শিরোনাম
প্রকাশ : ৪ আগস্ট, ২০২০ ০৮:৪৫
আপডেট : ৪ আগস্ট, ২০২০ ১০:৫৫

কাশ্মীরে ভারতীয় সেনা সদস্য নিখোঁজ, অপহরণের আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক

কাশ্মীরে ভারতীয় সেনা সদস্য নিখোঁজ, অপহরণের আশঙ্কা

কাশ্মীরে নিখোঁজ হয়েছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক সদস্য। ঈদে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছুটি কাটাতে গিয়ে রাস্তা থেকে নিখোঁজ হন তিনি। তাকে অপহরণ করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিখোঁজ সেনা সদস্যের নাম শাকির মঞ্জুর। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১৬২ নম্বর ব্যাটালিয়ানের সদস্য। বাড়ি স্থানীয় শোপিয়ান জেলার হারমেন এলাকায়। রবিবার সন্ধ্যা থেকে তার কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সোমবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যায় শেষবার কুলগামে গাড়িতে দেখা গিয়েছিল শাকির মঞ্জুরকে। এরপর তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে কুলগামের কাছে গাড়িটি রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেটি আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যে কারণে তার অপহৃত হওয়ার আশঙ্কা আরও বাড়ছে। নিখোঁজ সেনা সদস্যের সন্ধানে শুরু হয়েছে জোরদার তল্লাশি অভিযান। স্থানীয় পুলিশ এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে।

সোমবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে #TerrorismFreeKashmir হ্যাশট্যাগ দিয়ে একটি ট্যুইট করা হয়। যেখানে লেখা হয়েছে, ‘রবিবার সন্ধ্যা ৫টা থেকে ১৬২ নম্বর ব্যাটালিয়ানের (টেরিটোরিয়াল আর্মি) সদস্য রাইফেলম্যান শাকির মঞ্জুর নিখোঁজ। তার পরিত্যক্ত অগ্নিদগ্ধ গাড়িটি কুলগামের কাছে খুঁজে পাওয়া গেছে। রাইফেলম্যান শাকির মঞ্জুরকে সন্ত্রাসবাদীরা অপহরণ করতে পারে বলে আমাদের আশঙ্কা। তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।’

এদিকে, শাকির মঞ্জুরের কোনও ক্ষতি না করার জন্য এবং সুস্থভাবে তার ফিরে আসা নিশ্চিত করার আবেদন করা হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে। প্রবল উদ্বেগের মধ্যে আছেন তার আত্মীয়স্বজনরা।

সম্প্রতি কাশ্মীরে অফ-ডিউটিতে থাকা ভারতীয় সেনা সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে। তিন বছর আগে দক্ষিণ কাশ্মীরে প্রথম ঘটনা সামনে আসে। ২০১৭ সালের মে মাসে শোপিয়ানে এক তরুণ নিরস্ত্র সেনা সদস্যকে বিয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিয়ে বাড়ি থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে একটি এলাকা থেকে লেফটেন্যান্ট উমর ফৈয়জের গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার মাত্র ৫ মাস আগে রাজপুতানা রেজিমেন্টে যোগ দিয়েছিলেন ২২ বছরের ওই যুবক। সূত্র: এই সময়

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর