শিরোনাম
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০ ০০:০০ টা

মেঘনার ভাঙনে হুমকির মুখে বসতভিটা স্থাপনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

মেঘনার ভাঙনে হুমকির মুখে বসতভিটা স্থাপনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় মেঘনার ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের ৩০০ বছর পুরনো চকবাজার, চাতলপাড় ও বিলেরপাড়ের বসতভিটা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। বিলীনের পথে রয়েছে বিলেপাড়ের ৩০ বছর পুরনো একটি মসজিদ। গত কয়েক বছর ধরেই মেঘনার ভাঙনে ব্যবসায়ী ও গ্রামবাসীরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এলাকাবাসী জানান, গত তিন বছর ধরে উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের চাতলপাড়, উপজেলার শত বছর পুরনো চকবাজার ও বিলেরপাড় মেঘনার ভাঙনের কবলে পড়েছে। নদীর তীরবর্তী চকবাজারের ৫০টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও চাতলপাড়ের ৫০/৬০টি বসতভিটা, বিলেরপাড়ের ১০-১২ জনের বসতভিটাসহ জায়গা জমি  নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঝুঁকিতে  রয়েছে চাতলপাড়, চকবাজার ও বিলেরপাড়ের আরও শতাধিক ভবন। হাওরের উপর দিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায় সড়ক নির্মাণ, চকবাজারের অনতিদূরে জেগে উঠা চর ও একটি ইটভাটার কারণে তীব্র ¯্রান্ডেতের গতি পরিবর্তনে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। চাতলপাড়, চকবাজার ও বিলেরপাড়ের মানুষের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাজার, মসজিদ, মন্দিরের অস্তিত্ব এখন নদীতে হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিলেপাড় জামে মসজিদের উত্তর দিকের চারটি স্তম্ভের (পিলার) নিচের মাটিও নদীতে চলে গেছে। যে কোনো সময় মসজিদটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। চাতলপাড়ের অস্তিত্ব¡ বাঁচাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে  সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহায়তার দাবি করেন ইউনিয়নবাসী। বিলেরপাড় জামে মসজিদের ইমাম আব্দুল আহাদ বলেন, পাড় ভাঙতে ভাঙতে মসজিদের পিলারের নিচের মাটিও সরে গেছে। বিলেরপাড়ের বাসিন্দা, ঢাকা গুলশান কমার্স কলেজের বাংলা বিষয়ের প্রভাষক শরীফ উদ্দিন বলেন, মসজিদের উত্তরদিকে প্রতি বছর মাহফিল হতো। সেখানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতো। এই মসজিদটি এখন হুমকির মুখে। চাতলপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল আহাদ বলেন, তিন বছর ধরেই ইউনিয়নের শত বছর পুরনো চকবাজার, চাতলপাড় ও বিলেরপাড়ে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। নদী খননের কারণে নদীর উত্তরদিকের চারভাগের দিনভাগ মাটি ভরাট হয়ে নতুন করে চর উঠেছে। উত্তরদিকে একটি ইটভাটাও রয়েছে। চর বাড়ছে, ইটভাটার পরিমাণও বাড়ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্বে) রঞ্জন কুমার দাস  বলেন, ভাঙনরোধে আমরা প্রকল্প তৈরি করে সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা দিয়েছি।

 

সর্বশেষ খবর