শিরোনাম
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল, ২০২০ ১৫:৪৫

ত্রাণের বস্তা কাঁধে নিয়ে তিস্তার চরে ইউএনও

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

ত্রাণের বস্তা কাঁধে নিয়ে তিস্তার চরে ইউএনও

করোনার সংক্রমণ এড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। সরকারের এ সব নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে স্থানীয় প্রশাসন। তবে এ নির্দেশনা পালনে প্রথম থেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটু বেশি তৎপর ও আন্তরিকতা দেখা গেছে লালমনিরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল হাসান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আহমেদের। নির্বাহী অফিসার তার নিজের কাঁধে করে তিস্তা চরের মানুষের জন্য খাবার সামগ্রী নিয়ে ছুটছেন বাড়ি বাড়ি।  তাদের এই আন্তরিক প্রচেষ্টা নজর কেড়েছে কালীগঞ্জ উপজেলাবাসীর।

তারা দুজনেই দিনরাত সমানতালে ছুটে চলছেন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। জনগণকে সচেতন করা, হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি নিন্ম আয়ের মানুষের খোঁজ-খবর রাখছেন তারা। শুধু তাই নয় হাটবাজারে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও মানুষের মাঝে মাস্ক ও ত্রাণ বিতরণেও পিছিয়ে নেই। 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বাইরে বের হতে নিষেধাজ্ঞায় খাদ্য সংকটের আশঙ্কার মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ ও জেলা প্রশাসক আবু জাফরের পরামর্শে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দে, অস্বচ্ছল এবং হতদরিদ্র ১২০টি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে জরুরি ত্রাণসামগ্রী। তাদের মাঝে বিতরণ করে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। কয়েকদিন ধরেই উপজেলার কাশীরাম বৈরাতী চর নোহালী চর এলাকায় থাকা অস্বচ্ছল ও হতদরিদ্র পরিবারে বিতরণ করা হয় এসব ত্রাণ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল হাসান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বাইরে বের হতে না পারলে খাদ্যের সংকট দেখা দেবে, দিনমজুর ও ভিক্ষুকদের পরিবারে। তাই ত্রাণ দুর্যোগ শাখার বরাদ্দে প্রতি পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ১০ কেজি আলু ও ১ কেজি ডাল এবং ১ লিটার তেল, একটি সবান মিলে একটি প্যাকেট করা হয়েছে। এসব প্যাকেট বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

ত্রাণ পৌঁছে দেন কালীগঞ্জ ইউএনও রবিউল হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আহমেদ, এসিল্যান্ড জাহাঙ্গীর আলম, ও পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মূর্শিদ হক। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর ইসলাম প্রমুখ। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন

 


আপনার মন্তব্য