শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:২৮, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ আপডেট:

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

শিশুর ক্যান্সার: যে সাত লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
শিশুর ক্যান্সার: যে সাত লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বে অন্তত তিন লাখ শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। এদের মধ্যে ৮০% শিশুকেই চিকিৎসার মাধ্যমে সারিয়ে তোলা সম্ভব। তবে স্বাস্থ্য সেবার সুযোগের অভাবে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে ৯০ ভাগ ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুই মারা যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, শিশুদের ক্যান্সার বা চাইল্ডহুড ক্যান্সার বলতে ১৮ বছরের কম বয়সীদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়াকে বোঝায়। শিশুদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হারও কম। বিশ্বে ক্যান্সার আক্রান্তদের মধ্যে ০.৫% থেকে ৪.৬% আক্রান্তরা শিশু।

শিশু বয়সে কোন ক্যান্সারগুলো বেশি হয়?

প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় শিশুদের ক্যান্সার কিছুটা ভিন্ন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, শিশুদের মধ্যে সাধারণত লিউকেমিয়া বা রক্তের ক্যান্সার বেশি হয়। ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশই লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত।

এছাড়া আরো যে ধরনের ক্যান্সার হয় সেগুলো হচ্ছে, লিম্ফোমাস এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ু ব্যবস্থায় বিভিন্ন ধরণের টিউমার। কিছু ক্যান্সার রয়েছে যা শুধু শিশুদেরই হয়। যেমন নিউরোব্লাস্টোমা, নেফ্রোব্লাস্টোমা, মেডুলোব্লাস্টোমা, এবং রেটিনোব্লাস্টোমা।

স্তন ক্যান্সার, ফুসফুস, কোলন বা মলদ্বারের ক্যান্সার সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদেরই হয়ে থাকে। শিশুদের এ ধরণের ক্যান্সার হবার ঘটনা খুবই বিরল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান বলেন, শিশুদের কিডনি ক্যান্সার, মস্তিষ্কের কিছু ক্যান্সার এবং রক্তের কিছু ক্যান্সার হতে পারে।

শিশুদের ক্যান্সার কেন হয়?

শিশুদের ক্যান্সার আক্রান্তের ঝুঁকি এমনিতেই কম থাকে। তবে কিছু কারণ রয়েছে যার জন্য শিশুরা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে ক্ষতিকর রশ্মি বা বিকিরণের সংস্পর্শে আসাটা অন্যতম।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অনেক সময় জীনগত কারণে অনেক শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে। এ ধরনের উদাহরণ সাধারণত জাতিগতভাবে বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে দেখা যায়।

জেনেটিক্সের উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিভেদে সংবেদনশীলতা ভিন্ন হওয়ার কারণেও এটি হতে পারে। কিছু গবেষণায় জানা যায় যে, এপস্টেইন-বার নামে ভাইরাস ছাড়াও, হেপাটাইটিস বি, হিউম্যান হার্পিস এবং এইচআইভি ভাইরাসও শিশুদের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

শিশুদের ক্যান্সার কি প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা যায়?

ডব্লিউএইচও-এর তথ্য মতে, শিশুদের বেশিরভাগ ক্যান্সারেই তেমন কোন লক্ষণ বা উপসর্গ থাকে না। যার কারণে দেরিতে শনাক্ত হয়। উন্নত বিশ্বে যেহেতু শিশুদের বাবা-মায়ের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকে এবং চিকিৎসার সুযোগও বেশি - তাই তাদের মধ্যে প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার সনাক্ত করাটা সম্ভব হয়।

নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে স্বাস্থ্য সেবা এবং পরীক্ষার সুযোগ কম থাকায় প্রাথমিক অবস্থাতে ধরা পড়ে না।

কী কী লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না?

ডা. ফারজানা রহমান বলেন, যেকোনো বয়সের শিশুর মধ্যেই ক্যান্সার দেখা দিতে পারে। তবে রক্তের ক্যান্সারটি সাধারণত এক বছরে বয়সের পর থেকে হয়। এক থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের এটি বেশি হয়। "লিউকোমা নামেও একটা ক্যান্সার হয়, সেটা যেকোন বয়সের শিশুদেরই হতে পারে।"

তিনি বলেন, শিশুরা সাধারণত নিজের রোগ সম্পর্কে সচেতন থাকে না এবং বেশিরভাগ সময় তারা বুঝতেও পারে না যে, তার আসলে কেমন লাগছে। এ বিষয়ে বাবা-মা কেই উদ্যোগী হতে হবে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

শিশুদের মধ্যে নিম্নলিখিত উপসর্গগুলো থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে এসব লক্ষণ থাকার মানে এই নয় যে তারা ক্যান্সারে আক্রান্ত। তবে লক্ষণগুলো থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত।

যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ক্যান্সারের কিছু লক্ষণের তথ্য দিয়েছে যেগুলো বেশিদিন ধরে স্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার কথা বলা হয়েছে।

ডা. ফারজানা রহমান বলেন, ক্যান্সারের আসলে আলাদা করে কোন লক্ষণ বা উপসর্গ নেই। অন্যান্য রোগের মতোই সাধারণ উপসর্গ থাকে। তবে অন্যান্য রোগে যেমন চিকিৎসা করানো হলে উপসর্গগুলো ভালো হয়ে যায়, ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সেটা হয় না। বরং উপসর্গগুলো থেকে যায় এবং ধীরে ধীরে আরো বাড়তে থাকে।

তিনি যে উপসর্গগুলোর কথা বলেছেন সেগুলো হচ্ছে-

১. শরীরে ব্যথা

শরীরের কোথাও যদি অনেক দিন ধরে ব্যথা থাকে এবং সেটি না সেরে যায় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান বলেন, যদি কোন শিশু অনেক দিন ধরেই তার শরীরে ব্যথা করছে বলে জানায় তাহলে সেটি গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে।

"হয়তো সে বলতে পারবে না কিন্তু বোঝাবে যে তার শরীরটা ভালো নেই, গায়ে ধরতে দিচ্ছে না, শরীরে খুব বেশি ব্যথা"

২. ফোলা বা ফোলা ভাব

শরীরের কোনো অংশ যদি হঠাৎ ফুলে ওঠে এবং দীর্ঘদিনেও ভালো না হয় - তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

এ বিষয়ে ডা. ফারজানা রহমান বলেন, গলার ভেতরে কোনো গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া বা শরীরের কোথায় কোন অংশ ফুলে যাওয়া, পেটের ভেতরে চাকার মতো অনুভূত হওয়া, শরীরের জয়েন্ট বা কোনো সংযোগস্থলে ফুলে যাওয়া ভালো লক্ষণ নয়।

এ ধরনের উপসর্গ দীর্ঘদিন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার কথা বলেছেন তিনি।

৩. অনেক দিন ধরে জ্বর

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তেমন ভালভাবে কাজ করতে পারে না বলে অনেক সময় জ্বর আসলেও সেটি আর ভাল হয় না। ফলে অনেক দিন ধরে জ্বরে ভুগতে থাকে রোগী।

এটি রক্তের ক্যান্সারের একটি লক্ষণ বলে জানান ডা. ফারজানা রহমান।

সেক্ষেত্রে পরীক্ষা করে দেখতে হবে যে সে আসলেই ক্যান্সারে আক্রান্ত, নাকি অন্য কোন সমস্যা রয়েছে।

এছাড়া শরীর হঠাৎ করে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া বা জন্ডিস হওয়ার পর অনেক দিন ধরে চলতে থাকে, ওষুধ খাওয়ার পরও জন্ডিস ভাল না হওয়া, শরীর হলুদ হয়ে যাওয়া- এসব লক্ষণ থাকলেও শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

৪. মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা - যা যায় না

শিশু যদি দীর্ঘদিন ধরে মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরানোর কথা জানায় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

৫. হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া

শিশু যদি খাবারের প্রতি অরুচি দেখায়, কোন কিছুই খেতে চায় না এবং এই সমস্যা যদি দীর্ঘদিন ধরে চলে, তার পর এক পর্যায়ে হঠাৎ করে দেহের ওজন কমে যায় - তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে পরীক্ষা করাতে হবে।

তিনি বলেন, অনেক সময় লক্ষণ ছাড়াও কিছু লুক্কায়িত ক্যান্সার থাকে। সেক্ষেত্রে আলাদা কোন লক্ষণ থাকে না, শুধু শিশু খাওয়া দাওয়া করে না, ওজন কমে যাচ্ছে, কান্নাকাটি করছে, খেলাধুলা বা অন্য কোন কাজ করছে না - এরকম হলে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে হবে।

৬. ক্লান্তি ও স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত ঘাম

কোন কাজ না করেও যদি শিশু সারাক্ষণই ক্লান্তি বোধ করে, বিশ্রাম নেয়ার পরও ক্লান্তিভাব না যায় এবং স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত ঘাম হতে থাকে - তাহলে সেটি অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

৭. হঠাৎ রক্তপাত

শরীরের কোনো অংশ থেকে যদি হঠাৎ করে অস্বাভাবিকভাবে রক্তক্ষরণ শুর হয় তাহলে অবশ্যই দেরী না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ডা. ফারজানা রহমান বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই বা কোনো আঘাত ও ব্যথা পাওয়া ছাড়াই রক্তক্ষরণ হচ্ছে তাহলে ভয় না পেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

রক্তরোগ এই বিশেষজ্ঞ বলেন, বোন ম্যারো বা হাড়ের মজ্জা থেকে যে রক্ত তৈরি হয় সেটি যদি কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হয়, বা রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান তৈরি না হয় তাহলে শরীরের কোন একটি অংশ থেকে যেমন নাক, পায়খানার রাস্তা কিংবা প্রস্রাবের সাথে হঠাৎ করেই রক্তক্ষরণ হতে থাকে।

রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না বলে এই উপসর্গ দেখা দেয় বলে জানান তিনি।

এ ছাড়া শরীরের চামড়ার ভেতরেও রক্তক্ষরণ হতে পারে। তখন চামড়ায় কালো বা লাল লাল ছোপ দেখা যায় তখন শিশুরা অনেক অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

উল্লিখিত লক্ষণগুলো যদি দেখা যায় যে, এক মাস বা দু'মাস থাকে এবং কোনোভাবেই ভালো হচ্ছে না - তখন সেটি পরীক্ষা করাতে হবে। তবে পরীক্ষার আগ পর্যন্ত কোনোভাবেই নিশ্চিত করে বলা যাবে না যে, আসলে কী কারণে এমন হচ্ছে।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

  
 

এই বিভাগের আরও খবর
দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু
দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু
দেশে প্রতি চারজনে একজন উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত
দেশে প্রতি চারজনে একজন উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত
সন্তানের অটিজমের ঝুঁকি বাড়াতে পারে প্যারাসিটামল : গবেষণা
সন্তানের অটিজমের ঝুঁকি বাড়াতে পারে প্যারাসিটামল : গবেষণা
ক্যান্সার কেয়ার ভিলেজে প্রবাসীদের অংশগ্রহণের সুযোগ
ক্যান্সার কেয়ার ভিলেজে প্রবাসীদের অংশগ্রহণের সুযোগ
ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের চুক্তি
ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের চুক্তি
সংকট কাটাতে ১২০ কোটি টাকার ওষুধ দিচ্ছে ইডিসিএল
সংকট কাটাতে ১২০ কোটি টাকার ওষুধ দিচ্ছে ইডিসিএল
কোভিডে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে বিশেষ করে নারীদের : গবেষণা
কোভিডে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে বিশেষ করে নারীদের : গবেষণা
এআই তৈরি করল মানবদেহে বিষমুক্ত নতুন অ্যান্টিবায়োটিক
এআই তৈরি করল মানবদেহে বিষমুক্ত নতুন অ্যান্টিবায়োটিক
মাদক-সিগারেট ও অনিয়মিত ঘুম বাড়াচ্ছে স্লিপ অ্যাপনিয়ার তীব্রতা
মাদক-সিগারেট ও অনিয়মিত ঘুম বাড়াচ্ছে স্লিপ অ্যাপনিয়ার তীব্রতা
প্রসবঘরটি হোক আস্থার জায়গা
প্রসবঘরটি হোক আস্থার জায়গা
তামাকজনিত রোগে বছরে প্রাণ হারাচ্ছেন ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ
তামাকজনিত রোগে বছরে প্রাণ হারাচ্ছেন ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ
ব্যথা নিজে কোনো রোগ নয়, এটি অসুখের লক্ষণ
ব্যথা নিজে কোনো রোগ নয়, এটি অসুখের লক্ষণ
সর্বশেষ খবর
ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি
ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ

৪৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা
চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন
মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন
ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু
দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা
ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ
আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে-পুত্রবধূ আটক
কুমিল্লায় মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে-পুত্রবধূ আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে যুবকের আত্মহত্যা
নাটোরে যুবকের আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘নির্বাচনকে বানচাল করার সব অপচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে’
‘নির্বাচনকে বানচাল করার সব অপচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে’

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু, বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ
সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু, বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাকৃবিতে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ
গাকৃবিতে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ একজন আটক
টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ থেকে ফিরে ছাদ কৃষি চাষে সাফল্য
বিদেশ থেকে ফিরে ছাদ কৃষি চাষে সাফল্য

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিয়ের পরদিনই নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামী কারাগারে
বিয়ের পরদিনই নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামী কারাগারে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত চায় এনসিপি
জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত চায় এনসিপি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দিনাজপুরে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
দিনাজপুরে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের শঙ্কা
বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এবার কানাডা সুপার সিক্সটি কাপে দল পেলেন সাকিব
এবার কানাডা সুপার সিক্সটি কাপে দল পেলেন সাকিব

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নরসিংদীতে আকস্মিক সফরে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
নরসিংদীতে আকস্মিক সফরে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিংবদন্তি পরিচালক প্রেম সাগরের মৃত্যু
কিংবদন্তি পরিচালক প্রেম সাগরের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মির্জাপুরে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু
মির্জাপুরে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলায় গৃহবধূর যাবজ্জীবন, প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড
সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলায় গৃহবধূর যাবজ্জীবন, প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন