শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:০৯, সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫

গ্লুকোমা শনাক্ত এবং চিকিৎসা কেন জরুরি

অধ্যাপক ডা. ইফতেখার মো. মুনির
অনলাইন ভার্সন
গ্লুকোমা শনাক্ত এবং চিকিৎসা কেন জরুরি

চোখ মানবজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। চোখ আছে বলেই আমরা সবকিছু সুন্দরভাবে দেখতে পাই। অনেকেই চোখের যত্ন নিয়ে অবহেলা করে থাকি। 

দেখা যায় শরীরের অন্যান্য রোগ-বালাইয়ের ক্ষেত্রে আমরা যতটা যত্নবান চোখের ক্ষেত্রে আবার ঠিক উল্টো। অথচ চোখের যত্ন ও চিকিৎসায় আরও বেশি যত্নবান হওয়া জরুরি। 

এই চোখের ভিতরে রয়েছে বিশেষ জলীয় অংশ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এর একটি অংশের নাম অ্যাকুয়াস। এটির পরিমাণের ওপর নির্ভর করে চোখের চাপ বা প্রেশার। 

অ্যাকুয়াস চোখের ভিতরে সিলিয়ারি বডি নামক অংশে প্রস্তুত হয়ে সামনের দিকে প্রবাহিত হয় এবং চোখের কোণে অবস্থিত অ্যাঙ্গেল অব স্কেম নামক অংশ দিয়ে চোখের বাইরের অংশে এসে রক্তে মিশে যায়। 

কোনো কারণে অ্যাকুয়াস বেশি বা কম পরিমাণ অ্যাঙ্গেল দিয়ে নিঃসৃত হলে চোখের প্রেশার বেড়ে যায়। একে বলা যায় চোখের উচ্চচাপ। এ অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে অপটিক নার্ভ বা চোখের নার্ভ নষ্ট হয়ে যায়। একবার কোনো নার্ভ নষ্ট হলে তা ফিরিয়ে আনা কঠিন।

গ্লুকোমার ধরন : 

পারিবারিক প্রভাব এ রোগের ক্ষেত্রে বেশ প্রভাব ফেলে। চোখের অন্যান্য জন্মগত ত্রুটির কারণেও গ্লুকোমা হতে পারে। আবার চোখের কোনো সমস্যার কারণেও হতে পারে। তবে আপাত দৃশ্যমান কোনো কারণ ছাড়া বয়স্কদের গ্লুকোমা বা প্রাইমারি গ্লুকোমা বোঝায়। প্রাইমারি গ্লুকোমা দুই ধরনের- প্রাইমারি ন্যারো অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা ও প্রাইমারি ওপেন অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা। এর মধ্যে প্রাইমারি ওপেন অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা ভয়ংকর। এর কোনো ধরনের উপসর্গ নেই। বলা যায়, চোখের নীরব ঘাতক।

শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা : 

এ রোগে যদি কোনো উপসর্গ না দেখা দেয়, সে ক্ষেত্রে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া ছাড়া রোগ নির্ণয় করা কঠিন। গ্লুকোমা শনাক্তকরণে যে বিষয়গুলো গুরুত্ব নিতে হয়- চোখের প্রেশার বা আইওপি ২১-এর ওপর থাকলে টনোমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে মাপা হয়। অপটিক নার্ভ হেড ইভ্যালুয়েশন ও অফথ্যালমোস্কোপ দিয়ে চোখের ভিতরের অংশ দেখে বোঝা যায়। এটি তাৎক্ষণিকভাবে করা যায়। ভিজ্যুয়াল ফিল্ড অ্যানালাইসিস বা চোখের নার্ভের অবস্থান নিরূপণ করা, যা একটি ডিজিটাল যন্ত্রের সাহায্যে করতে হয়।

গ্লুকোমার চিকিৎসা : 

চোখের ড্রপের সাহায্যে চিকিৎসা দেওয়া যায়। তবে এটি সারাজীবন চালিয়ে যেতে হয়। এর দুটি প্রতিবন্ধকতা হলো- সারা জীবনের জন্য ব্যয়নির্বাহ ও ওষুধ দিতে ভুলে যাওয়া। এ ছাড়া অপারেশনের মতো স্থায়ী পদ্ধতির মাধ্যমে চিকিৎসাও রয়েছে। এতে সুবিধা হলো- চোখের প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওষুধের চেয়ে এ পদ্ধতি বেশি কার্যকর। কিছু কিছু ক্ষেত্রে লেজারের সাহায্যেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

গ্লুকোমার অন্ধত্ব থেকে মুক্তি পেতে আগে রোগটি শনাক্ত করা জরুরি। তারপর দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা এবং চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞের পর্যবেক্ষণে থেকে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া উচিত। যারা মনে করেন, সারা জীবন চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন অথবা নিয়মিত ওষুধ দিতে ভুলে যাবেন কিংবা যাদের চোখের প্রেশার ড্রপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তাদের অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভালো। তবে গ্লুকোমা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রাখা জরুরি। 

কোনো অবস্থায়ই নিজে নিজে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। অবশ্যই সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া উত্তম। কারণ, রোগীর শারীরিক অন্যান্য সমস্যা ও জটিলতাও এ সময় পর্যবেক্ষণ করতে হয়। তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া অপারেশন করা ঠিক নয়। সুতরাং এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে। হতে হবে আরও বেশি যত্নবান ও সচেতন।

লেখক : পরিচালক ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট, গ্লুকোমা বিভাগ বাংলাদেশ আই হসপিটাল, মালিবাগ, ঢাকা

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
নারায়ণগঞ্জে চোরাই গাড়িসহ চোরচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জে চোরাই গাড়িসহ চোরচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার

এই মাত্র | নগর জীবন

রোনালদো ও ভিতিনিয়াকে নিয়ে সতর্ক কলম্বিয়া কোচ
রোনালদো ও ভিতিনিয়াকে নিয়ে সতর্ক কলম্বিয়া কোচ

৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধ : হাবিবসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে রায় আগামীকাল
মানবতাবিরোধী অপরাধ : হাবিবসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে রায় আগামীকাল

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

কুষ্টিয়ায় নদীতে ভাসছিল যুবকের মরদেহ
কুষ্টিয়ায় নদীতে ভাসছিল যুবকের মরদেহ

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক
দুই প্রকল্পে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক

৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি

২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ শিশুর মৃত্যু

৭ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

নারায়ণগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে জার্মানির দ্রুত বিদায় দেখছেন ক্রুস
বিশ্বকাপে জার্মানির দ্রুত বিদায় দেখছেন ক্রুস

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

১৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

হরমুজ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের পথে ক্রুড তেলবাহী জাহাজ ‌‘নর্ডিক পোলক্স’
হরমুজ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের পথে ক্রুড তেলবাহী জাহাজ ‌‘নর্ডিক পোলক্স’

১৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

উদ্বোধনের পরও চালু হয়নি ১২ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার, মাদকসেবীদের আশ্রয়স্থল
উদ্বোধনের পরও চালু হয়নি ১২ কোটি টাকার ট্রমা সেন্টার, মাদকসেবীদের আশ্রয়স্থল

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে : ইরান কোচ
আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে : ইরান কোচ

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : আমানউল্লাহ আমান
জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : আমানউল্লাহ আমান

১৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাসাইলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান
বাসাইলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সারাদেশ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামীকাল
সারাদেশ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামীকাল

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

কাঁটাবনে বহুতল ভবনে আগুনে ২ জনের মৃত্যু
কাঁটাবনে বহুতল ভবনে আগুনে ২ জনের মৃত্যু

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
কুড়িগ্রামে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

২৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

‘অসম্ভব বলে কিছু নেই’,বিশ্বকাপে রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে
‘অসম্ভব বলে কিছু নেই’,বিশ্বকাপে রূপকথার গল্প লিখছে কেপ ভার্দে

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা
নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামালপুরের বকশীগঞ্জে হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু
জামালপুরের বকশীগঞ্জে হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইরানের ডিফেন্ডার
সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইরানের ডিফেন্ডার

৪৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া
মশক নিধন ও বর্জ্যমুক্ত সিটি কর্পোরেশন হবে বগুড়া

৫১ মিনিট আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’
‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী
বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক