শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৫৬, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬ আপডেট: ১৮:০৪, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!

সাম্প্রতিক সংঘাতের পর বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সমীকরণ। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইরানের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির পথ খুঁজছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো। 

আঞ্চলিক কূটনৈতিক সূত্র ও বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ-পরবর্তী নতুন বাস্তবতায় সৌদি আরব, কাতার, ওমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় তেহরানের সঙ্গে পৃথক সমঝোতা গড়ে তুলতে সক্রিয় হয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর তথ্যানুযায়ী, প্রথমে ইরান ও ওমান, এরপর ওমান ও কাতার, পরে ইরান ও সৌদি আরব এবং সবশেষে কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে অঞ্চলে সহাবস্থান, নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক সম্পর্কের নতুন কাঠামো নির্ধারণ করা।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই কূটনৈতিক তৎপরতা কেবল শুরু হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে আরও বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেখানে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের রূপরেখা চূড়ান্ত করার চেষ্টা করবে।

হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব
আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত নৌপথ হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ও পরিচালনা।

বৈঠকগুলোতে আলোচনা হয়েছে, কীভাবে এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচল পরিচালিত হবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিনিময়ে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানকে কী ধরনের আর্থিক প্রণোদনা দিতে পারে।

এদিকে, এসব আঞ্চলিক আলোচনা চললেও আলাদাভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। আগস্টের শেষ নাগাদ একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থা কমছে
মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক গনুল তোল বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা গত কয়েক বছর ধরেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তাই উপসাগরীয় দেশগুলো মনে করছে, নিজেদের নিরাপত্তার জন্য ইরানের সঙ্গে সরাসরি বোঝাপড়ায় পৌঁছানোই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ।”

তার মতে, উপসাগরীয় দেশগুলো শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী পৃথক সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে।

প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের সঙ্গে মিল
তবে প্রকাশ্যে এখনও উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকেই সমর্থন করছে।

সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক আঞ্চলিক বৈঠকের যৌথ বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালীতে ‘অবাধ, শর্তহীন ও বাধাহীন নৌচলাচলের’ ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি কোনও ধরনের টোল, অতিরিক্ত ফি বা প্রণালীর ওপর একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার বিরোধিতা করা হয়।

চ্যাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ আনিসেহ বাসিরি তাবরিজি বলেন, “হরমুজে নতুন কোনও টোল বা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য একটি লাল রেখা।”

ইরানের নতুন কৌশল
তবে কূটনৈতিক মহলের ধারণা, ইরান সহজে হরমুজ প্রণালীকে তার সবচেয়ে বড় কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ ছাড়বে না।

জানা গেছে, এমন একটি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে জাহাজ চলাচলের ওপর সরাসরি টোল নয়, বরং মাইন অপসারণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, বন্দর ব্যবস্থাপনা কিংবা বীমা বাবদ ‘সেবা ফি’ আদায়ের ব্যবস্থা করা হতে পারে।

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোন সংস্থা দায়িত্ব নেবে বা অর্থ কীভাবে সংগ্রহ ও বণ্টন করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ইতোমধ্যে ইরান নবগঠিত গালফ স্ট্রেইট অথরিটির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজের জন্য ইরানি বীমা বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান ৬০ দিনের অন্তর্বর্তী সময় শেষ হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।

পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়েও কার্যকর হাতিয়ার
গনুল তোলের ভাষায়, “ইরান এখন বুঝেছে, পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়েও কার্যকর একটি কৌশলগত হাতিয়ার তাদের হাতে আছে- সেটি হচ্ছে হরমুজ প্রণালী। ফলে তারা এমন কোনও ব্যবস্থা করবে, যাতে এই প্রণালীর ওপর তাদের প্রভাব বজায় থাকে।”

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হরমুজে কোনও ধরনের অতিরিক্ত ফি বা টোল আরোপ তিনি মেনে নেবেন না।

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন অনুযায়ী, সাধারণভাবে আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলের জন্য ফি আদায় নিষিদ্ধ। তবে জাহাজকে নির্দিষ্ট সেবা দেওয়া হলে সেই সেবার বিপরীতে অর্থ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

হামলার হুমকি ও উত্তেজনা
সম্প্রতি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজকে হুমকি দেয়।

জাতিসংঘ, ওমান ও ইরানের সমন্বয়ে আটকে পড়া জাহাজ সরিয়ে নেওয়ার জন্য দু’টি নিরাপদ রুট নির্ধারণ করা হলেও ইরান জানিয়ে দেয়, নির্ধারিত রুট নিয়ন্ত্রণের একমাত্র কর্তৃত্ব তাদের এবং ওই পথের বাইরে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এর একদিন পর তাইওয়ানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে হামলার শিকার হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরানের একটি ড্রোন ওই হামলা চালায়। অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতির পর এটিই ছিল প্রথম এমন ঘটনা।

এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা চালায়, যার প্রভাব উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়েও পড়ে। পরে উভয় পক্ষ নতুন করে হামলা বন্ধে সম্মত হয় এবং কাতারে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেয়।

অর্থনৈতিক বিনিয়োগ হতে পারে সমঝোতার হাতিয়ার
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলোর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের আর্থিক সক্ষমতা।

যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি ব্যাপক চাপে রয়েছে। তাই সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ধনী উপসাগরীয় দেশগুলোর বিনিয়োগ ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

বিনিময়ে তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা, আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র সরবরাহ কমানো এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তার প্রতি হুমকি হ্রাসের মতো বিষয়ে ছাড় আদায়ের চেষ্টা করবে।

নিরাপত্তায় নতুন বিকল্পের খোঁজ
একসময় উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর ছিল। কিন্তু বর্তমানে তারা বিকল্প অংশীদারও খুঁজছে।

সম্প্রতি কুয়েত তুরস্কের সঙ্গে ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার জন্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি করেছে। একইভাবে ইউক্রেন সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন রফতানির চুক্তি করেছে।

এছাড়া সৌদি আরব মিসর, পাকিস্তান ও তুরস্ককে নিয়ে নতুন নিরাপত্তা সহযোগিতা কাঠামো নিয়েও আলোচনা করছে।

যুক্তরাষ্ট্র থাকবে, তবে একমাত্র ভরসা নয়
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলো এখনও যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রধান অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে। তবে তারা আর ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে চাইছে না।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৮ সালে ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়েছে।

ফলে এখন তারা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় রাখার পাশাপাশি বিকল্প কৌশলও গ্রহণ করছে।

বিশ্লেষকদের ভাষায়, উপসাগরীয় দেশগুলোর নতুন নীতি হলো- যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকলে ভালো, কিন্তু না থাকলেও যেন নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। সেই লক্ষ্যেই তারা ‘প্ল্যান-বি’ ও ‘প্ল্যান-সি’ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ইরানের সঙ্গে সরাসরি আঞ্চলিক সমঝোতার পথ অনুসন্ধান করছে। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল ফ্রান্স, এসি-ফ্যান কিনতে হুড়োহুড়ি-সংঘর্ষ
তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল ফ্রান্স, এসি-ফ্যান কিনতে হুড়োহুড়ি-সংঘর্ষ
খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান
খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান
বাদুড়ের স্পর্শই কাল হলো, জলাতঙ্কে প্রাণ গেল ১১ বছরের শিশুর
বাদুড়ের স্পর্শই কাল হলো, জলাতঙ্কে প্রাণ গেল ১১ বছরের শিশুর
আত্মহত্যার ইচ্ছা ছিল পাইলটের, বেইজিংয়ে আকাশচুম্বী ভবনে বিমান বিধ্বস্ত
আত্মহত্যার ইচ্ছা ছিল পাইলটের, বেইজিংয়ে আকাশচুম্বী ভবনে বিমান বিধ্বস্ত
চীনের সবচেয়ে উঁচু ভবনে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন পাইলট
চীনের সবচেয়ে উঁচু ভবনে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন পাইলট
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী আলোচনা ১৮ জুলাই
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী আলোচনা ১৮ জুলাই
ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প
ফুটবলের বাইরে কেপ ভার্দে, আগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা এক দেশের গল্প
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে চড়ে যা বললেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে চড়ে যা বললেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: কাতার
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: কাতার
রাষ্ট্রক্ষমতা নাকি ব্যবসায়িক সুবিধা? ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক
রাষ্ট্রক্ষমতা নাকি ব্যবসায়িক সুবিধা? ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর
সর্বশেষ খবর
চুয়েটের শিক্ষার্থীরা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
চুয়েটের শিক্ষার্থীরা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

এই মাত্র | মন্ত্রীকথন

বগুড়ায় মাঝি পাড়ায় নৌকা তৈরির ধুম
বগুড়ায় মাঝি পাড়ায় নৌকা তৈরির ধুম

৩৯ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

পিতা-মাতার ভরণপোষণ না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা
পিতা-মাতার ভরণপোষণ না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল ফ্রান্স, এসি-ফ্যান কিনতে হুড়োহুড়ি-সংঘর্ষ
তীব্র তাপপ্রবাহে নাজেহাল ফ্রান্স, এসি-ফ্যান কিনতে হুড়োহুড়ি-সংঘর্ষ

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান
খামেনির জানাজা : ‘রক্তের বদলা’ চাইতে ইরানিদের ঢল নামানোর আহ্বান

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদা দাবির অভিযোগে যুবদল নেতাসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১১
চাঁদা দাবির অভিযোগে যুবদল নেতাসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১১

১৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

হবিগঞ্জে মাছের পোনা ছাগল ও নগদ অর্থ বিতরণ
হবিগঞ্জে মাছের পোনা ছাগল ও নগদ অর্থ বিতরণ

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেটের সাদাপাথরে পর্যটক নিখোঁজ
সিলেটের সাদাপাথরে পর্যটক নিখোঁজ

২৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় যুবক নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় যুবক নিহত

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামিন পাচ্ছেন দাদি, সাথে মুক্ত বাতাসে আড়াই বছরের আরাফ ও ৭ মাসের জাইফা
জামিন পাচ্ছেন দাদি, সাথে মুক্ত বাতাসে আড়াই বছরের আরাফ ও ৭ মাসের জাইফা

২৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রংপুরে জুনে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত
রংপুরে জুনে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় আন্ডারওয়াটার রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন এমআইএসটির শিক্ষার্থীরা
কানাডায় আন্ডারওয়াটার রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন এমআইএসটির শিক্ষার্থীরা

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

এইচএসসির প্রথম দিনে রংপুর বিভাগে অনুপস্থিত ১৯৩৭ পরীক্ষার্থী
এইচএসসির প্রথম দিনে রংপুর বিভাগে অনুপস্থিত ১৯৩৭ পরীক্ষার্থী

৩২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

রূপগঞ্জে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে চার যুবকের কারাদণ্ড
রূপগঞ্জে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে চার যুবকের কারাদণ্ড

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যাদের গড়েছিলেন, এবার তাদের বিপক্ষেই লড়বেন পেতকোভিচ
যাদের গড়েছিলেন, এবার তাদের বিপক্ষেই লড়বেন পেতকোভিচ

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ১৫ জুলাই
গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ১৫ জুলাই

৪৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

‘মিনি ডিপসিক’ : ওপেনএআই-কে টেক্কা দিচ্ছে চীনের সস্তা ও শক্তিশালী এআই
‘মিনি ডিপসিক’ : ওপেনএআই-কে টেক্কা দিচ্ছে চীনের সস্তা ও শক্তিশালী এআই

৪৫ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মেসির বেলায় ছাড়, বালোগানের লাল কার্ডে নতুন বিতর্ক
মেসির বেলায় ছাড়, বালোগানের লাল কার্ডে নতুন বিতর্ক

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জিদান-রোনালদিনহোদের তালিকায় এবার বালোগান
জিদান-রোনালদিনহোদের তালিকায় এবার বালোগান

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রূপগঞ্জে সামাজিক সংগঠনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত
রূপগঞ্জে সামাজিক সংগঠনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১০৪ ম্যাচের বিশ্বকাপ, কঠিন চ্যালেঞ্জে ধারাভাষ্যকার ও সম্প্রচারকর্মীরা
১০৪ ম্যাচের বিশ্বকাপ, কঠিন চ্যালেঞ্জে ধারাভাষ্যকার ও সম্প্রচারকর্মীরা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই শহীদদের স্মরণসভা শনিবার, উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
জুলাই শহীদদের স্মরণসভা শনিবার, উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে জাইকা প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে জাইকা প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টুঙ্গিপাড়ায় কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন
টুঙ্গিপাড়ায় কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার কি কাটবে রোনালদোর নকআউট ‘গোলখরা’?
এবার কি কাটবে রোনালদোর নকআউট ‘গোলখরা’?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!
যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ইরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তির পথে উপসাগরীয় দেশগুলো!

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কান লায়ন্স ২০২৬ : নতুন এআই সমাধান আনল টিকটক
কান লায়ন্স ২০২৬ : নতুন এআই সমাধান আনল টিকটক

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

হাবিপ্রবির ৬৬ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার
হাবিপ্রবির ৬৬ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণযোগ্য নয়: এরশাদ উল্লাহ এমপি
ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণযোগ্য নয়: এরশাদ উল্লাহ এমপি

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পেলেকে ছাড়িয়ে  নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন
পেলেকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন
জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরে গিয়ে মস্তিষ্কে ৩৮ পরজীবী নিয়ে ফিরলেন নারী, অতঃপর…
ভারত সফরে গিয়ে মস্তিষ্কে ৩৮ পরজীবী নিয়ে ফিরলেন নারী, অতঃপর…

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত
প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ
সেনেগালের জয় ছিনতাই করা হয়েছে : ইব্রাহিমোভিচ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘আমার শেখানোকে গুরুত্বই দেয়নি’, পদত্যাগের পর উরুগুয়ে কোচ
‘আমার শেখানোকে গুরুত্বই দেয়নি’, পদত্যাগের পর উরুগুয়ে কোচ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিব, পার পিস ৫০ টাকা: উমামা ফাতেমা
এক মাস পর জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিব, পার পিস ৫০ টাকা: উমামা ফাতেমা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে: উর্মি
লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে: উর্মি

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’
‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বলে ইসরায়েলি জনগণকে ভয় দেখাচ্ছেন নেতানিয়াহু’

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি
হরমুজে নিয়ন্ত্রণে অনড় ইরান, সমঝোতা না মানলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ
এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

১০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম
প্রত্যাবর্তনের অবিশ্বাস্য গল্প লিখে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস
গ্যাস বিল পরিশোধে গ্রাহকদের সতর্ক করলো তিতাস

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ : অংশ নেয়নি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ৩৬ শতাংশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি

৯ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এই পর্যন্ত কী কাজে লেগেছে : মিষ্টি জান্নাত
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এই পর্যন্ত কী কাজে লেগেছে : মিষ্টি জান্নাত

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি ড্রিউ ফিশার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

থালাপাতি বিজয়ের সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র!
থালাপাতি বিজয়ের সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র!

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী
ভারত ভ্রমণের পর ব্রিটিশ নারীর মস্তিষ্কে মিলল ৩৮টি পরজীবী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই
৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রেকর্ড তাপমাত্রায় ফুটছে সমুদ্রের পানি, বড় বিপর্যয়ের সতর্কতা বিজ্ঞানীদের
রেকর্ড তাপমাত্রায় ফুটছে সমুদ্রের পানি, বড় বিপর্যয়ের সতর্কতা বিজ্ঞানীদের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিল ম্যাচে হালান্ডকে বিশ্রাম নিতে বললেন রদ্রিগো
ব্রাজিল ম্যাচে হালান্ডকে বিশ্রাম নিতে বললেন রদ্রিগো

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত
তিস্তা প্রকল্পে সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে ‘দ্বিতীয়বার ভাবার’ হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাবাহিনীর

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী
‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল
চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল

নগর জীবন

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু
পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার
এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়

প্রথম পৃষ্ঠা

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের
পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে  মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স
নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

কালের সাক্ষী বলিহার হাউস
কালের সাক্ষী বলিহার হাউস

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

নগর জীবন

গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত
গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার
দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি
ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

পেছনের পৃষ্ঠা

আলু চাষ এখন গলার কাঁটা
আলু চাষ এখন গলার কাঁটা

নগর জীবন

সেতুটি এখন গলার কাঁটা
সেতুটি এখন গলার কাঁটা

দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি

সম্পাদকীয়

পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স

প্রথম পৃষ্ঠা

অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা
অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা

রকমারি নগর পরিক্রমা

কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে
কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে

পেছনের পৃষ্ঠা

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে
নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে

নগর জীবন

রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি
রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি

নগর জীবন

গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক
গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক

শোবিজ

খেলার সময়সূচি
খেলার সময়সূচি

মাঠে ময়দানে

হলান্ড যেন গোলের গন্ধ পান
হলান্ড যেন গোলের গন্ধ পান

প্রথম পৃষ্ঠা

হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালি যুবক রিয়ানের দেশে ফেরার অপেক্ষা
নেপালি যুবক রিয়ানের দেশে ফেরার অপেক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে
সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে

নগর জীবন

ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান
ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান

নগর জীবন