শিরোনাম
প্রকাশ: ০৪:৪৬, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা হচ্ছে, যেন মানুষ ভোটকেন্দ্রে না আসে: নাহিদ ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা হচ্ছে, যেন মানুষ ভোটকেন্দ্রে না আসে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, অনেক জায়গায় একটা প্যানিক তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে, করা হবে যাতে সাধারণ মানুষ সকালবেলা ভোটকেন্দ্রে না আসেন। আমরা কোনো প্যানিক চাই না, আমরা চাই উৎসবমুখর পরিবেশে আপনারা এসে ভোট দেবেন এবং সকাল সকাল আপনারা ভোটকেন্দ্রে আসবেন।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে এসব কথা বলেন তিনি। 

নাহিদ ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ শুরু হবে, নির্বাচন শুরু হবে। অনেক কাঙ্ক্ষিত, প্রত্যাশিত আমাদের এই নির্বাচন। গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী প্রথম নির্বাচন। ১৬ বছর পরে আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের সুযোগ এবং সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করলেও কিছু কিছু ঘটনায় অনেক বেশি আশঙ্কা তৈরি হয়েছে আমাদের মধ্যে। নির্বাচন কী রকম হতে যাচ্ছে? আমরা অলরেডি রাতের মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় এ রকম কিছু তথ্য পাচ্ছি, যেটা আমাদের মধ্যে অনেক বেশি আশঙ্কা তৈরি করছে এই নির্বাচনের নিরপেক্ষতা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে।

বিভিন্ন জায়গায় হামলা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা অলরেডি সেই নিউজগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছেন। আমাদের কুড়িগ্রামের প্রার্থী আতিক মুজাহিদ, তার কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। আমার নিজের আসনে ঢাকা-১১ আসনেরও ৪২নং ওয়ার্ডসহ কয়েকটা জায়গায় এনসিপির কেন্দ্র-সংলগ্ন ক্যাম্প রয়েছে, সেখানে হামলা হয়েছে। এবং বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রে প্রবেশের বেআইনিভাবে প্রবেশের চেষ্টা করছে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের লোকেরা বা সমর্থকরা। মাহমুদা মিতুর ওপরও একটা হামলার কথা আমরা শুনেছি। এনসিপির ওপর শুধু না, বিভিন্ন জায়গায় জামায়াতে ইসলামীর ওপরও হামলা হচ্ছে। সর্বোপরি ১১ দলের প্রার্থী এবং সমর্থকদেরকে বিভিন্ন জায়গায় লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এটা আমাদের জন্য কাঙ্ক্ষিত না, অপ্রত্যাশিত। আপনারা হাসনাত আবদুল্লাহর এলাকাতেও দেখবেন তাকে থ্রেট দেওয়া হয়েছে কীভাবে। এবং সেখানে যেই প্রার্থী, যার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, তিনি হুমকি দিচ্ছেন প্রকাশ্যে মানুষের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেবেন, পুড়িয়ে দেবেন। তো এই হচ্ছে সামগ্রিক পরিস্থিতি নির্বাচনের, যার মধ্য দিয়ে আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি, সকাল থেকে নির্বাচনটা শুরু হতে যাচ্ছে।

আশাবাদ ব্যক্ত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা মনেপ্রাণে চাই, দৃঢ়ভাবে চাই যে এই নির্বাচনটা সুষ্ঠু হোক। এই নির্বাচনে জয়-পরাজয় বড় কথা না। এই নির্বাচনের বড় কথা হচ্ছে যে বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে, জাতি হিসেবে আমরা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সক্ষম। এক হাজার মানুষের জীবনদানের পরেও যদি এটা না হয়, তাহলে এটা আমাদের জন্য ঘোর অন্ধকার সামনের দিনগুলোতে থাকবে। ফলে এটা আমাদের রাষ্ট্র হিসেবে, জাতি হিসেবে আমাদের সক্ষমতার প্রশ্ন। আমাদের যেই সকল ভাই-বোনেরা শহীদ হয়েছে, জীবনদান করেছে, তাদের আত্মত্যাগের মূল্যায়নের প্রশ্ন— যে এই একটা নির্বাচন আমরা সুষ্ঠু করতে পারি কি না, সুষ্ঠু হয় কি না। নির্বাচন পুরোনো বন্দোবস্ত টিকে যাবে, আগের মতোই নির্বাচন হবে, নাকি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তনের দিকে বাংলাদেশ যাবে— এটা হচ্ছে আগামীকালকের নির্বাচনের বিষয়।

পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আমরা শুনতে পাচ্ছি যে বিভিন্ন জায়গায় একটি দল আমাদের যারা প্রতিদ্বন্দ্বী, তাদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গার ওসিদেরকে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে যাতে তাদের দলীয় প্রার্থীকে সহায়তা করে। বিভিন্ন মিডিয়ার ভূমিকা অত্যন্ত নেতিবাচক আমরা দেখতে পাচ্ছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন জায়গায় অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে ১১ দলের বিরুদ্ধে। এবং বিভিন্ন জায়গায় মব তৈরি করে ১১ দলের নেতাকর্মী সমর্থকদেরকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। হান্নান মাসুদের এলাকাতেও আপনারা দেখবেন, সেখানেও ঘরবাড়িতে গিয়ে হামলা করছে, হুমকি দিচ্ছে। কমবেশি এখন রাত ১২টা বাজে, এটা যদি এখনকার পরিস্থিতি হয়, সারারাত আরও কী চলতে পারে আমরা আশঙ্কা করছি। আমাদের প্রত্যেকটা ইনফরমেশন আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে, প্রশাসনের কাছে দিচ্ছি। কিন্তু মনে হচ্ছে যে পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় কয়েকটি জায়গায় তারা পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করছে এবং অথবা তারা কোনো ধরনের অ্যাকশনে যাচ্ছে না।

সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা সতর্ক অবস্থানে থাকবেন। অনেক জায়গায় একটা প্যানিক তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে, করা হবে যাতে সাধারণ মানুষ সকালবেলা ভোটকেন্দ্রে না আসেন। আমরা কোনো প্যানিক চাই না, আমরা চাই উৎসবমুখর পরিবেশে আপনারা এসে ভোট দেবেন এবং সকাল সকাল আপনারা ভোটকেন্দ্রে আসবেন। সাধারণ মানুষ আপনারা দেখেছেন কত আনন্দ-উৎসব নিয়ে আপনারা বাড়িতে গিয়েছেন, গ্রামে গিয়েছেন ট্রেনে করে, লঞ্চে করে। একেবারে ঈদের মতো মনে হয়। ঈদের সময় যে রকম ঈদের মৌসুমে আপনারা বাড়ি যান। আপনারা অবশ্যই সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে আসবেন। ঢাকায় যারা আছেন একদম সকালবেলা। 

প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে এনসিপির এই শীর্ষনেতা বলেন, সকাল সকাল কয়েকটা বিষয় হতে পারে যে, আপনি দেখতে পারেন যে ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ লাইন সকাল থেকেই থাকতে পারে, যেটা একটা পরিকল্পিত লাইন হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। এবং যদি দেখেন যে এই লাইন অনেকক্ষণ ধরে আটকে আছে, সামনে যাচ্ছে না, তার মানে এটা একটা পরিকল্পিত লাইন যেটা তৈরি করা হয়েছে যাতে আপনাদের সময়টাকে দীর্ঘায়িত করার জন্য। তখন আপনাদেরকে প্রতিবাদ জানাতে হবে সেটার এবং এটা খোঁজ নিতে হবে। আমাদের ভলেন্টিয়াররা থাকবে সব জায়গায়, আপনারা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। দ্বিতীয়ত হতে পারে কোনো কোনো কেন্দ্রে বা বিভিন্ন জায়গায় হয়তো একটা ককটেল বিস্ফোরণ অথবা এরকম কিছু করে একটা আতঙ্ক তৈরি করা যাতে মানুষজন না আসে। আপনারা মোটেও ভয় পাবেন না। অনেক জায়গায় অপতথ্য ছড়ানো হবে বা এই ধরনের ঘটনা ঘটলেও পুলিশ এবং আমাদের ভলেন্টিয়ার এবং সার্বিকভাবে আপনাদের উপস্থিতিতে এটা প্রতিরোধ করে সেই জায়গাকে আবার নিরাপদ করে তোলা সম্ভব, সেটার খুব বেশি সময় লাগবে না। কিন্তু কোনোভাবেই আপনারা ভোটকেন্দ্র থেকে যাবেন না, ভোটকেন্দ্র দূরে থাকবেন না। সকালবেলা যদি আপনারা ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হন সবাই, আপনাদের এই উপস্থিতি সামগ্রিক পরিস্থিতি আসলে পাল্টে দেবে।

সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা মিডিয়ার ভাই-বোনদেরকে বলব, বিশেষত হাউসের যারা দায়িত্বে রয়েছেন— আপনাদের উচিত নিরপেক্ষভাবে প্রচার করা, দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা। বিগত ১৬ বছর আপনাদের ভূমিকা কী ছিল এটা বাংলাদেশের জনগণ দেখেছে। গণ-অভ্যুত্থান পরে হয়তো ব্যাপকভাবে সংস্কার হয়নি, তার মানে এই না আপনারা ছাড়া পেয়ে গেছেন। এইবার নির্বাচনে আপনাদের ভূমিকা কী হবে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে মিডিয়ার কাছ থেকে আমরা সেই ধরনের দায়িত্বশীল ভূমিকা আমরা আশা করছি। আপনারা কোনো একটা দলের পক্ষ বা জোটের পক্ষ নিতে পারেন না ইলেকশনের সময়। আপনাদেরকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে, সত্যটাই প্রচার করতে হবে।

প্রশাসনের প্রতি তার আহ্বান, আমরা সামনের দিকে এগোতে চাই। বিগত ১৬ বছর তিনটা ভোটে আপনাদের ভূমিকা কী ছিল এটা বাংলাদেশের মানুষ জনগণ দেখেছে। যারা এটার সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। তারা ওই সময় হয়তো ভেবেছিল যে এটা কখনোই ব্যবস্থা হবে না, এটা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। কিন্তু আসলে কিন্তু জনগণ কখন জেগে উঠবে এটা আপনারা কেউই জানেন না। ফলে এবারের নির্বাচনেও আমরা আশা করব আপনারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন, নয়তো জাতির কাছে আপনারা কখনোই দাঁড়াতে পারবেন না, এই জাতি আপনাদের কখনোই ক্ষমা করবে না। বিশেষ করে পুলিশ ভাই-বোনদেরকে বলব, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে এবার কিন্তু এই নির্বাচনে সুযোগ নিজেদেরকে রিব্র্যান্ডিং করা, আপনারা যে জনগণের পক্ষে আছেন, রাষ্ট্রের পক্ষে আছেন, নিরপেক্ষ আছেন সেটাকে প্রমাণ করার।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সাধারণ জনগণের এবং তরুণদের। আমি সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানাব, আপনারা সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে আসুন, ভোট দিয়ে আপনারা ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করুন। ভোটটা যাতে সঠিকভাবে শেষ পর্যন্ত হয়, নির্বিঘ্ন ভোট যাতে হতে পারে এখানে যাতে কেউ বাধা তৈরি না করতে পারে এবং কোথাও কোনো অন্যায় দেখলে আপনি প্রতিবাদ করুন। আপনারা কালেক্টিভ হয়ে ভোটাররা যারা আছেন কেন্দ্রের বাইরে ভেতরে আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ছোট ছোট গ্রুপ করে প্রয়োজনে নিজেরা প্রতিবাদ করুন। প্রয়োজনে আপনি একা কথা বলুন। আমাদের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে একজন আবু সাঈদ বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। শত শত, লাখ লাখ আবু সাঈদ তৈরি হয়েছে, কোটি জনতা সেই আবু সাঈদের লাশের মিছিল করেছে। ফলে আপনি একা সাহস করে দাঁড়াবেন আবাবিল পাখির মতো, শত শত লোক, লাখ লাখ মানুষ আপনার সঙ্গে এসে জড়ো হবে— আমরা সেটা বিশ্বাস করি। ১২ ফেব্রুয়ারি সে রকমই একটি দিন হবে। ফলে আপনি সাহস করে কথা বলুন। আমাদের ভলেন্টিয়াররা থাকবে, শৃঙ্খলার লোকেরা থাকবে, পোলিং এজেন্ট থাকবে— তারা আপনাদেরকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করবে। আপনি যেখানে অন্যায় দেখবেন সেখানে প্রতিবাদ করুন। মোবাইল ফোন নিয়ে ভিডিও ধারণ করুন যেহেতু মিডিয়ায় অনেক কিছু আসছে না। আপনিই মিডিয়া হয়ে যান, নাগরিক মিডিয়া হয়ে যান আপনি। আপনারা সেই চর্চাটা করুন।

জেনজিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তোমরা অনেকেই হয়তো ভোটার নও, কিন্তু তোমাদের উচিত ভোটকেন্দ্রে আসা। তোমরা ভোটকেন্দ্রে আসো, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের বাইরে আশপাশে অবস্থান রাখো। যদি অন্যায় দেখো তাহলে প্রতিরোধ করো। এলাকার যারা আছে বন্ধুবান্ধব তোমরা একসঙ্গে দলবেঁধে ভোটকেন্দ্রে আসো। আর তোমরা দেখো কীভাবে ভোট হয় এবং একটা সুষ্ঠু ভোট দেখার এই সৌভাগ্য আমাদের জাতি হিসেবে সবার হোক এটা আমরা প্রত্যাশা করি। ভালোভাবে ভোট হবে আমরা হাসিমুখে আমরা সেই ফলাফল মেনে নেব। কিন্তু যদি ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা হয়, গণতন্ত্রকে আবারও হত্যা করার চেষ্টা হয়, অন্যায় করে কেউ— সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করা তোমার আমার সকলের দায়িত্ব। আমরা তখন ঐক্যবদ্ধভাবে এই প্রতিরোধ করব। 

নিজের প্রথম ভোটাধিকারের কথা স্মরণ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালে নির্বাচনে আমার ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়েছিল কিন্তু আমি ভোট দিতে পারি নাই। মানে আমি ভোটাধিকার পেয়েছিলাম কিন্তু আমি কেন্দ্রে যখন গিয়েছিলাম কেন্দ্র থেকে আমাকে ঢুকতে দেওয়া হয় নাই, বলছে ঢুকতে দেওয়া হবে না বাসায় চলে যেতে। ফলে আমি নিজেও প্রথম ভোট দেব এবং আমি আমরা আমাদের শুরুতেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারি নাই। তোমরা যারা প্রথম ভোট দেবে, অবশ্যই তোমাদের দায়িত্ব যে ভোটাধিকার যাতে সংরক্ষিত হয়, নিশ্চিত করা যায়।

ভোটের ফলাফল মেনে নেওয়া না নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, নিজের পক্ষে গেলে নির্বাচন সুষ্ঠু না নিজের পক্ষে না গেলে নির্বাচন সুষ্ঠু না। আমরা এরকম কোনো মেন্টালিটি নিয়ে নাই। নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার অনেকগুলা ক্রাইটেরিয়া আছে। এই নির্বাচনে প্রচুর পর্যবেক্ষক রয়েছে। এই নির্বাচন একটা অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হচ্ছে, এটা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো। প্রচুর পর্যবেক্ষক এসেছে বিদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি যেহেতু প্রথম সুষ্ঠু ভোট হচ্ছে। প্রচুর আন্তর্জাতিক মিডিয়া রয়েছে এবং সোশ্যাল মিডিয়াও তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে অনেক কিছু বোঝা যায়। ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন হলো কি হলো না এটা আপনারাই নির্ধারণ করতে পারবেন আপনারাই বলতে পারবেন। সুষ্ঠু নির্বাচন যদি না হয় এর পরিণতি ভালো হবে না। আমরা অনেক জায়গায় অনেকবার বলেছি— সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাদের পরিণতি ফ্যাসিস্টদের মতোই হবে।

বিডি প্রতিদিন/কেএইচটি

এই বিভাগের আরও খবর
বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি হালান্ড-মানে
বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি হালান্ড-মানে
জর্ডানকে হারিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রিয়ার
জর্ডানকে হারিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রিয়ার
শেষ বিশ্বকাপের আগে নিজেকে ‘বাচ্চা’ মনে করছেন নেইমার
শেষ বিশ্বকাপের আগে নিজেকে ‘বাচ্চা’ মনে করছেন নেইমার
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
নড়াইলে নির্বাচনী বিরোধে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
অপপ্রচারের প্রতিবাদে কাঠালিয়ায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
নতুন জোট ও নতুন প্রতীকের প্রস্তাব অলি আহমদের
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
তিন আসনে মাত্র ৭৯২ ভোট পেয়েছে অলির এলডিপি
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
'নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম, আমার একটু খারাপও লাগে নাই'
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
নির্বাচনে শূন্য শতাংশ ভোট পেয়েছে যে ১০ দল
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ফরিদপুর-৪ আসনে ৩০ বছর পর ধানের শীষের জয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ৩৫ প্রার্থী
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
দুটি ব্যালট ও পরিচয় যাচাইয়ে সময় লাগায় দীর্ঘ লাইন: ডিসি জাহিদ
সর্বশেষ খবর
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১

১১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬
চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬

১৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা
ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান

২০ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ
ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১
পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১

২৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন
ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন

৩৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?
রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে
মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার
সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন
ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ
রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ
দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু
গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস
শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর
ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন
বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা
সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা
কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক