কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাজমুল (৩০) নিজ বাড়িতে ন্য কারো গুলিতে নয় নাজমুল নিজের গুলিতেই আত্মহত্যা করেছেন।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনে এক সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম মেহেদী হাসান এ দাবি করেছেন। পুলিশ সুপারের বক্তব্যের সমর্থন করেছেন নাজমুলের পরিবারও।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নাজমুলের বাবা আলতাফ হোসেন, মা নাজমা খাতুন ও সদ্য বিবাহিত স্ত্রী উর্মি খাতুন।
পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের বলেন, হতাশা থেকে নাজমুল আত্মহত্যা করেছেন। তবে কি কারণে নাজমুল হতাশ ছিল তা বলতে পারেননি পুলিশ সুপার।
নাজমুলের মা নাজমা খাতুন বলেন, গুলির শব্দ শুনে নাজমুলের ঘরে গিয়ে দেখি সে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে। ভয়ে দ্রুত অস্ত্রটি তুলে নিয়ে পাশের বাড়িতে লুকিয়ে রাখি। তখন নববধূ নাজমুলের পাশে কাঁদছিল। পুলিশ আত্মহত্যায় ব্যবহৃত ওয়ান সুটার গান ছাড়াও একটি পিস্তল উদ্ধার করেছে।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের ফারাজি পাড়ায় নাজমুলের নিজ ঘরের মেঝে থেকে গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন