শিরোনাম
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর, ২০২০ ১৯:১০
প্রিন্ট করুন printer

রাজস্ব কর্মকর্তার ফাঁসি, চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের ইতি টানছে উত্তর কোরিয়া

অনলাইন ডেস্ক

রাজস্ব কর্মকর্তার ফাঁসি, চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের ইতি টানছে উত্তর কোরিয়া
কিম জং উন

করোনা আবহের অজুহাতে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে রাশ টেনেছে উত্তর কোরিয়া। আমেরিকার সংবাদ মাধ্যমের দাবি, উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উন চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার পথে হাঁটতে চলেছেন।

চীন থেকে পণ্য আমদানি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় ইতিমধ্যেই উন সে দেশের রাজস্ব দফতরের কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। গত অক্টোবরে চীনা পণ্যের আমদানি ৯৯ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে পিয়ংইয়ং।

উনের বাবা তথা উত্তর কোরিয়ার প্রয়াত কমিউনিস্ট একনায়ক কিম জং ইলের সময় থেকেই সে দেশে চীনা পণ্যের অবাধ আমদানি শুরু হয়েছিল। উনের জমানায় চীনের প্রতি বাণিজ্য নির্ভরতা আরও বাড়ে। বর্তমানে চীনই উত্তর কোরিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্য সহযোগী। শুধু আর্থিক বা বাণিজ্যিক সহযোগিতা নয়, কূটনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রেও উত্তর কোরিয়ার স্বৈরতন্ত্রকে বরাবরই মদদ দিয়ে এসেছে একদলীয় চীনের শাসক কমিউনিস্ট পার্টি।

২০১৭ সালে পরমাণু কর্মসূচির জেরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারির আগে উত্তর কোরিয়ার আমদানি করা ৯০ শতাংশ পণ্যই চীন থেকে আসতো। কিন্তু চলতি বছরের গোড়া থেকেই বাণিজ্য সম্পর্কে ভাটা পড়ে। অক্টোবরে মাত্র ২ লাখ ৫৩ হাজার ডলারের (প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা) পণ্য রফতানি করেছিল চীন। এশিয়া, ইউরোপ আফ্রিকার অনেক ছোট দেশের সঙ্গেও এর চেয়ে অনেক বেশি টাকার ব্যবসা করে চীন।

উত্তর কোরিয়ায় একটি গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের দাবি, উহানে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঘটনার পরেই বেইজিংয়ের উপর বিশ্বাস হারান উন। চীন ফেরত কয়েকজন কোভিড-১৯ সংক্রমণের শিকার হওয়ার পরে যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন তিনি। 

কারণ উনের ধারণা, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তর কোরিয়াকে সময় মতো সতর্ক করেনি চীন। আগামী জানুয়ারিতে পিয়ংইয়ং-এ শাসকদল ওয়ার্কার্স পার্টির অধিবেশন। সেখানে উন চীনের বিরুদ্ধে আরও কিছু কড়া পদক্ষেপ ঘোষণা করতে পারেন বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। সে ক্ষেত্রে বাইডেনের জমানায় নতুন মোড় নিতে পারে আমেরিকা-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক। সূত্র: আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

ডেনমার্কে তুর্কি মসজিদে আপত্তিকর লেখা, প্রতিবাদ তুরস্কের

অনলাইন ডেস্ক

ডেনমার্কে তুর্কি মসজিদে আপত্তিকর লেখা, প্রতিবাদ তুরস্কের
আলী ইরবাস

ডেনমার্ক-জার্মানি সীমান্তে গত শুক্রবার তুর্কি একটি মসজিদের দেয়ালে আপত্তিকর লেখা লিখেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তুরস্কে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দিয়ানেত বিভাগের প্রধান আলী ইরবাস।

এক টুইটবার্তায় রবিবার তিনি বলেন, দিন দিন যেভাবে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালাচ্ছে একটি বর্ণবাদী গ্রুপ, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। 
 
স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় জার্মান সীমান্তে তুর্কি ওই মসজিদে উগ্রবাদী ও বর্ণবাদী দুর্বৃত্তরা মসজিদের দেয়ালে আপত্তিকর লেখা লিখে যান।
 
মসজিদটি পরিচালনা করে আসছে ড্যানিশ-টার্কিশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন।  এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫৪
প্রিন্ট করুন printer

আমেরিকা অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করছে: রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক

আমেরিকা অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করছে: রাশিয়া

রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে আমেরিকা হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ করেছে রাশিয়া। মস্কো জানিয়েছে, আমেরিকার উসকানিতে বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনি ইস্যুতে সম্প্রতি দেশটিতে বিক্ষোভ হয়েছে। 

অবশ্য আমেরিকা এই বিক্ষোভের ব্যাপারে বলেছে দেশটির নাগরিকদের বিক্ষোভ করার অধিকার রয়েছে। এরপর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই মন্তব্য করেন।

মস্কোর মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র রেবেকা রস টুইটারের দেয়ো এক পোস্টে দাবি করেন, রাশিয়া জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি আমেরিকার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, বিক্ষোভ মোকাবেলার জন্য রাশিয়ার সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা জনগণের এই অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। এছাড়া রাশিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন জনগণের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন দূতাবাস।

গতকাল রাশিয়ার একটি সরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, আমেরিকার পক্ষ থেকে এই সমস্ত বক্তব্য-বিবৃতি এবং পদক্ষেপ রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:২১
প্রিন্ট করুন printer

প্রথম কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করে ইসরায়েলের চমক

অনলাইন ডেস্ক

প্রথম কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করে ইসরায়েলের চমক
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বে প্রথমবারের মতো সফলভাবে কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপনে করেছে ইসরায়েল। গত ১১ জানুয়ারি দেশটির বেলিংসন হসপিটালে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করা হয়। সেখানকার চক্ষু বিভাগের প্রধান প্রফেসর ইরিত বাহার অস্ত্রোপচারটি করেন।

এর মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন ৭৮ বছর বয়সী এক ইসরায়েলি নাগরিক। ওই বৃদ্ধ ১০ বছর আগে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন। 

অদ্রবনীয় সিন্থেটিক ন্যানো টিস্যু ব্যবহার করে নির্মিত এ থ্রিডি কর্নিয়া— যা কে-প্রো নামে পরিচিত, সেটি নষ্ট বা অস্বচ্ছ কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম। ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান ‘কর্নিট’ (CorNeat) এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। গত বছরের জুলাই মাসে কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য অনুমোদন পায়।

চোখের পাতা এবং অক্ষিগোলকের ওপরের অংশের পাতলা পর্দা অর্থাৎ কনজাংকটিভার নিচে পাতলা ওই কৃত্রিম কর্নিয়া স্থাপন করা হয়।

কর্নিট ভিশনের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা এবং কে-প্রোর উদ্ভাবক ডা. গিলাড লিটভিন বলেন, ‘অস্ত্রোপচারটি তুলনামূলক সহজ ছিল এবং এটি করতে এক ঘণ্টারও কম সময় লেগেছে। ’

দৃষ্টিশক্তি ফেরাতে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন আগে থেকেই হয়ে আসছে। তবে শুধু কোনো দাতার কর্নিয়ার মাধ্যমেই সেটি সম্ভব। এক্ষেত্রে কৃত্রিম কর্নিয়া প্রতিস্থাপন যুগান্তকারী সাফল্য হয়ে উঠবে।

সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:০৫
প্রিন্ট করুন printer

ধর্ষণের অভিযোগে জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল সন্তান অভিযুক্তের নয়

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ষণের অভিযোগে জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল সন্তান অভিযুক্তের নয়
প্রতীকী ছবি

১৭ মাস ধরে জেলে থেকেছেন ভারতের মুম্বাইয়ের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল প্রতিবেশী প্রতিবন্ধী এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছেন তিনি। সেই কারণে ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে চার্জশিট দিয়েছিল পুলিশ।

আদালতে পাল্টা জামিনের আবেদন করেছিলেন অভিযুক্ত। কিন্তু তদন্ত চলছিল বলে আবেদনে সাড়া দেয়নি আদালত। শেষ পর্যন্ত ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা গেল, ওই নাবালিকার সন্তানের বাবা নন অভিযুক্ত। সেই কারণে ১৭ মাস জেলে থাকার পর তাকে জামিনে মুক্তি দিয়েছে আদালত।

আদালত জানিয়েছে, দু’পক্ষের মন্তব্য শুনানির পর আদালত অভিযুক্তকে জামিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে আদালত। তবে আপাতত ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে জামিন দেওয়া হলো।

২০১৯ সালের ২৩ জুলাই ওই প্রতিবন্ধী নাবালিকার হঠাৎ করেই পেটে ব্যথা শুরু হয়। হাসপাতালে চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান, ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা। তারপরই পুরো ঘটনা জানাতে নাবালিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

সে জানায় প্রতিবেশী এক রেস্তোরাঁ কর্মী দুই বার তাকে ধর্ষণ করেছে। সেই মর্মে অভিযোগ দায়ের করা হয় পুলিশে। পুলিশ সেই নিয়ে তদন্ত করে অভিযোগ দায়ের করে, চার্জশিট জমা দেয়। তারপর অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ।

বিচার চলাকালীন একাধিক বার জামিনের আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি। কারণ, আদালত তখন জানিয়েছিল, তদন্ত চলছে, এখন জামিন দেওয়া যাবে না। সেই সময়ে সরকারি পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, অভিযুক্তকে মুক্তি দিলে প্রমাণ লোপাটের সম্ভাবনা থেকে যাবে।  

তার পরেই ডিএনএ টেস্ট করা হয়। সেখানে দেখা যায়, ওই নাবালিকার ভ্রূণের ডিএনএ ওই প্রতিবেশীর ডিএনএ-এর সঙ্গে মিলছে না। তার পরেই জামিন দেন আদালত।

সূত্র : আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:৪৮
আপডেট : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:৫১
প্রিন্ট করুন printer

সীমান্তে ফের উত্তেজনা, ভারত-চীন সংঘর্ষ

অনলাইন ডেস্ক

সীমান্তে ফের উত্তেজনা, ভারত-চীন সংঘর্ষ

আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বিতর্কিত হিমালয় সীমান্ত। ভারত ও চীনা সেনাদের মধ্যে ফের সংঘর্ষ হয়েছে। ছয় মাস আগে চীনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছিল। পরে গত সপ্তাহে আবার তারা সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এতে দুই পক্ষের সেনারা আহত হয়েছে। সামরিক সূত্রের বরাতে সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, সিকিম রাজ্যের নাকুলায় গত সপ্তাহের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই পক্ষেরই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভারতীয় সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে গণমাধ্যমের খবর বলছে, একটি চীনা টহল দল ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।

নাকু লা’র সঙ্গে চীনের তীব্বত অঞ্চলের সংযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, চীনের একদল সেনা সিকিম সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ভারতীয় বাহিনীর বাধায় শেষ পর্যন্ত পিছু হটে তারা। এ সময় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন সেনা জখম হয়েছেন।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর