শিরোনাম
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল, ২০২০ ০৭:৪২

'দিস ইজ হোয়াট কানাডা ইজ'

শওগাত আলী সাগর

'দিস ইজ হোয়াট কানাডা ইজ'

সারা দেশে যেখানে অচলাবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে, কোম্পানিগুলো দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে- সেখানে সংসদের অধিবেশন, বিতর্ক- এগুলোর কি কোনো গুরুত্ব আছে?- প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে এই প্রশ্নটা ছুঁড়ে দেন একজন সাংবাদিক।

উত্তর দিতে একটুও দেরি করেননি জাস্টিন ট্রুডো। ‘পার্লামেন্ট ম্যাটারস, ডিবেট ম্যাটারস। আমরা একটা বিল বানিয়ে স্ট্যাম্প মেরে তা ঘোষণা করে দিতে পারিনা। সংসদ রাবার স্ট্যাস্পের মতো কাজ করে না।’

করোনাভাইরাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোম্পানিগুলো যাতে কর্মী ছাঁটাই না করে সে জন্য তাদের জন্য ভর্তুকির ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। কিন্তু সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করতে হলে এটিকে আইনে পরিণত করতে হবে, যার জন্য সংসদের অধিবেশন দরকার। সংসদে প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টি অধিবেশন ছাড়াই বিলটির প্রতি সমর্থন দিয়েছে। বিরোধী দলীয় নেতা এন্ড্রু শিয়ার বলেছেন, অধিবেশনের প্রয়োজন নেই, সরকার এটিকে আইনে পরিণত করতে পারে। আমাদের সমর্থন থাকলো।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ট্রডো তাতে সম্মত হননি। তিনি বলেছেন, বিরোধী দলের নেতার সাথে ভিন্নমত পোষণ করার সুযোগটা আমি নিতে চাই। যতো সংকটই আসুক প্রতিষ্ঠানকে তার মতো করে কাজ করতে দিতে হবে, গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। সে কারনেই ভার্চ্যুয়াল অধিবেশনের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত বিলটির ব্যাপারে বিরোধী দলের সদস্যদের বক্তব্য পরামর্শ জরুরি। সেগুলো একত্রিত করলে ভালো একটি পদক্ষেপ দাঁড়াতে পারে। তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে জনপ্রতিনিধিরা কী করছেন, তাদের যারা ভোট দিয়েছেন তারা তা জানতে চান, ভোটাররা তাদের প্রতিনিধিদের কথাও শুনতে চান। সে কারনেই আমরা ভার্চ্যুয়াল অধিবেশনের চেষ্টা করছি।

জাস্টিন ট্রুডো স্পষ্ট করে বলেন, দিস ইজ হোয়াট কানাডা ইজ, দিস ইজ হোয়াট কানাডিয়ানস ওয়ান্ট টু সি।

লেখক : সম্পাদক ও প্রকাশক, নতুন দেশ ডটকম।
(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)
 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য