Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ জুলাই, ২০১৯ ০০:০৬

মশায় নাকাল কুষ্টিয়া পৌরবাসী

নিধনের ওষুধ নেই দুটি যন্ত্রও বিকল

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

মশায় নাকাল কুষ্টিয়া পৌরবাসী

আয়তন ও জনসংখ্যা বাড়লেও মশা নিধনে কুষ্টিয়া পৌরসভার কোনো কার্যক্রম নেই। আগে ওষুধ ছিটালেও ঝিমিয়ে পড়েছে সেই কার্যক্রম। দুটি ফগার মেশিন থাকলেও তা বিকল হয়ে পড়ে আছে। ফলে বেড়েছে মশার উৎপাত। পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় মশার যন্ত্রণায় টেকা কঠিন হয়ে পড়েছে। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও রেহাই মিলছে না। পৌরসভায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি মৌসুমে পৌরসভার কোথাও মশা নিধনে কোনো ওষুধ ছিটানো হয়নি। পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে ওষুধও নেই। আবার ওষুধ ছিটানোর দুটি মেশিন থাকলেও তা কয়েক মাস ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ইতিমধ্যে কুষ্টিয়ায় কয়েকজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করেছেন চিকিৎসকরা। এদের মধ্যে ইসমাইল হোসেন নামে এক যুবক কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা যায়, এ পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডে লোকসংখ্যা প্রায় তিন লাখ। বিশাল এই জনগোষ্ঠীর ময়লা-আবর্জনা শহরে যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকে। তাছাড়া শহরে কিছুদিন ধরে নালা ও সড়ক নির্মাণের খোঁড়াখুঁড়িতে বিভিন্ন জায়গায় ময়লার স্তূপ জমে প্রচুর মশা জন্ম নিচ্ছে। অনেক গলির ড্রেন পরিষ্কার না করায় সেখানে মশা বাসা বাঁধছে। নাগরিকরা জানান, আগে পৌরসভার উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় মশক নিধক ওষুধ ছিটানো হতো। তিন-চার বছর হলো পৌরসভার এ উদ্যোগই বন্ধ রয়েছে। ফলে মশা বাড়ছেই। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তার এ এস এম মুসা কবির বলেন, ‘কুষ্টিয়ায়ও এডিস মশা থাকতে পারে। এক রোগী আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। তাই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।’ কুষ্টিয়া পৌর মেয়র আনোয়ার আলী বলেন, পৌর বাসিন্দারা সচেতন হলেই মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। তাছাড়া ওষুধ কেনা ও যন্ত্র মেরামতের ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর