শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:২৪

আর্থিক সহায়তার আওতা বাড়াতে হবে

-ড. হোসেন জিল্লুর রহমান

আর্থিক সহায়তার আওতা বাড়াতে হবে

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন, চলমান এ লকডাউনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খেটে খাওয়া দিনমজুর শ্রেণির মানুষ। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের এসব মানুষকে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। সরকারের যে চলমান আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি রয়েছে তার আওতা বাড়াতে হবে। গত বছরের এই সময়ে আর্থিক সহায়তা দিতে গিয়ে নানা ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছিল এর পরও কিছু মানুষের কাছে তো সহায়তা পৌঁছেছিল। যদিও সেটা ছিল অপ্রতুল। এবারও এ সহায়তা বাড়ানো জরুরি। গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের তুলনায় নগরকেন্দ্রিক দরিদ্র মানুষ বেশি কষ্টের মধ্যে রয়েছে। তাদের সংকটটা একটু বেশিই। কেননা গ্রামে তো এমনিতেই কভিডের প্রভাব কম। যার ফলে মানুষের দুর্ভোগও কম। এজন্য নগরকেন্দ্রিক দরিদ্র মানুষের জন্য আলাদাভাবে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। এজন্যই আমরা তিন স্তরের স্মার্ট লকডাউনের কথা বলে আসছি। গতকাল তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বাংলাদেশে এখন কভিড অনিয়ন্ত্রিত সংক্রমণের পথেই এগোচ্ছে। প্রতিদিনই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এ বিষয়টাকে স্বল্পকালীন চিন্তা না করে মধ্যকালীন সংকট মনে করে উদ্যোগ নিতে হবে। এখানে নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্তরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ক্ষতির পরিমাণ কমাতে হলে লকডাউনটাকে আরও কার্যকর করতে হবে। এটা অবশ্য লকডাউন না বলে বলতে হবে স্মার্ট লকডাউন। সংক্রমণ কমাতে হলে আমলানির্ভর চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয়ভাবে মোকাবিলার চিন্তা করতে হবে। রাজনৈতিক কমিটমেন্টটাকে কাজে লাগাতে হবে। সব কমিউনিটিকে যুক্ত করে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। টিসিবির কার্যক্রমও জোরদার করতে হবে। এখানে বরাদ্দ দেওয়াটাই বড় কথা নয়, বিতরণটা যেন ঠিকমতো হয় সেটাই বড় কথা। গত বছর আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমে ব্যাপক আকারে দুর্নীতি হয়েছে। তা সত্ত্বেও এবারও এটা চালু করা দরকার দ্রুতই। আর নগর দরিদ্রদের জন্য উচিত হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকার, এনজিও, নাগরিক সমাজ মিলে একটা সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। এজন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূটিকে আরও কার্যকর করতে হবে। বেসরকারি সংস্থা পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, শিল্পকারখানা খোলা রাখা হয়েছে এটা কিন্তু কোনো সমস্যা নয়। এখানে সমস্যা হলো শ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করা। তাদের স্বাস্থ্য পরিচর্যার কথা মাথায় রাখা। এজন্য প্রয়োজন এলাকাভিত্তিক লকডাউন। আমরা কিন্তু সে কারণেই স¥ার্ট লকডাউনের কথা বলছি।

এই বিভাগের আরও খবর