শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২০ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জুন, ২০২১ ২৩:১৪

এবার বনানী ক্লাব ভাঙচুরের অভিযোগ পরীমণির বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক

এবার বনানী ক্লাব ভাঙচুরের অভিযোগ পরীমণির বিরুদ্ধে
Google News

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে এবার বনানী ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গত ছয় মাস আগে ক্লাবে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি ক্লাবে ভাঙচুর চালান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খোদ ক্লাবের সভাপতি রুবেল আজিজ। অন্যদিকে, ঢাকা বোট ক্লাবের ঘটনার পর একে একে উঠে আসা পরীকান্ডের মধ্যে গত ৮ জুন গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাবের ঘটনার সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বনানী ক্লাবের সভাপতি রুবেল আজিজ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দেখুন পরীমণি আমার ক্লাবের সদস্য নন। আমার যতদূর মনে পড়ে ঘটনাটি গত ছয়/সত মাস আগের হবে। সে সময় ক্লাবে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে তুচ্ছ ঘটনায় সিনক্রিয়েট করেন। একই সঙ্গে ভাঙচুর করেন। ক্লাবের রেজিস্টার খাতায় তা লিপিবদ্ধ আছে। তবে ওই অনুষ্ঠানটি ক্লাবের নিজস্ব ছিল না। তিনি আরও বলন, আগে আমি নিজেও জানতাম না ওই ঘটনার খবর। সম্প্রতি একের পর এক পরীমণির বিষয় গণমাধ্যমে উঠে আসায় আমার ক্লাবের এক স্টাফ এ ঘটনাটি আমাকে বলেছে। ওই প্রোগ্রামে দায়িত্ব পালন করেছেন এমন আরও তিনজন বেয়ারাকে জিজ্ঞাসাবাদ করব। অনুষ্ঠানটি সম্ভবত তৌকীর-বিপাশা দম্পতির ছিল। সেই অনুষ্ঠানটি হচ্ছিল ক্লাবের রুফটপে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আজম মিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এমন একটি ঘটনার খবর আমরাও শুনেছি। তবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ আমাদের অবহিত করেনি। আমরা আমাদের মতো করে খোঁজখবর নিচ্ছি।

এদিকে, অল কমিউনিটি ক্লাব লিমিটেডের সহকারী সুপারভাইজার মো. মামুন মিয়া বলেন, গত ৭ জুন দিবাগত রাত পৌনে ২টায় নায়িকা পরীমণি দুজন পুরুষসহ ক্লাবে প্রবেশ করেন। এসে অনেক ভাঙচুর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এরপর আমরা নিচে চলে আসি। পরে পুলিশ এলে আমরা চলে যাই। অল কমিউনিটি ক্লাব লিমিটেডের বারে দায়িত্ব পালন করেন এমন আরেকজন (৫৩) জানান, পরীমণিসহ আরও ২/৩ জন ক্লাবে কীভাবে প্রবেশ করেন তা আমার জানা নেই। তারা প্রবেশ করেই আমার কাছে ড্রিংকস চায়। চারজনকে চার প্যাক ড্রিংকস দেই। এরপরই পরীমণি গালি দিয়ে বলে, এই ব্যাটা চার প্যাক আনছ কেন? সিভাসের বোতল আন, এটা বলেই আমাকে খাপ্পড় মারে। পরে স্যারকে বলি, বোতল চায়, স্যার বলেন, ঠিক আছে বোতল দাও। কিন্তু তার অকথ্য ভাষায় গালি চলতে থাকে। এটা শুনতে খুবই বিশ্রি লাগছিল। পরে আমি সরে গিয়ে নিচে চলে যাই। এরপর সিকিউরিটি গার্ড প্রবেশ করলে তাকেও গ্লাস ছুড়ে মারে এবং মারধর করে। এ বিষয়ে গুলশান থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, অলকমিউনিটি ক্লাব থেকে এখনো আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে ওই দিনের জিডির ওপর ভিত্তি করে থানার পক্ষ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।