শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০২:৩১, শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০২৫

ঐক্য না হলে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন

কঠোর সমালোচনা করেছে কয়েকটি দল
কাজী সোহাগ
প্রিন্ট ভার্সন
ঐক্য না হলে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন

রাষ্ট্র সংস্কারে মৌলিক বিষয়গুলোর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা না হলে সিদ্ধান্ত জানাবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এরই মধ্যে সে উদাহরণ তৈরি হয়েছে। বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন সংলাপে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলো। কোনো কোনো দল এ ধরনের সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করছে। আবার কোনো দল কমিশনের পরবর্তী বৈঠক বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। এ কমিশন জনগণের একক কোনো দলের নয়। কিন্তু কমিশন একটি-দুটি দলের হয়ে কাজ করছে। তাদের দিকে হেলে পড়ছে, সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এভাবে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না। কমিশন যদি সিদ্ধান্ত জানিয়ে থাকে তাহলে দিনের পর দিন এ আলোচনার অর্থ কী? তাদের বক্তব্য- যেসব ইস্যুতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা হবে না সেগুলো বাদ যাবে। আর যেগুলোতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা হবে সেগুলোই জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কমিশন যে ভূমিকা পালন করছে তা অনেকটা রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর তাদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে দলীয় প্রধান ও সংসদ নেতা হতে পারবেন কি না সে বিষয়ে একমত হতে ব্যর্থ হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। পরে কমিশনের পক্ষ থেকে এনিয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলা হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী দলীয় প্রধান থাকতে পারবেন না। কমিশনের এ ধরনের সিদ্ধান্তে সরাসরি অসন্তোষ জানিয়েছে বিএনপি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কমিশনের এক সদস্য বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, আমাদের এ সিদ্ধান্ত অনেকটা টেস্ট কেস। দলগুলোর পক্ষ থেকে তীব্র বিরোধিতা না পেলে অন্যান্য ইস্যুর ক্ষেত্রেও কমিশন তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে। তখন দলগুলো চাইলে নোট অব ডিসেন্ট দিতে পারে। রাজনীতিবিদরা বলছেন, কমিশন যদি মৌলিক ইস্যুগুলোর ক্ষেত্রেও একই পলিসি গ্রহণ করে তবে সেটা ভুল হবে। সে ক্ষেত্রে জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করা থেকে হয়তো বিরত থাকতে পারি।

আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতা জানিয়েছেন, এভাবে চলতে থাকলে জাতীয় সনদের পরিণতি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন নিয়েও সিদ্ধান্ত জানানোর ঘোষণা দিয়েছে কমিশন। এদিকে সময়ের দোহাই দিয়ে ও আলোচনা হয়েছে এমন অজুহাত সামনে নিয়ে মৌলিক ইস্যুসহ অন্যান্য ইস্যুতে নিজেদের সিদ্ধান্ত দলগুলোর ওপর চাপিয়ে দিতে চায় কমিশন- এমনটি মনে করছেন সংলাপে অংশ নেওয়া দলগুলো। যদিও বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দিতে চায় না। কয়েক দিনের মধ্যে জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোকে দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। তিনি আরও বলেন, কোনো বিষয়ে কারও দ্বিমত থাকলে সনদে সেটিও উল্লেখ করা হবে। অধিকাংশ বিষয়েই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে চলে এসেছে কমিশন। সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসের মধ্যেই হবে জাতীয় সনদ। অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে মীমাংসায় আসতে রাজনৈতিক দলগুলোকে ছাড় দেওয়ার বিষয়ে আলী রীয়াজ বলেন, আমি বারবার বলেছি, আপনাদের খানিকটা ছাড় দিতে হবে, ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকেও আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছি যে, কোনো কোনো জায়গায় পরিবর্তন সংশোধনের মধ্য দিয়ে আমরা ভবিষ্যৎ লক্ষ্য বা জাতীয় ঐকমত্যে পৌঁছতে পারব। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাষ্ট্রের মূলনীতি, দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ (উচ্চ কক্ষের নির্বাচন পদ্ধতি), তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন প্রক্রিয়া, প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া, নারী প্রতিনিধিত্ব, একজন সংসদ সদস্য কতগুলো পদে থাকতে পারবেন, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া, এ ধরনের মৌলিক কাঠামোগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অমীমাংসিত থেকে গেছে। এ ছাড়া দেশের পুরোনো চারটি বিভাগের সীমানাকে চারটি প্রদেশে বিভক্ত করে প্রাদেশিক শাসনব্যবস্থা চালু করা, বিদ্যমান জেলা পরিষদ ব্যবস্থা বাতিল করা, ওয়ার্ড মেম্বারদের ভোটে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া এবং উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদটি বিলুপ্ত করার প্রস্তাবে বেশির ভাগ দল একমত হয়নি। এসব বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে কমিশন তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত জানাবে।

এ ক্ষেত্রে কমিশনের বক্তব্য, আমরা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে আসার চেষ্টা করে সফল হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে কমিশন এ ভূমিকায় নেমেছে। মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা হতে পারবেন না এমন সিদ্ধান্তের বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলোকে জানায় ঐকমত্য কমিশন। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, আমরা আগেই বলেছি ৭০ অনুচ্ছেদে যেমন ভিন্নমত (ডিসেন্টিং ভয়েস) রাখার সুযোগ রেখেছি, এটিও সেভাবে রাখা যেতে পারে। আমাদের অবস্থান হলো, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না এমন বিধান যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কোথাও নেই। এটা তার একটি গণতান্ত্রিক অধিকার।

এই বিভাগের আরও খবর
হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৯ শিশুর
ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্সকে আহ্বান
সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ফ্রান্সকে আহ্বান
মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পাবেন আধুনিক অস্ত্র
মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পাবেন আধুনিক অস্ত্র
ভাবনায় এখন নকআউট পর্ব
ভাবনায় এখন নকআউট পর্ব
১১-দলীয় ঐক্যের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
১১-দলীয় ঐক্যের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
আগে চড়তেন রিকশায় এখন প্রাডোতে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন
আগে চড়তেন রিকশায় এখন প্রাডোতে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন
রবিবার থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
রবিবার থেকে চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা
পবিত্র আশুরা আজ
পবিত্র আশুরা আজ
দুর্নীতি ও ঘুষের শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস দ্বিতীয় বিআরটিএ
দুর্নীতি ও ঘুষের শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস দ্বিতীয় বিআরটিএ
দিনদুপুরে চার খুন
দিনদুপুরে চার খুন
সর্বশেষ খবর
মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে
মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার
সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন
ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ
রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ
দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু
গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস
শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর
ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন
বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা
সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা
কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই

৪৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

৫৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মহাকাশ থেকে তোলা মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করলেন নাসার মহাকাশচারী
মহাকাশ থেকে তোলা মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করলেন নাসার মহাকাশচারী

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা
দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা

৫৯ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই’ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই’ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রবাসী খুন: এক বছর আগেই এসেছিল হত্যার হুমকির উড়ো চিঠি
ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রবাসী খুন: এক বছর আগেই এসেছিল হত্যার হুমকির উড়ো চিঠি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা
‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ
উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক