শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৮ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ মার্চ, ২০২১ ২৩:৩৪

ভারী যানবাহন চলছে না তিস্তা সেতুতে

নজরুল মৃধা, রংপুর

উদ্বোধনের আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও রংপুরের গঙ্গাচড়ার মহিপুরে নির্মিত সেতু দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল শুরু হয়নি। সেতুর দুই পাশে লাগানো বিদ্যুতের লাইটগুলোর অধিকাংশই নষ্ট। তবে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ বলছে, সেতু দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকায় প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে জেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, কয়েক দফা মেয়াদ বাড়ানোর পর রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর ও লালমনিরহাট জেলার কাকিনায় তিস্তা নদীতে শেখ হাসিনা সেতুর মূল অংশের কাজ সম্পন্ন হয় ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে। প্রায় ১২৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে ৮৫০ মিটার এই সেতুটি নির্মাণে। এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ২০১২ সালের মার্চ মাসে। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সেতুটি উদ্বোধন করেন। সেতুটি চালু হওয়ায় লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ ও হাতীবান্ধার সঙ্গে গঙ্গাচড়াসহ বিভাগীয় শহর রংপুরের দূরত্ব ৩০-৫০ কিলোমিটার কমে যায়।

সূত্র জানায়, উদ্বোধনের পরপরই এই সেতুর ওপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, সেতু ঠিক থাকলেও সড়ক যেভাবে নির্মাণ হয়েছে তা ভারী যানবাহন চলাচলের উপযুক্ত নয়। তখন থেকে এই সেতুতে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত বর্ষায় মূল সেতুর পাশে সংযোগ সেতুর সড়কে ভাঙন দেখা দেয়। ফলে মহিপুর-কাকিনা সড়কটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ ছাড়া ছোট ছোট আরও কয়েকটি সেতু রয়েছে সেগুলোও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই সেতু দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল শুরু হলে পাটগ্রামের বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে পণ্য পরিবহন মানুষের যাতায়াত-সংক্রান্ত ভোগান্তি বহুলাংশে কমে যেত। রংপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল হক জানান, সেতু ঠিক রয়েছে। উদ্বোধনের পর স্থানীয় প্রশাসন সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে সড়কটিতে ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তখন থেকে এই সেতু দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে সড়কটি ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী করার জন্য ঢাকায় প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশা করি প্রস্তাবনা পাস হলে এই সেতু দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে।


আপনার মন্তব্য