বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একদিনে তিনটি আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে, অপর ২ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। পারিবারিক অসন্তোষ ও সন্দেহ থেকে বুধবার এসব ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
মৃত ব্যক্তির নাম মো. মাসুম (৩৫)। তিনি পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আ. জব্বারের ছেলে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সেহেরীর পর মো. মাসুমকে ঘরে খুঁজে না পেয়ে বাড়ির আঙ্গিনায় গলায় দড়ি দেয়া অবস্থায় গাছের সাথে ঝুলতে দেখে পুলিশকে খবর পরিবারের সদস্যরা। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা পাঠায় পুলিশ। স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্যর কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে স্বজন ও এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. মনির হোসেন জানান।
এদিকে, পাথরঘাটা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে- সকালে দিন মজুর স্বামীর সাথে ঝগড়া করে লাকী বেগম (২৭) নামে এক গৃহবধু কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। তার বাড়ি কালমেঘা ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামে। স্বামীর নাম জসিম আকন। তাকে উপযুক্ত চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
একই দিন কালমেঘা ইউনিয়নের ছোট পাথরঘাটা গ্রামের মূড়ি ব্যবসায়ী রতন দাসের মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী সূবর্ণা রানী বাবার সাথে রাগ করে ঘরে রাখা কীটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। মোবাইলে অপরের সাথে কথা বলতে নিষেধ করায় সে কীটনাশক পান করে বলে জানা যায়। সাথে সাথে তাকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে পাকস্থলি পরিষ্কার করে হাাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পাাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. উপল সেন গুপ্ত জানান, কীটনাশক পান করার পর দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করায় দুইজনের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/৩০ মে ২০১৮/এনায়েত করিম