শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:২২

সেতু ভাগ্য বদলাবে ৫০ হাজার মানুষের

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

Google News

চকরিয়ায় তরছঘাটা পয়েন্টে মাতামুহুরী নদীতে একটি পাকা সেতু নির্মিত হলে ভাগ্য বদলাবে তিন ইউনিয়নের অর্ধলক্ষ মানুষের। সেতুর অভাবে কয়েক যুগ ধরে তিন ইউনিয়নের ৩০ গ্রামের মানুষ চলাচলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অস্থায়ীভাবে নির্মিত কাঠের সেতু বানের পানিতে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কায় প্রতিবছর বর্ষা এলেই খুলে ফেলা হয়। তখন নদী পারাপারে একমাত্র ভরসা নৌকা। এ সময় কৃষকের উৎপাদিত পণ্য আনা-নেওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হয়। স্কুল-কলেজে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষার্থীদের। বর্ষা শেষে আবার কাঠের সেতু স্থাপন করা হয়। জানা যায়, চকরিয়া পৌরসভার তরছঘাটা-পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের সংযোগস্থল মাতামুহুরী নদী। এই নদী পারাপারে নৌকাই ছিল একমাত্র ভরসা। জেলা প্রশাসন থেকে প্রতিবছর ইজারা দেওয়া হয় এই ঘাট। ইজারাদার কৃষকের উৎপাদিত পণ্য বিপণনের সুবিধার্থে ১১০ মিটার দীর্ঘ একটি কাঠের সাঁকো নির্মাণ করেন ৮-১০ বছর আগে। কেউ রিকশা, টমটম বা মোটরসাইকেলে আবার কেউবা হেঁটে পার হন কাঠের সেতু। এই সেতু পারাপারে ইজারাদার অতিরিক্ত টোল আদায় করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

 পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের মেম্বার বেলাল উদ্দিন বলেন, তরছঘাটার পার্শ্ববর্তী ৩০ গ্রামে প্রতিবছর ব্যাপক রবিশস্য ও সবজি আবাদ হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় খেতে উৎপাদিত পণ্য বাজারে নেওয়া সম্ভব হয় না। এতে একদিকে যেমন ফসলের ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি, অন্যদিকে প্রায়ই খেতের ফসল খেতেই নষ্ট হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল আরিফ দুলাল বলেন, একটি পাকা সেতু হলে পূর্ব বড় ভেওলাসহ তিন ইউনিয়নের জনসাধারণের ভাগ্য বদলাবে। কৃষকও উৎপাদিত পণ্য সহজে বাজারে সরবরাহ করতে পারবেন। চকরিয়া-পেকুয়ার সংসদ সদস্য জাফর আলম বলেন, তরছঘাট দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার লোক ঝুঁকি নিয়ে মাতামুহুরী নদী পারাপার হচ্ছেন। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর সরকারের বিভিন্ন দফতরে যোগাযোগ করে যাচ্ছি যাতে অল্প সময়ের মধ্যে ওই স্থানে একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা যায়।

এই বিভাগের আরও খবর