুরাইন কবরস্থান, আরসিন গেট, টিঅ্যান্ডটি ও বাংলাদেশ ব্যাংক কলোনি, গেন্ডারিয়া ডিআইটি, শিট মার্কেট, আবু হাজী প্রাইমারি স্কুল হয়ে ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের দয়াগঞ্জ মোড়ে এসে গণসংযোগ ও প্রচার শেষ করেন ইশরাক হোসেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর