শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:২১

গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স

ক্ষুধার সূচকে ভারত পাকিস্তানকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈশ্বিক ক্ষুধা ও অপুষ্টির সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দুই বড় দেশ ভারত ও পাকিস্তানকে অনেক পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। এবারের সূচক অনুসারে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৬তম। ২০১৮ সালেও বাংলাদেশ একই অবস্থানে ছিল। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এবার ভারত ১০২তম এবং পাকিস্তান ৯৪তম স্থানে রয়েছে। ১১৭টি দেশকে নিয়ে করা এই হাঙ্গার ইনডেক্স প্রতিবেদন মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়েছে। আয়ারল্যান্ড ভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড এবং জার্মানভিত্তিক সংস্থা ওয়েলথ হাঙ্গার লাইফ এটি যৌথভাবে প্রকাশ করেছে।

হাঙ্গার ইনডেক্সে চারটি সূচককে গুরুত্বপূর্ণ  হিসেবে ধরা হয়। তা হলো অপুষ্টি, শিশুমৃত্যু শিশুদের অপচয় এবং শিশুদের বাড়তে না দেওয়া। এর মধ্যে শিশুদের অপচয় বলতে বোঝানো হয়েছে পাঁচ বছর বয়সের নিচের শিশুদের, যারা তাদের উচ্চতার তুলনায় কম ওজনসম্পন্ন এবং প্রচ  অপুষ্টিতে ভুগছে। ওই সূচকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ক্ষুধা কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। চার বছর ধরে ক্ষুধা দূরীকরণে বাংলাদেশ ধারাবাহিক উন্নতি করেছে। সূচকে বাংলাদেশের অর্জন ২৫ দশমিক ৮ পয়েন্ট। এর আগে ২০১০ সালে বাংলাদেশের এই স্কোর ছিল ৩০ দশমিক ৩। তবে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও সূচকে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর মধ্যে নেপাল (৭২), শ্রীলঙ্কা (৬৭) ও মিয়ানমার (৬৮) বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। সূচকে চীনের অবস্থান ২৫তম। ১০০ পয়েন্টের ওপর ভিত্তি করে এই সূচক প্রণয়ন করা হয়। এ ক্ষেত্রে যে দেশ শূন্য স্কোর করে সেই দেশকে সবচেয়ে উত্তম দেশ ধরা হয়। অর্থাৎ সেই দেশে কোনো ক্ষুধার্ত মানুষের বসবাস নেই। আর ১০০ স্কোর করে যে দেশ সেই দেশ সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়। অর্থাৎ সেই দেশে ক্ষুধার্ত মানুষের অবস্থা ভয়াবহ। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারতে এই অনাহারের সমস্যা বেশ তীব্র আকার ধারণ করেছে। ২০১৪ সালে ৭৬টি দেশের মধ্যে ভারত ৫৫ নম্বরে ছিল। এবার নেমে ১০২ নম্বরে এসেছে দেশটি। সূচকে সর্বোচ্চ ৫৩ দশমিক ৬ স্কোর নিয়ে সবচেয়ে ক্ষুধার্ত দেশের তালিকায় নাম রয়েছে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের। আর ৫-এর নিচে স্কোর নিয়ে ক্ষুধামুক্ত দেশের শীর্ষ তালিকায় রয়েছে বেলারুশ, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, চিলি, কোস্টারিকা, ক্রোয়েশিয়া, কিউবা, এস্তোনিয়া, কুয়েত, লাটভিয়া, লিথুনিয়া, মন্টিনিগ্রো, রোমানিয়া, স্লোভাক রিপাবলিক, তুরস্ক, ইউক্রেন এবং উরুগুয়ে।


আপনার মন্তব্য