কাতার থেকে উপহার পাওয়া ৪০ কোটি ডলারের নতুন ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ উড়োজাহাজে প্রথমবারের মতো সফর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিলাসবহুল এই উড়োজাহাজ নিয়ে তিনি বেশ গর্বিত। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আপনি চাইলে এটি আড়ালে রাখতে পারেন, অথবা সবাইকে দেখাতে পারেন।’
খবর অনুসারে, বোয়িং ৭৪৭-৮০০ মডেলের এই উড়োজাহাজের রং আগের মতো হালকা নীল নয়। এর বদলে ট্রাম্পের পছন্দের গাঢ় নীল, লাল ও সোনালি রং করা হয়েছে। ভেতরে রয়েছে দামি কার্পেট, শোয়ার মতো আসন, চামড়ার চেয়ার এবং কাঠের দারুণ কারুকাজ।
আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেনশিয়াল উড়োজাহাজগুলোর অনেক বয়স হয়ে গেছে। আর নতুন উড়োজাহাজ আসতে অন্তত ২০২৮ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। তাই মাঝের এই সময়টায় ব্যবহারের জন্য সাময়িকভাবে এই উড়োজাহাজটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
তবে তড়িঘড়ি করে নামানোয় এই উড়োজাহাজে বেশ কিছু ঘাটতি থেকে গেছে। এতে আগের মতো উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি মূলত দেশের ভেতরে ভ্রমণের জন্যই বেশি উপযুক্ত। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে তুরস্কের ন্যাটো সম্মেলনে তিনি এই উড়োজাহাজেই যাবেন।
নিয়ম অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের উড়োজাহাজের ভেতরে ছবি তোলা নিষেধ থাকলেও, হোয়াইট হাউসের কর্মীরা উড়োজাহাজের ভেতরের চমৎকার সব ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। মূলত ট্রাম্প বুধবার এই উড়োজাহাজে চড়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে গিয়েছিলেন।
উপহারটির জন্য কাতারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘যারা আমাদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করেছে, এটি তাদেরই উপহার।’ ব্যবহারের মেয়াদ শেষে উড়োজাহাজটি ট্রাম্পের ‘প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরি’তে রাখা হবে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে