শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

সংসদীয় গণতন্ত্রের অন্যতম সৌন্দর্য হলো ক্ষমতার ভারসাম্য। আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ-সরকারের তিনটি বিভাগ যখন স্বাধীন এবং স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারে তখনই গণতন্ত্র বিকশিত হয়। কিন্তু আইন বিভাগ যদি বিচার বিভাগের কাজে হস্তক্ষেপ করে কিংবা শাসন বিভাগ যদি বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তাহলে গণতন্ত্র হোঁচট খায়। আর এ কারণেই সরকারের তিনটি বিভাগকে পারস্পরিক সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে কাজ করতে হয়। তিনটি বিভাগের ভারসাম্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখা গেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা আদেশের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এ আদেশ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য একটি বড় পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৬-৩ ভোটের এ রায়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা নিম্ন আদালতের একটি সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন। নিম্ন আদালতের ওই সিদ্ধান্তে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি স্থগিত করা হয়েছিল। এভাবেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।

পৃথিবীর উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে আদালতের রায় নিয়ে কথা বলা সংসদীয় রীতির পরিপন্থি। আদালতের রায়ে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও ভারতের পার্লামেন্টে তার বিরুদ্ধে কথা বলা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এজন্য লোকসভার একাধিক সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা গত বছর প্রদত্ত এক রুলিংয়ে বলেছেন, আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ওই বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে না। শুধু ভারতের লোকসভায় নয়, ব্রিটিশ পার্লামেন্টেও আদালতের রায়ের পর সে বিষয়ে কথা বলা যায় না। হাউস অব কমন্সের রীতি অনুযায়ী, আদালতের রায়ের পর সেই রায়ের বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে আলোচনা করা বিচার বিভাগের কাজে হস্তক্ষেপের শামিল। এটা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক। বাংলাদেশে চব্বিশের জুলাইয়ের পর নতুন সংসদ গঠিত হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদের অর্ধেকের বেশি সদস্য প্রথমবার নির্বাচিত হয়েছেন। সংসদের কার্যক্রম সম্পর্কে তাঁদের জ্ঞান এখনো পরিপূর্ণ হয়নি। দেশের মানুষ আশা করেছিল তরুণ সদস্যরা সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতিনীতি শিখবেন, ভবিষ্যতে নিজেদের দক্ষ পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে গড়ে তুলবেন। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু সংসদের অধিবেশনগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত কয়েকজন সদস্য শিখতে চান না, এঁদের লক্ষ্য হলো সংসদ ও গণতন্ত্র অকার্যকর করা। গণতন্ত্র ধ্বংস করে দেশে একটি জুলুম ও মবের রাজত্ব কায়েম করা। যেটা তাঁরা করতে চেয়েছিলেন ইউনূসের নেতৃত্বে। এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের মূলহোতা জামায়াত-এনসিপি জোটের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। কুমিল্লা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত এই সদস্যের একমাত্র লক্ষ্য হলো সংসদ বিতর্কিত, অকার্যকর এবং নতুন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস করা। একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামায়াত যেমন সংসদের বাইরে বলছে বর্তমান নির্বাচিত সরকারকে তারা সময় দিতে চায় না। গণতন্ত্র বানচালের জন্য জামায়াত এখন রাজপথে উত্তাপ ছড়াতে চেষ্টা করছে। আর জামায়াতের লাঠিয়াল হিসেবে হাসনাত সংসদে অনভিপ্রেত ইস্যু এনে বিচার বিভাগ ও শাসন বিভাগের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছেন। এর মাধ্যমে হাসনাত আবদুল্লাহ কেবল সংসদেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইছেন না, গণতন্ত্রও ধ্বংসের চেষ্টা করছেন।

জাতীয় সংসদে একদিকে যেমন তিনি নিজের জন্য সুযোগসুবিধা চাইছেন। যেমন গত এপ্রিলে হাসনাত বলেছিলেন, প্রতিটি উপজেলায় ইউএনও এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের জন্য সরকারি গাড়ি থাকলেও সংসদ সদস্যদের জন্য এমন কোনো ব্যবস্থা নেই। অনেক সময় ভাড়ায় গাড়ি চালিয়ে নির্বাচনি এলাকায় যাতায়াত করতে হয়, যা লোকলজ্জার কারণে কাউকে বলাও যায় না। মানুষের কাছাকাছি পৌঁছানোর সুযোগ আরও সহজ করতে সরকারের কাছে একটি গাড়ির সুব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান তিনি। আবার সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতিনীতি তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অসত্য, ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রচার করছেন। হাসনাতের এসব কর্মকাণ্ড সংসদ সম্পর্কে মানুষের মনে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করছে।

২৫ জুন জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ সম্পর্কে কিছু অসত্য বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। তাঁর বক্তব্য অযাচিত, অযৌক্তিক, আক্রমণাত্মক ও আপত্তিকর। কিন্তু সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এ ধরনের অসত্য ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। আদালত অবমাননা করেছেন। হাসনাতের ২৫ জুনের বক্তব্য ছিল সংসদীয় রীতির পরিপন্থি। এ ধরনের বক্তব্য সংবিধানের মৌলিক অধিকারেরও পরিপন্থি। এ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ২১ জুন সংসদে স্পিকার প্রদত্ত রুলিং লংঘন করেছেন। উল্লিখিত রুলিংয়ে স্পিকার বলেছেন, ‘যার পক্ষে সংসদে এসে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নেই, তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করা অনুচিত। তাই ওই বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করা হয়েছে।’

একই সঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্য সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির লঙ্ঘন। কার্যপ্রণালি বিধির ২৭০ এর(১) উপধারায় বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য, (৬) উপধারায় কোনো প্রকার অশালীন, কটু ও অশ্লীল শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবং (৭) উপধারায় মানহানিকর মন্তব্য করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তার চেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হাসনাত তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে আদালত অবমাননা করেছেন। হাসনাতের বক্তব্যে আদালতের রায়ে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়া ব্যক্তিকে খুনি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু আলোচ্য ঘটনায় যাঁর বিরুদ্ধে হাসনাত অসত্য, মিথ্যা ও আক্রোশমূলক বক্তব্য দিয়েছেন তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। হাসনাত-উল্লিখিত ঘটনার নিষ্পত্তি হয়েছে ২০২৩ সালেই। ২০২১ সালে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট গুলশান থানার মামলা ২৭(৪)২১ উপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করেন।

দীর্ঘ কয়েক মাসের শুনানি এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্কের পর বিচারক অভিযোগ থেকে আসামিকে অব্যাহতি দেন। এর বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এ নারাজি দরখাস্ত করে। সব পক্ষের দীর্ঘ শুনানি ও যুক্তিতর্কের আলোকে আদালত নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অভিযুক্তকে নির্দোষ এবং ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্তহীন বলে চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন। এটি আদালতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়া একটি বিষয়। এটি আবার নতুন করে জাতীয় সংসদে কেন আনলেন হাসনাত আবদুল্লাহ? কারণ তিনি আইনের শাসন মানেন না, মব সন্ত্রাসের মাস্টারমাইন্ড হলেন হাসনাত।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, হাসনাতের এ বক্তব্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং বিচার বিভাগের প্রতি সরাসরি হুমকি।

হাসনাতের উত্থান হয়েছে মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে। মব হলো আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচারের প্রধান শত্রু। হাসনাত মব করে গণমাধ্যম অফিস দখল করেছেন। মব করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের পদত্যাগে বাধ্য করেছেন। মব করে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন, চাঁদাবাজি করেছেন। আইন-বিচার তোয়াক্কা না করে ভয় দেখিয়ে সবাইকে দমিয়ে রাখাই হলো হাসনাতের রাজনীতি। এটা কোনো গণতান্ত্রিক চিন্তা বা সংস্কৃতি হতে পারে না। বরং এটা নব্য ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা। তাঁর কর্মকাণ্ড থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে তিনি ‘ফ্যাসিবাদী’ প্রবণতাকে অনুসরণ ও সমর্থন করছেন; যে ‘ফ্যাসিস্ট’ তকমাটি এনসিপি তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হেয় ও অগ্রহণযোগ্য হিসেবে উপস্থাপনের জন্য ব্যবহার করে।

হাসনাত কেবল একটি শিল্প পরিবারের বিরুদ্ধে হুমকি দেননি, গোটা বেসরকারি খাতকে হুমকি দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে বেসরকারি খাতে ইতোমধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আদালতে নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়া বিষয়ে কথা বলে হাসনাত আসলে আবারও বিচার বিভাগকে ধমক দিলেন। এটা সুস্পষ্টভাবে আদালত অবমাননা। শুধু তাই নয়, এটা সংসদীয় রীতিনীতির পরিপন্থি।

আসলে হাসনাত আবদুল্লাহ কার হয়ে খেলছেন? বাংলাদেশে অনেক রক্তের বিনিময়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে। কিন্তু দেশের স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি এবং গণতন্ত্রবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা এই গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মেতেছে। জামায়াতের নতুন করে গণ অভ্যুত্থানের হুমকি আর সংসদে দাঁড়িয়ে হাসনাতের হুংকার একসূত্রে বাঁধা। হাসনাত কি আবার মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে গণতন্ত্র বিপন্ন করতে চান, সেজন্যই সংসদে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে বিচার বিভাগ ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের হুমকি দিচ্ছেন?

মনে রাখতে হবে, হাসনাতের মতো মব সন্ত্রাসের হোতারা দেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও স্বাধীনতার জন্য হুমকি। এঁদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে গণতন্ত্রকামী সবাইকে।

এই বিভাগের আরও খবর
চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে যুবককে গুলি করে হত্যা
চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে যুবককে গুলি করে হত্যা
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই
জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই
এমবাপ্পে আগের চেয়েও ভয়ংকর
এমবাপ্পে আগের চেয়েও ভয়ংকর
৪০ বছরের আক্ষেপ ঘোচাল মেক্সিকো
৪০ বছরের আক্ষেপ ঘোচাল মেক্সিকো
যেন গোলের গন্ধ পান হলান্ড
যেন গোলের গন্ধ পান হলান্ড
দমনের চেয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধে গুরুত্ব দিতে হবে
দমনের চেয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধে গুরুত্ব দিতে হবে
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
নিরাপত্তাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
নিরাপত্তাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
শাইনপুকুর সিরামিকস সোনালী ব্যাংকে এলসি খোলার অনুমতি পেল
শাইনপুকুর সিরামিকস সোনালী ব্যাংকে এলসি খোলার অনুমতি পেল
দোহায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কারিগরি আলোচনা
দোহায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কারিগরি আলোচনা
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
সর্বশেষ খবর
টেকনাফে এক লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক
টেকনাফে এক লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেনদেনে নতুন সুবিধা: মাস্টারকার্ড-এমটিবি-জিপের নতুন প্রিপেইড কার্ড চালু
লেনদেনে নতুন সুবিধা: মাস্টারকার্ড-এমটিবি-জিপের নতুন প্রিপেইড কার্ড চালু

১২ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ভাঙ্গায় সুমন হত্যার বিচার দাবি
ভাঙ্গায় সুমন হত্যার বিচার দাবি

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশে শাইন ১০০ ডিএক্স উন্মোচন করল হোন্ডা বাংলাদেশ
দেশে শাইন ১০০ ডিএক্স উন্মোচন করল হোন্ডা বাংলাদেশ

৩৭ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা
ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা

৪৮ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

শেষ ষোলোর লড়াইয়ের সেনেগাল-বেলজিয়ামের শুরুর একাদশ
শেষ ষোলোর লড়াইয়ের সেনেগাল-বেলজিয়ামের শুরুর একাদশ

৫৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে জনপ্রিয় হচ্ছে পুইশাকের বীজ চাষ
ঝিনাইদহে জনপ্রিয় হচ্ছে পুইশাকের বীজ চাষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে
জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বঞ্চিত বেসরকারি খাত
বঞ্চিত বেসরকারি খাত

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাংশায় রোগীর মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালে বিক্ষোভ
পাংশায় রোগীর মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পেলেকে ছাড়িয়ে  নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন
পেলেকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিনেমা হল, যুবকের কারাদণ্ড
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিনেমা হল, যুবকের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখার সেই তিন যুবক ‘উধাও’
রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখার সেই তিন যুবক ‘উধাও’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাসিরনগরে বাসা থেকে নার্সের মরদেহ উদ্ধার
নাসিরনগরে বাসা থেকে নার্সের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুঠিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতি, ট্রাকসহ ১৯ মহিষ লুট
পুঠিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতি, ট্রাকসহ ১৯ মহিষ লুট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে ৫৩ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস
জয়পুরহাটে ৫৩ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের
ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

হ্যারি কেইনের জোড়া গোল
হ্যারি কেইনের জোড়া গোল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হ্যারি কেইনের গোলে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের গোলে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়া মহানগর বিএনপির আনন্দ মিছিল
বগুড়া মহানগর বিএনপির আনন্দ মিছিল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে পানি কমলেও তীব্র নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি
কুড়িগ্রামে পানি কমলেও তীব্র নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

অনলাইনে বিনিয়োগের নামে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৬
অনলাইনে বিনিয়োগের নামে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৬

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিংড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭ পরিবার পেল ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা
সিংড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭ পরিবার পেল ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথমার্ধেই এগিয়ে কঙ্গো
প্রথমার্ধেই এগিয়ে কঙ্গো

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭ মিনিটেই ইংল্যান্ডের জালে কঙ্গোর গোল
৭ মিনিটেই ইংল্যান্ডের জালে কঙ্গোর গোল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি সিরাজুল হক, সম্পাদক মাহফুজ আলম
ডুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি সিরাজুল হক, সম্পাদক মাহফুজ আলম

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এই পর্যন্ত কী কাজে লেগেছে : মিষ্টি জান্নাত
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি এই পর্যন্ত কী কাজে লেগেছে : মিষ্টি জান্নাত

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা
ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

১২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও
পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব
ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা
রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের
পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ
ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের
সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে
৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট
হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি
মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!
৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ
সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন
আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল
ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা
জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি
পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে
মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাকা ঘুরছে না ৫৫০ কারখানায়
চাকা ঘুরছে না ৫৫০ কারখানায়

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক
বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?
ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল
ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের প্রেসিডেন্টকে মোদির ফোন, হরমুজ নিয়ে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
ইরানের প্রেসিডেন্টকে মোদির ফোন, হরমুজ নিয়ে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন
আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু
পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়

প্রথম পৃষ্ঠা

নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবল খেলে নকআউটে ফ্রান্স
নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবল খেলে নকআউটে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল
চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল

নগর জীবন

দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার
দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত
গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

প্রথম পৃষ্ঠা

কালের সাক্ষী বলিহার হাউস
কালের সাক্ষী বলিহার হাউস

পেছনের পৃষ্ঠা

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি
ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

পেছনের পৃষ্ঠা

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের
পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার
এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

নগর জীবন

রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি
রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি

নগর জীবন

পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স

প্রথম পৃষ্ঠা

অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা
অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা

রকমারি নগর পরিক্রমা

আলু চাষ এখন গলার কাঁটা
আলু চাষ এখন গলার কাঁটা

নগর জীবন

প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি

সম্পাদকীয়

সংবিধান সংস্কার না হলে জনগণের কাছে যাব
সংবিধান সংস্কার না হলে জনগণের কাছে যাব

নগর জীবন

এভারকেয়ারে নজরুল ইসলাম খান
এভারকেয়ারে নজরুল ইসলাম খান

নগর জীবন

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের

প্রথম পৃষ্ঠা

সরকার জনগণের প্রতি আন্তরিক
সরকার জনগণের প্রতি আন্তরিক

নগর জীবন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ

নগর জীবন

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক
গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক

শোবিজ

খেলার সময়সূচি
খেলার সময়সূচি

মাঠে ময়দানে

ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান
ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান

নগর জীবন

জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই
জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই

প্রথম পৃষ্ঠা

নিরাপত্তাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
নিরাপত্তাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা