শিরোনাম
শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৩ ০০:০০ টা

অবশেষে দেখা মিলল বিএনপির শীর্ষ নেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে গত ২৯ অক্টোবর থেকে বিএনপির ডাকা টানা হরতাল-অবরোধে নগরীর কোনো মিছিল-মিটিংয়ে দেখা যায়নি দলটির শীর্ষ নেতাদের। গ্রেফতার এড়াতে একে ‘কৌশল অবলম্বন’ বললেও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ছিল। অবশেষে ষষ্ঠ দফা অবরোধে দেখা মিলেছে নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্করের। নগরের কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দিয়ে প্রকাশ্যে আসেন তিনি। তবে রাতেই তাঁর বাসায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে না পেয়ে হ্যান্ড মাইকে মিছিল না করতে হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। নগর বিএনপির দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইদ্রিস আলী জানান, বুধবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাসার চারদিকে ঘেরাও করে হ্যান্ড মাইকে চিৎকার করে তাঁকে আত্মসমর্পণের জন্য বলে। কিন্তু তখন তিনি বাসায় ছিলেন না। পুলিশের গ্রেফতার আতঙ্কে পরিবারের অন্য পুরুষ সদস্যরাও বাসায় থাকতে পারছেন না। পুলিশ বাসায় তল্লাশি চালানোর সময় মহিলা সদস্যদের সঙ্গে অশালীন ব্যবহার করে। এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা আবুল হাশেম বক্করকে মিছিলে না যাওয়ার হুমকি দেন। মিছিলে দেখলেই কলার ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান। অভিযান চালাতে আসা পুলিশ সদস্যরা তাদের হ্যান্ড মাইকে এসব ঘোষণা দেন। নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, দিশাহীন ও উন্মাদ হয়ে গণগ্রেফতার চালাচ্ছে। আর বিএনপির বিরুদ্ধে নাশকতার অপবাদ দিয়ে দেশে-বিদেশে প্রচার করছে। কিন্তু এবার সন্ত্রাসের অপবাদ দিয়ে আর বিদেশে মার্কেটিং করতে পারছে না। কারণ সারা দুনিয়া টের পেয়েছে, বিএনপির নামে সন্ত্রাসের অপবাদ মূলত একতরফা নির্বাচনের কৌশল। তাই সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরাই আত্মঘাতীমূলক নাশকতা চালাচ্ছে। বুধবার প্রকাশ্যে আসার পর মিছিল করে আবুল হাশেম বক্করের নেতৃত্বে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, মাহবুব আলম, আনোয়ার হোসেন লিপু, গিয়াসউদ্দিন ভূঁইয়া। এদিকে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে নেতা-কর্মীরা। বুধবার সন্ধ্যা থেকে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর