প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:১৫

বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে ২৪ মে, বিসিএস পেছাবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সরকারি-বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ঈদুল ফিতরের পর আগামী ২৪ মে শুরু হবে। এর আগে ১৭ মে আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরুর আগে কোনো পর্যায়ের পরীক্ষা হবে না। শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরুর পর থেকেই পরীক্ষা শুরু হবে। নির্ধারিত সময়ের আগে কোনো ক্লাস শ্রেণিকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে না। গতকাল দুপুরে উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, হল খুলে দেওয়ার আগেই আবাসিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাইকে করোনার টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। হল খুলে দেওয়ার আগে টিকা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করবেন। এ ছাড়া যেসব আবাসিক হল সংস্কার ও মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে তা সম্পন্ন করবেন। যদি কোনো শিক্ষার্থীর টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যগতভাবে না নেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ থাকে, সেটি ছাড়া সবাইকে টিকা নিয়ে হলে উঠতে হবে। তিনি বলেন, বিসিএস পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে দেওয়া অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সঙ্গে সমন্বয় রেখে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। করোনার কারণে বিসিএসের আবেদনের বয়সসীমা অতিক্রান্ত হয়ে যেন কোনো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

দীপু মনি বলেন, জাতীয় পরামর্শক কমিটির মতামত নিয়ে কবে স্কুল-কলেজে পাঠদান শুরু হবে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সব প্রস্তুতি রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যেই যদি কোনো শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করেন, তাদের অবিলম্বে হল ত্যাগ করতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কবিহীন কোনো ধরনের অনৈতিক, অপরাধমূলক ও শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত হন, তাহলে সেই দায়দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নেবে না। আশা করি কেউ সরকারি আদেশ ভঙ্গ করবেন না- যোগ করেন তিনি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন।  


আপনার মন্তব্য