শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩১ মার্চ, ২০২০ ০১:১১

প্রস্তুতির ব্যর্থতায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হিমশিম

-পীর চরমোনাই

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রস্তুতির ব্যর্থতায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হিমশিম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই বলেছেন, আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে ব্যর্থ হওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এখন করোনা চিকিৎসা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে।  গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। করোনা মহামারীতে সারা দেশ লকডাউন থাকাবস্থায় দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিত্তশালীদের আহ্বান জানিয়ে পীর চরমোনাই বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব নিয়ে বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করেছেন। প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট না থাকায় ইতিমধ্যে তিনজন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। রোগীর সংখ্যা বাড়লে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা কী হবে, সে ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা তাদের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আশা করি, সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে এ বিষয়ে প্রস্তুতির ঘাটতি বা দুর্বলতা দূর করার চেষ্টা করবে।’

মুফতি রেজাউল করীম বলেন, ভাইরাসের প্রভাব কমাতে সরকার কোনো ধরনের আগাম প্রস্তুতি ছাড়াই সব মানুষকে বাড়িতে থাকতে বলেছে। ফলে নি¤œ আয়ের মানুষের ১০ দিন তো দূরের কথা, এক দিনের অতিরিক্ত খাবারের সংস্থানও ছিল না। এ অবস্থায় নিঃস্ব মানুষ না খেয়ে দিনাতিপাত করতে বাধ্য হচ্ছে। অবশ্য দেরিতে হলেও ইতিমধ্যে সরকার ও বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে দরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে। তবে এসব সহায়তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। এ পরিস্থিতিতে দেশের বিত্তশালীরা অধিক হারে এগিয়ে এলে সব দরিদ্র পরিবারের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।

পীর চরমোনাই বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে যে গজব বিশ্বজুড়ে নেমে এসেছে, তা মোকাবিলা করার সাধ্য কারও নেই। আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ইসতেগফার করে আমাদের গুনাহ মাফ করানোর মাধ্যমে এ থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি। এ ছাড়া যে কোনো বালা-মুসিবত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আল্লাহর রাসুল (সা.) বেশি বেশি দান-সদকা করতে বলেছেন। এ জন্য মহামারী থেকে মুক্তি পেতে সামর্থ্যবান মানুষের উচিত দরিদ্র মানুষের মধ্যে দান-সদকা বেশি পরিমাণে করা।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর