শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ মার্চ, ২০২০ ২৩:০১

ব্যারেল প্রতি ১০ ডলার কমতে পারে জ্বালানি তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক

ব্যারেল প্রতি ১০ ডলার কমতে পারে জ্বালানি তেলের দাম

করোনাভাইরাসের মহামারিজনিত কারণে বিশ্বব্যাপী কমতে থাকা জ্বালানি তেলের চাহিদা ফের বাড়তে পারে এমন সম্ভাবনা থেকে সৌদি আরব তেলের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। খুব শিগগিরই তারা অতিরিক্ত তেল উত্তোলন শুরু করবে। একই পথে হাঁটতে পারে কানাডাসহ অনন্য তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোও।  ফলে তেলে মূল্য ব্যারেল প্রতি ১০ ডলার পড়ে যেতে পারে।

করোনভাইরাসের প্রকোপে বন্ধ থাকা চীনের শিল্পাঞ্চলগুলো পুনারায় চালু হওয়ায় এই সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। জানুয়ারিতে চীনের শিল্পাঞ্চলগুলো বন্ধ হওয়ার পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রিফাইনারিগুলোতে তেলের মজুদ বাড়তে থাকে।  স্টোরেজগুলোতে মজুদ গড়ে প্রায় তিন-চতুর্থাংশে পৌঁছেছে।

ওয়েল ইন্ডাস্ট্রিগুলি আশা করছে যে, মহামারিটির সংক্রমণ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ায় স্থবির হয়ে যাওয়া অর্থনীতি এবং কমে যাওয়া তেল চাহিদা পুনরায় বাড়তে শুরু করবে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চাহিদা বাড়তে শুরু করবে বলে আশা করছেন তারা। জ্বালানি পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান রাইস্টাড এনার্জির বিশ্লেষকদের মতে, কানাডা তার অভ্যন্তরীণ তেল উৎপাদনের জন্য মাত্র কয়েক দিন দূরে আছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দেশটি তেল উত্তোলন শুরু এবং কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশও কানাডাকে অনুসরণ করতে পারে।

বিশ্লেষকরা আশা করছেন যে, পশ্চিমা দেশ কানাডার তেল সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোতে মাসের শেষের দিকে একদিনে প্রায় লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করা হতে পারে। মূল্য ঠিক রাখতে হতে এটার লাগাম লাগাতে হবে। রাইস্টাডের এক বিশ্লেষক টমাস লাইস বলেন, শিল্পকারখানা বন্ধ থাকায় এমনিতেই অনেক তেল মজুদ পড়ে আছে। এমন পরিস্থিতিতে এ বছর অপরিশোধিত তেল উত্তোলনের হার কমানো না হলে তেলের মূল্য পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নভেল করোনা ভাইরাসের প্রভাবে জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদা ব্যাপকভাবে কমছে। বিশেষত চীনসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশে জ্বালানি পণ্যটির চাহিদা হ্রাস পেয়েছে। তবে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতিতে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো একসঙ্গে উত্তোলন শুরু করলে বিশ্ব বাজারে দামে ধস নামতে পারে। ব্যারেল প্রতি ১০ ডলার মূল্য কমতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর