শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ নভেম্বর, ২০১৭ ২২:৪২

সুবর্ণার প্রত্যাশা...

শোবিজ প্রতিবেদক

সুবর্ণার প্রত্যাশা...

এক মাসেই দুটি ছবি নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন সুবর্ণা মুস্তাফা। চলচ্চিত্র দুটি হচ্ছে বদরুল আনাম সৌদ পরিচালিত ‘গহীন বালুচর’ ও মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’। ২২ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’ এবং ২৯ ডিসেম্বর ‘গহীন বালুচর’। এদিকে আজ থেকে দীপ্ত টিভিতে প্রচার শুরু হচ্ছে সুবর্ণা অভিনীত বদরুল আনাম সৌদ পরিচালিত ৬ পর্বের ধারাবাহিক ‘প্রেমের সাতকাহন’। সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, ‘গহীন বালুচর এদেশের গল্পের ছবি। এতে আমাদের মাটির গন্ধ আছে, জলের ছায়া রয়েছে, রয়েছে সুন্দর গানও। সর্বোপরি চমৎকার একটি গল্প আছে গহীন বালুচরে। অন্যদিকে আঁখি ও তার বন্ধুরা ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের গল্প নিয়ে নির্মিত পরিচ্ছন্ন একটি চলচ্চিত্র। এ চলচ্চিত্র শিশুদের এবং বড়দের।’ আমার প্রত্যাশা দর্শক সাদরে চলচ্চিত্র দুটি গ্রহণ করবে। সর্বশেষ গত বছর দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর ‘হেডমাস্টার’-এ সুবর্ণা মুস্তাফাকে দেখা গেছে। ১৯৮০ সালে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী পরিচালিত ঘুড্ডির মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্রে আসেন। গতানুগতিক ধারার নয়, জীবনঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘নয়নের আলো’ ছবিতে তার অভিনয় সব শ্রেণির দর্শকমন নাড়া দিয়েছিল। দর্শকের মাঝে রয়েছে তার ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তা। অনেকের মতে, চেহারায় বাঙালি রমণীর শাশ্বত সৌন্দর্যের মৌন রূপ স্পষ্ট এবং সামগ্রিক ঘরানার সৌন্দর্যকে প্রায় ক্ল্যাসিক রূপ দিয়েছে। ১৯৮৩ সালে ‘নতুন বউ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ সহ-অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো- ঘুড্ডি (১৯৮০), লাল-সবুজের পালা (১৯৮১), নতুন বউ (১৯৮৩), নয়নের আলো (১৯৮৪), সুরুজ মিয়া, ফুলের মালা, স্ত্রী, অপহরণ, কমান্ডার (১৯৯৪), পালাবি কোথায়, ফাঁসি।


আপনার মন্তব্য