শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ মার্চ, ২০২০ ২৩:৪৯

ভাঙনের কবলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিবাদ করলে হয়রানি

পাঁচ নদীর ২৩ পয়েন্টে অবৈধ বালু উত্তোলন

জমির বেগ, ফেনী

ভাঙনের কবলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিবাদ করলে হয়রানি

ফেনী নদী, মুহুরী নদীসহ জেলার পাঁচটি নদীর ২৩টি পয়েন্ট থেকে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। প্রশাসন সাতটি স্পট ইজারা দিলেও অন্তত ৩০টি স্থানে বালু তোলা হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে ভাঙনের কবলে পড়ছে নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ এ কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। জানা যায়, ছাগলনাইয়া উপজেলার লাঙ্গলমোড়া এলাকায় ফেনী ছোট নদীতে ইজারা না থাকলেও ড্রেজার মেশিন দিয়ে রাতে বালু তুলছে একটি মহল। এভাবে জেলার মুহুরী, কহুয়া, সিলোনীয়া ও ছোট ফেনী নদীর একাধিক স্থানে অবাধে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। স্থানীয়রা হারাচ্ছে ভিটেমাটি, ফসলি জমিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় বাসিন্দা এয়াকুব বলেন- অবৈধভাবে বালু তোলার কারণে আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। শত শত পরিবার এখান থেকে চলে গেছে। কিছু বললে আমাদের বলে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেবে। পুলিশও এসে আমাদের ধমকায়। তাদের কিছু বলে না। আরেক বাসিন্দা বাবুল বলেন- তারা (বালু উত্তোলনকারী) কারও কথা শুনে না। বলে বেশি কথা বললে মারব ধরব। বালু মহলের ইজারাদার ফাজিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর হক রিপন জানান- যেসব ইজারাদার একাধিক স্থান থেকে বালু উত্তোলন করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

অভিযোগ রয়েছে, প্রতি বছর বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও প্রভাবশালী মহল সিন্ডিকেট তৈরি করে নিজেরাই দরপত্র দাখিল করছে, অন্যদের জমা দিতে বাধা দিচ্ছে। আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় না করেই ইজারা দেওয়া হচ্ছে। ফলে নদী হারাচ্ছে গতি, ভাঙছে পাড়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহির উদ্দিন বলেন- ‘যখন বালুমহল ইজারা দেওয়া হয় তখন পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে ইজারা দেওয়া উচিত। যেখান সেখান থেকে বালু উত্তোলন করায় নদীর গতিপথ ও নাব্যতা নষ্ট হচ্ছে।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর