শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩৩

বেপরোয়া লঞ্চের ধাক্কায় নারীর পা বিচ্ছিন্ন

ভোলা প্রতিনিধি

ভোলার দৌলতখানে বেপরোয়া লঞ্চের ধাক্কায় কহিনুর (৪০) নামে এক যাত্রীর পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শনিবার রাতে ফারহান-৫ নামের একটি লঞ্চ ঘাটে ভিড়তে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের ওপর উঠিয়ে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দৌলতখান উপজেলার সৈয়দপুরের সালাউদ্দিনের স্ত্রী কহিনুর ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে লঞ্চে ওঠার জন্য পন্টুনে অপেক্ষা করছিলেন। রাত ৮টার দিকে এমভি ফারহান-৫ লঞ্চটি বেপরোয়া গতিতে ঘাটে এসে পন্টুনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের ওপর তুলে দেয়। এতে কহিনুরের বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাতেই তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোলা-ঢাকা নৌরুটের যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। মানছে না নৌ-ট্রাফিক আইন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং নদীতে বেপরোয়াভাবে চলাচলের কারণে জানমালের ক্ষতি হলেও জড়িতরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।

নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অভিযোগ দিলেও প্রতিকার হচ্ছে না। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভোলা নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক কামরুজ্জামান জানান, লঞ্চগুলো অনেক সময়ই নিয়মের ধার ধারে না। তিনি বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তকে সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি তদন্তসাপেক্ষে দোষী নৌযানের মাস্টারের সনদ এবং নৌযানের রুট পারমিট বাতিলেরও বিধান রয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, আইনের চোখে সবাই সমান। শনিবার দুর্ঘটনায় পা হারানো যাত্রীর বিষয়ে খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। লঞ্চের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর