শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২৩:০৪

তিন ফসলি জমি দখল করে বালু ভরাট!

নাটোর প্রতিনিধি

তিন ফসলি জমি দখল করে বালু ভরাট!

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বৃচাপিলা গ্রামে ১৬ বিঘা তিন ফসলি জমি দখল করে বালু ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবাদ করলেই মামলা-হামলার শিকার হচ্ছে ভুক্তভোগীরা। একদিকে দখল হচ্ছে জমি, অন্যদিকে দখলদারদের হুমকিতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে কৃষক পরিবারের অনেক সদস্য। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। জমির মালিকরা অভিযোগ করে জানান, বৃচাপিলা গ্রামের গিয়াস, মেজবান হোসেন, আব্দুল জলিল, নূরুল ইসলাম, নান্নু, কাজিম উদ্দীন, আব্দুর রশীদ ও আব্দুর রাজ্জাক ১৯৭৪ সালে দলিলমূলে ১৬ বিঘা  তিন ফসলি কিনে চাষাবাদ করে আসছেন। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী খাজনা খারিজও করে আসছেন তারা। সম্প্রতি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মালিকদের ডেকে তাদের ৬ বিঘা জমি তাঁর নামে লিখে দিতে বলেন। কৃষকরা অস্বীকৃতি জানালে আশ্রয়ণ প্রকল্প করার নামে ওই জমিতে অবৈধভাবে বালু ভরাট শুরু করেন। তারা জমির কিছু অংশে কৃষকদের লাগানো ৩০০ কলাগাছ কেটে ফেলেছেন। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ভুট্টু বলেন, ‘এটা বন্দোবস্তের জমি। হাতবদল করার কারণে তাদের লিজ বাতিল হয়েছে। সরকার থেকে এখানে আশ্রয়ণ প্রকল্প গড়ে তোলা হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।’ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ হোসেন বলেন, ‘জায়গাটি বন্দোবস্তের। বন্দোবস্ত বাতিল হওয়ায় সেখানে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে।’ গুরুদাসপুরের ইউএনও তমাল হোসেন বলেন, ‘এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কৃষকদের জমি অবৈধভাবে দখল করতে দেওয়া হবে না।’

নাটোর-৪ আসনের এমপি অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘ফসলি জমি অবৈধভাবে দখলের ক্ষমতা কারো নেই। এটা প্রকৃত খাসজমি। এখানে সরকার ২০০ পরিবারের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করছে।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর