নকআউট পর্বে আলজেরিয়া ও সুইজারল্যান্ডের লড়াইয়ে বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছেন আলজেরিয়ার প্রধান কোচ ভ্লাদিমির পেতকোভিচ। কারণ একসময় দীর্ঘ সাত বছর সুইজারল্যান্ড জাতীয় দলেরই দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
২০১৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের কোচ ছিলেন পেতকোভিচ। তার অধীনে ২০১৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো এবং ২০২০ ইউরোতে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল সুইসরা।
বর্তমান সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলো জাতীয় দলে প্রথম ডাক পান পেতকোভিচের সময়েই। তবে তিনি মনে করেন, সাবেক কোচকে ভালোভাবে চিনলেও মাঠের লড়াইয়ে সেটি খুব একটা প্রভাব ফেলবে না।
এম্বোলো বলেন, ‘তিনি আমাকে খুব ভালো চেনেন, আমিও তাকে চিনি। কিন্তু এতে আমার খেলার ধরন বদলাবে না। আমরা নিজেদের শক্তির জায়গা কাজে লাগিয়ে জয়ের চেষ্টা করব। ম্যাচ শেষে অবশ্যই তার সঙ্গে দেখা করব।’
পেতকোভিচও মনে করেন, আধুনিক ফুটবলে একে অপরকে চেনা খুব বড় কোনো সুবিধা নয়।
তিনি বলেন, ‘এখন সবাই সবাইকে চেনে। খেলোয়াড়দের আমি যেমন জানি, তারাও আমাকে জানে। ম্যাচের আগে দেখা হলে ভালো লাগবে, কিন্তু মাঠে নামার পর সেটি আর গুরুত্বপূর্ণ থাকবে না। সুইজারল্যান্ড খুবই শক্তিশালী দল। তাদের হারাতে আমাদের শতভাগ নয়, ১২০ শতাংশ উজাড় করে খেলতে হবে।'
২০১৪ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে আলজেরিয়া। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বের ম্যাচ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে উত্তর আফ্রিকার দেশটি।
অন্যদিকে টানা চতুর্থ বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে খেলছে সুইজারল্যান্ড। গ্রুপ পর্বে স্বাগতিক কানাডাকে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে শেষ বত্রিশ নিশ্চিত করেছে তারা।
সুইজারল্যান্ডের বর্তমান কোচ মুরাত ইয়াকিনের সঙ্গেও পেতকোভিচের পুরোনো সম্পর্ক রয়েছে। ইয়াকিন জানান, পেতকোভিচের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন তিনি।
তবে পুরোনো সম্পর্ক ভুলে এখন দুই কোচেরই একমাত্র লক্ষ্য জয়। পেতকোভিচের কথায়, 'এটি আমার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের ম্যাচ নয়। এটি দুটি দলের লড়াই। আমরা ইতোমধ্যে দুটি বড় লক্ষ্য পূরণ করেছি বিশ্বকাপে ওঠা এবং গ্রুপ পর্ব পেরোনো। এবার লক্ষ্য আরও সামনে এগিয়ে যাওয়া।'
বিডি-প্রতিদিন/এআইডি