শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ০৪:৩৪
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ০৯:৪১

বিশ্বে গণতন্ত্র সূচকে ১০ ধাপ পিছিয়ে গেল ভারত

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বে গণতন্ত্র সূচকে ১০ ধাপ পিছিয়ে গেল ভারত

বিশ্বে গণতন্ত্র সূচকে এক লাফে ১০ ধাপ পিছিয়ে গেল ভারত। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)-র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে গণতন্ত্র সূচকে ভারতের স্থান বিশ্বে ৫১। 

২০১৮ সালে ৬.৯ পয়েন্ট নিয়ে ভারত ছিল ৪১ নম্বর স্থানে। ২০১৯ সালে ৭.২৩ পয়েন্ট নিয়ে আরও পিছিয়ে ৫১তম৷ যার নির্যাস, ভারতের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য দেশের নিরিখে শোচনীয়। রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ভারত 'ত্রুটিযুক্ত গণতন্ত্র।'

২০০৬ সাল থেকে এই সূচক মাপা শুরু হয়েছে। এবারই ভারতের র‌্যাঙ্ক সবচেয়ে খারাপ। ৫টি ক্যাটাগরির নিরিখে এই সূচক মাপা হয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়া, সরকার পরিচালনা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও নাগরিক স্বাধীনতা। ০ থেকে ১০-এর মধ্যে স্কোর বেধে দেওয়া হয়। এছাড়া পূর্ণ গণতন্ত্র, ত্রুটিযুক্ত গণতন্ত্র, হাইব্রিড গণতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র, এই চারটি বিভাগ রাখা হয়। তার মধ্যে ভারতকে ত্রুটিযুক্ত গণতন্ত্রের কোটায় রাখা হয়েছে।

২০১৪ সাল থেকেই ভারতের গণতন্ত্র সূচক কমতে শুরু করেছে। এর মধ্যে ২০১৬ সালে সামান্য বেড়েছিল। ২০১৪ সালে বিজেপি যখন ক্ষমতায় আসে, তখন ভারতের গণতন্ত্র সূচক ৭.৯২ ছুঁয়ে ছিল। যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। তারপরেই কমতে শুরু করে। ৭ পয়েন্টের নীচে এই প্রথম হলো।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, '৩৭০ ধারা বাতিলের আগে জম্মু-কাশ্মীরে বিশাল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছিল ভারত। সেখানে কারফিউ জারি, রেকর্ড সংখ্যক দিন ধরে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে রাখা হয়। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে গৃহবন্দী করে রাখা, হাজার হাজার কাশ্মীরিকে অনৈতিকভাবে গ্রেফতারের অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ দেশের সংখ্যালঘুদের একটা বড় অংশ।'

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, নতুন নাগরিকত্ব আইনে ক্ষুব্ধ দেশের মুসলিম সমাজের বড় অংশ। বড় শহরগুলিতে বিক্ষোভ চলছে। পূর্ণ গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে চিলি, ফ্রান্স, পর্তুগাল। উদ্বেগের বিষয় হলো, বিশ্বের এক তৃতীয়াংশের বেশি দেশই একনায়কতন্ত্রের ক্যাটাগরিতে পড়েছে।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত
     


আপনার মন্তব্য