শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ জুন, ২০২১ ২৩:১৫

প্রবৃদ্ধি হবে দক্ষিণ এশিয়ায় সবার ওপরে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রবৃদ্ধি হবে দক্ষিণ এশিয়ায় সবার ওপরে
Google News

বিশ্বব্যাংক বলছে, চলতি অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৫ দশমিক ১ শতাংশ। আর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, এটি হবে ৬ দশমিক ১ শতাংশেরও বেশি। শুধু তা-ই নয়, এটি হবে দক্ষিণ এশিয়ায় সবার ওপরে। এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বলে তিনি মনে         করেন। গতকাল ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান। চলতি বছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ১ হবে বলে এক দিন আগে (মঙ্গলবার) বিশ্বব্যাংক যে প্রতিবেদন দিয়েছে, সে বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমে দেখতে হবে বিশ্বব্যাংক যা বলেছে এখন পর্যন্ত সেটি ঠিক হয়েছে কি না। যদি কিছু প্লাস-মাইনাসও হয় এর পরও আমরা সেখানে মিল খুঁজে পাইনি।

২০২১-২২ অর্থবছর সম্পর্কে আমাদের প্রজেকশন আছে সেটি বাস্তবায়ন করতে পারব। এখন চলতি অর্থবছর যেটি আছে, আমরা সেখানেও ৬ দশমিক ১ প্রবৃদ্ধির হার বলেছি। অর্থবছরের শেষের দিকে মে-জুন মাসে সামষ্টিক অর্থনীতির গতিধারা যেভাবে পজিটিভলি টার্নওভার করেছে, আমরা বিশ্বাস করি ৬ দশমিক ১-এর ওপরে আমরা অর্জন করতে পারব। সেই অর্জনটি সাউথ এশিয়ার সবার ওপরে হবে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যাপার, আপনারা দেখবেন ঠিক হয় কি না।’

প্রসঙ্গ চীনা ভ্যাকসিন : চীন থেকে সময়মতো করোনারোধী ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়টি আজকের মিটিংয়ে আলোচনা হয়নি। সংগত কারণেই আমি মন্তব্য করতে পারি না। এ বিষয়ে জানতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় (স্বাস্থ্য) থেকে তথ্য পেতে পারেন।’

পার্বত্য চট্টগ্রামে অপটিক্যাল ফাইবার প্রসঙ্গ : অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চল বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে অপটিকাল ফাইবার ক্যাবল সংযোগ স্থাপন করতে হবে। আমাদের কানেকটিভিটি বাড়াতে হবে। সেই কাজটি করার জন্যই আমাদের ক্যাবল স্থাপন করতে হবে। কাজটি করার অনুমোদন আমরা দিয়েছি, তারা কাজটি করতে পারবে। তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিভাগ কাজটি করবে।’

প্রসঙ্গ করোনা দারিদ্র্যের নতুন হিসাব : করোনা মহামারীর কারণে দেশের দুই থেকে আড়াই কোটি মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছেন এমন তথ্য প্রকাশ করেছে দেশের কয়েকটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা- এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘এসব হিসাব আমি বিশ্বাস করি না। আমাদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য পাওয়ার আগে আমরা কারও তথ্য গ্রহণ করতে পারি না।’ অর্থ মন্ত্রণালয় নিয়ে নাগরিক প্লাটফর্মের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমাকে বলতে হবে কোন কোন জায়গায় আপনারা ব্যত্যয় দেখেছেন। পুরো তালিকা আমাকে দিতে হবে। সেগুলো দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। আমরা বিশ্বাস করি যে, নিম্ন আয়ের মানুষদের যদি আইডেন্টিফাই করতে পারি এবং অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে পারি, তাহলে আগামীতে আমাদের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। এই নীতিতে আমরা বিশ্বাস করি এবং সেভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’

বাজেটের কোনো উইকনেস নেই : একাধিক বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সমালোচনা করলেও আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কোনো দুর্বলতা দেখছেন না অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, ‘২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কোনো উইকনেস নেই। আমি কোনো পার্টিকুলার সেগমেন্ট উল্লেখ করতে চাই না। বাজেটটি যখন বাস্তবায়ন শুরু হবে, তখন আমরা দেখব কারা বেনিফিশিয়ারি। উপকারভোগী কারা আমরা সেটি জানতে পারব। যাদের নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে তাদের কভার করার জন্যই আমরা এবারের বাজেট সাজিয়েছি।’

এই বিভাগের আরও খবর