শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:৩৮

বাম জোটের ব্যাংক ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাম জোটের ব্যাংক ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা
ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে দুর্নীতি, অনিয়ম ও লুটপাট বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে গতকাল বাম গণতান্ত্রিক জোট বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে দৈনিক বাংলা মোড়ে পুলিশ বাধা দেয় -বাংলাদেশ প্রতিদিন

ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের প্রতিবাদে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ে যাওয়ার সময় বাম গণতান্ত্রিক জোটকে বাধা দিয়েছে পুলিশ। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক অভিমুখে রওনা হন জোটের নেতা-কর্মীরা। দৈনিক বাংলা মোড়ে গেলে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করেন। জোটের সমন্বয়ক বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সিপিবি সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদক অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু প্রমুখ।

 বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা মানস নন্দী ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা হামিদুল হক।

সমাবেশ শেষে সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

সমাবেশে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, সরকারি দলের নেতাদের সিন্দুকে ২৬ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। এ টাকা কোথা থেকে এলো? পাপিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে অথচ তার পৃষ্ঠপোষক রাঘববোয়ালদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? এ সরকার জনগণের ভোটে যেহেতু ক্ষমতায় আসেনি সেজন্য জনগণের প্রতি কোনো দায় নেই। আজ ভোট ডাকাত ও ব্যাংক ডাকাত এক হয়েছে। ফলে এ সরকারের পক্ষে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনা বা দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করতে হলে, ব্যাংকের লুটপাট বন্ধ করতে হলে সরকারকে উৎখাত করতে হবে। সে লক্ষ্যে তিনি সব বাম গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

মো. শাহ আলম বলেন, দেশে লুটপাটের অর্থনীতির বিরুদ্ধে বাম জোট আন্দোলনে নেমেছে। লুটপাটের অর্থনীতি ও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতি এক মোহনায় এসে মিলেছে। দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ দেশে আনার জন্য সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেই। ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেশবাসী দেখছে না। এর বিরুদ্ধে একটা সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। লুটপাট বন্ধ না হলে অর্থ মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর