শিরোনাম
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল, ২০২১ ১৮:০৪
প্রিন্ট করুন printer

আজ টাঙ্গাইলের মধুপুর হানাদার প্রতিরোধ দিবস

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

আজ টাঙ্গাইলের মধুপুর হানাদার প্রতিরোধ দিবস

স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর মাত্র ২০ দিনের মধ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর মধুপুরের প্রবেশ পথকে রুদ্ধ করেছিল। এই দিনটি মধুপুর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন।

উল্লেখ্য, ২৫ মার্চ ১৯৭১ ভয়াল কালরাত। বাঙ্গালী জাতির উপর পাকিস্তানী হায়েনাদের আক্রমণে বিমর্ষ-বিমূঢ় হলেও বাঙ্গালীরা প্রতিরোধে পিছপা হয়নি। সারা দেশেই গড়ে উঠেছিল খন্ডখন্ড প্রতিরোধ। তারই অংশ হিসেবে মধুপুরের কতিপয় যুবক মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকেই সংগঠিত হতে থাকে।

১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল হানাদার বাহিনী মধুপুরে প্রবেশ করলেও মধুপুরবাসী কোন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। ১৪ এপ্রিল বুধবার দ্বি-প্রহরের দিকে হানাদার বাহিনীর ৩টি গাড়ি মধুপুরের দিকে কিছু সৈন্য এবং অস্ত্রসহ চলে আসে। 

এদিকে, মধুপুর ব্রীজের দক্ষিণ পাড়ে মালাউড়িতে মুনসুর আলী, আ.রাজ্জাক, কামাল, জুয়েল, আ. মজিদ, হাবিবুর রহমান, গোলাম মোস্তফা ও সাইদুর রহমানসহ নাম না জানা আরও অনেক মুক্তিযোদ্ধারা গোরস্থান এলাকা থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত পজিশন নিয়ে বসে থাকেন। 

মুক্তিযোদ্ধাদের এলোপাথারি গুলিতে হতচকিত হয়ে পড়ে পাকিস্তানিরা। শুরু হয় মধুপুরের ইতিহাসের সেই স্মরণীয় যুদ্ধ। এ যুদ্ধে দফায় দফায় পাকিস্থানি সেনারা পিছু হটতে শুরু করে। যুদ্ধ সন্ধ্যা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। যুদ্ধে বিকল একটি গাড়ি ও বেশ কিছু অস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাদের হস্তগত হয়। 

যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মালাউড়ির কলিম উদ্দিন মুন্সী ও হোসেন আলী স্থানীয় মসজিদ এলাকায়, ওমর আলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায়, কাজী মোন্তাজ আলী ও টেংরীর ইয়াকুব আলী টেংরী পাহাড়ের পাদদেশে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন। 

 


বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির

এই বিভাগের আরও খবর