শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ অক্টোবর, ২০১৯ ২১:২৯

চুলের যত্নে ঘরোয়া দাওয়া

চুলের যত্নে ঘরোয়া দাওয়া

মাস না পেরোতেই স্পা। আর সঙ্গে গুনতে হচ্ছে বাড়তি খরচ। তার ওপর ঘন ঘন পার্লারের রাসায়নিক জিনিসপত্র চুলে ব্যবহার করলে তা ক্ষতিও করে চুলের। সারা দিন বাইরে থাকার ফলে চুল হয়ে যাচ্ছে রুক্ষ, সঙ্গে হানা দিচ্ছে খুশকি। অনেকের আবার চটচটে হয়ে গোড়া আলগা হওয়ার মতো সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। সমাধান হিসেবে কেবল দুই দিন অন্তর অন্তর শ্যাম্পু ও কন্ডিশনিংয়েই খুশি থাকতে হচ্ছে। চুলের নানা সমস্যাকে আয়ত্তে রাখতে শুধুই যে শ্যাম্পু-কন্ডিশনিংয়ে আস্থা রাখলেই হয়, এমনটা নয়। বাড়িতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েও চুলের যত্ন নিয়ে থাকেন অনেকেই। আর এসব উপাদানও বেশ সহজলভ্য। রইল তার বৃত্তান্ত।

 

বেকিং সোডা : ব্যস্ততার কারণে কয়েকদিন শ্যাম্পু করার সময় বা সুযোগ না পেলে বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন। শ্যাম্পু করার সময় তাতে মিশিয়ে নিন বেকিং সোডা। মাথার ত্বক ও চুলের ময়লাকে সহজে পরিষ্কার করতে এর জুড়ি নেই।

 

ডিম : চুলের রুক্ষভাব দূর করতে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের জোগান বাড়াতে হবে। তাই এক্সপার্টরা সবসময় চুলে ডিমের প্যাক ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন। ডিম ভেঙে মেখে নিন চুলে। ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন। কয়েক সপ্তাহ ব্যবহারে চুল ফিরে পাবে হারানো জৌলুস। এ ছাড়া খুশকি সরাতেও খুব কাজে আসে ডিম।

 

দই : টক দই সব চুলের জন্য নয়। চুল পাতলা ও রুক্ষ হলে এটা ব্যবহার করবেন না। কিন্তু চুল যদি স্বাভাবিক ও মোটা হয় তা হলে দই ব্যবহার করুন। এর প্রোবায়োটিক উপাদান চুলকে ঝলমলে করার পাশাপাশি চুলের পুষ্টিরও জোগান দেয়।

 

আপেল সাইডার ভিনিগার : চুল পড়লে এই উপাদানটি হবে চুল কন্ডিশনিংয়ের জন্য আদর্শ। শ্যাম্পুর পর আপেল সাইডার দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে চুল পড়া কমার সঙ্গে চুলের গোড়া মজবুতও হবে।

 

লেবু : খুশকি দূর করতে অ্যাসিটিক অ্যাসিডের ভূমিকা অনেক। তাই উষ্ণ নারিকেল তেলে মিশিয়ে নিন লেবুর রস। মিশ্রণটি দিয়ে ম্যাসাজ করুন চুলে। ঘুমানোর সময় শাওয়ার ক্যাপ জড়িয়ে শুয়ে পড়ুন। পর দিন সকালে শ্যাম্পু করে নিন।

 

লেখা : ফ্রাইডে ডেস্ক


আপনার মন্তব্য