শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬ আপডেট: ০০:৪৮, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

চলতি মাসে তিন অঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা
প্রতিদিন ডেস্ক
প্রিন্ট ভার্সন
ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

নদনদীর পানি কমতে শুরু করলেও উত্তরের বিভিন্ন জেলায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। হারিয়ে যাচ্ছে বসতভিটা ও ফসলি জমি। আতঙ্কে দিন কাটছে নদী তীরের বাসিন্দাদের। এদিকে চলতি মাসে দেশের তিন অঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গতকাল জুলাইয়ের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া পূর্বাভাসসংক্রান্ত অধিদপ্তরের বুলেটিনে এ শঙ্কার কথা প্রকাশ করা হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. নুরুল করিম বলেন, এ মাসে দেশের প্রধান নদনদীর পানিসমতল সামগ্রিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ছাড়া ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। জুলাই

মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সারা মাস দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে। এ ছাড়া দেশের কোথাও কোথাও এক থেকে দুটি বিচ্ছিন্ন মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে ‘মৃদু তাপপ্রবাহ’ ধরা হয়। কৃষি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে নুরুল করিম বলেন, জুলাই মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ২.৫ থেকে ৪.৫ মিলিমিটার এবং গড় সূর্য কিরণকাল ৩.৭৫ থেকে ৫.৭৫ ঘণ্টা থাকতে পারে। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- সিরাজগঞ্জ : যমুনার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে বসতভিটাসহ ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাটবাজার। সেই সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে মানুষের স্বপ্ন। হারিয়ে যাচ্ছে তাদের জন্মস্থান ও মানুষের মৃত্যুর পরের ঠাঁই নেওয়া ঠিকানা কবরস্থানও। নদীতীরের মানুষের চোখের সামনে নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে তাদের চিরচেনা শেষ সম্বলটুকু। এগুলো অশ্রু ঝরিয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর যেন কিছুই করার থাকছে না তাদের। পানি উন্নয়ন বোর্ডও নিচ্ছে না কার্যকর ব্যবস্থা। কয়েক সপ্তাহ ধরে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই সপ্তাহ ধরে সিরাজগঞ্জ সদরের কাওয়াকোলা ইউনিয়ন, কাজিপুর উপজেলার চরগিরিশ, ভেটুয়া, চৌহালী উপজেলার চর সলিমাবাদ, শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়ন ও কৈজুরীতে শত শত বসতবাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, দোকানপাট ও কবরস্থানসহ অসংখ্য গাছপালা এবং শত শত বিঘা আবাদি জমি যমুনার গর্ভে বিলীন হয়েছে। এ ছাড়াও পানি বাড়ায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা ভাঙনের মুখে পড়ছে। বসতভিটা হারানোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীপারের মানুষের। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে কাজিপুর উপজেলার চরগিরিশ ইউনিয়নে। একসময় যেখানে ৫০০ থেকে ৬০০ পরিবার বাস করত, এখন পুরো গ্রামটি ভাঙনের কবলে পড়েছে। মাত্র দুই সপ্তাহে অন্তত ৩০ থেকে ৪০টি বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়েছে। নদীতীর যেভাবে ভাঙছে তাতে আরও শতাধিক পরিবার যেকোনো সময় গৃহহীন হয়ে পড়বে। এ ছাড়াও ২০ জুন বিকালে সদর উপজেলার বাহুকা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ তীররক্ষা বাঁধের প্রায় ৩০ মিটার অংশ নদীতে ধসে পড়েছে। ৩০ মিটার জায়গায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয় করে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের আশঙ্কা, পানি আরও বাড়লে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এ ছাড়াও নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করায় ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। কাওয়াকোলা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আবদুর রাজ্জাক জানান, পানি বাড়ায় বর্নি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে মাদ্রাসা, মসজিদসহ ফসলি জমি এবং বহু বসতবাড়ি। ভাঙনের কারণে চরাঞ্চলবাসী আতঙ্কে বসবাস করছে। রংপুর : রংপুরের মহিপুর এলাকায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু রক্ষা বাঁধে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। কোলকোন্দ, আলমবিদিতর, নোহালী, সদর, লক্ষ্মীটারী ও মর্ণেয়া ইউনিয়নের অন্তত ২০টির বেশি গ্রামের নিম্নাঞ্চল পানি ঢুকে পড়েছে। এতে বাগডহরা, মিনারবাজার, আনন্দবাজার, বিনবিনা, চর মটুকপুর, চিলাখাল, বাগেরহাট, চর শংকরদহ, কাশিয়াবাড়ী, ইচলি ও চর ছালাপাকসহ বিভিন্ন এলাকা  প্লাবিত হয়েছে। 

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামে নদনদীর পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ভয়াবহ আকার নিয়েছে নদীভাঙন। বিভিন্ন নদীতীরে ৩৬টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙনে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও স্থাপনা। একদিকে ঘর হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার, অন্যদিকে বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শত শত হেক্টর কৃষিজমি।

গতকাল বিকাল ৩টার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম  সেতু পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তিস্তার পানি বাড়লেও তা বিপৎসীমার নিচ দিয়ে বইছে। ফলে জেলার প্রধান চারটি নদনদী তীরবর্তী সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে পানি নামার সঙ্গে সঙ্গেই ধরলা, দুধকুমার, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের তীরজুড়ে শুরু হয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারিঝাড় ইউনিয়নের ধাউরারকুটি, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা, নাগেশ্বরীর বামনডাঙ্গা, চিলমারীর কড়াই বরিশাল, রাজারহাটের রামহরি এবং সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া ও সরকারপাড়া এলাকা।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারিঝাড় ইউনিয়নের ধাউরারকুটি গ্রামের ফারুক হোসেন বলেন, দফায় দফায় পানি উন্নয়ন বোর্ডে জিওব্যাগ  ফেলার আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত পাঁচ দিনে আমাদের গ্রামের ৩০ থেকে ৩৫টি বাড়ি নদীগর্ভে চলে  গেছে। এখন আমরা সবকিছু হারিয়ে ভূমিহীন। আমরা চাই স্থায়ী ব্যবস্থা।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ৪৯৯  হেক্টর জমির পাট, চীনাবাদাম, আউশ, আমনের বীজতলা ও মরিচের  খেত বন্যার পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। এতে কৃষকদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুুল্লাহ আল মামুন ৯ উপজেলার এসব নিমজ্জিত ফসল পানি দ্রুত নেমে গেলে আংশিক রক্ষা হতে পারে বলে জানান। তবে শাকসবজি, মরিচ, বীজতলা অনেক নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

লালমনিরহাট : তিস্তার পানি কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি। নদী তীরবর্তী এলাকার অন্তত ২০ হাজার পরিবার এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে নদীভাঙন। গত দুই দিনে রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলা রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও নীলফামারীতে নদীভাঙনের শিকার হয়েছে ৬৫ হাজার পরিবার বলে জানিয়েছেন রংপুর অঞ্চলের পাউবোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আবারও পানি বাড়ার শঙ্কা থাকায় উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। চরাঞ্চলবাসীদের সতর্ক থাকার জন্য মাইকিং করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গতকাল দুপুর ১২টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৮৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গত ১২ ঘণ্টায় এ পয়েন্টে পানি ১৩ সেন্টিমিটার কমেছে। এখানে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। একই সময়ে কাউনিয়া তিস্তা সেতু পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

এদিকে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি কখনো বাড়ছে আবার কমছে। এ পরিস্থিতিতে পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চলে নদীর কোলঘেঁষা অন্তত ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে মহিপুর এলাকায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু রক্ষা বাঁধে নতুন করে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙছে তিস্তার লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম অংশেও। পাঁচ জেলার বিভিন্ন এলাকার শত শত বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রামীণ সড়ক ও ফসলি জমি এখন হাঁটুপানির নিচে। আমন ধানের বীজতলা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাসহ গবাদি পশুখাদ্যের সংকট, বিশুদ্ধ খাবার পানিসহ খাদ্য সংকটে পড়েছে এসব এলাকার মানুষ।

এই বিভাগের আরও খবর
যুবদল নেতার অফিসে চার তরুণকে চুল কেটে পুলিশে সোপর্দ
যুবদল নেতার অফিসে চার তরুণকে চুল কেটে পুলিশে সোপর্দ
খেলা নিয়ে দ্বন্দ্ব মেটাতে সালিশেই বিএনপি নেতা খুন
খেলা নিয়ে দ্বন্দ্ব মেটাতে সালিশেই বিএনপি নেতা খুন
জামায়াত কর্মীর বাড়িতে কাফনের কাপড় ও চিরকুট
জামায়াত কর্মীর বাড়িতে কাফনের কাপড় ও চিরকুট
অনলাইন প্রতারণা চক্রের ছয় সদস্য গ্রেপ্তার
অনলাইন প্রতারণা চক্রের ছয় সদস্য গ্রেপ্তার
১৭ দিন পর শূন্যরেখা থেকে উধাও তিন যুবক
১৭ দিন পর শূন্যরেখা থেকে উধাও তিন যুবক
ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের
ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের
চট্টগ্রামে ট্রলারে অগ্নিকাণ্ডে আহত দুই নাবিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ট্রলারে অগ্নিকাণ্ডে আহত দুই নাবিকের মৃত্যু
পুলিশের মনোবল ভাঙতে পরিকল্পিত অপপ্রচার চলছে
পুলিশের মনোবল ভাঙতে পরিকল্পিত অপপ্রচার চলছে
নেপালি যুবক রিয়ানের দেশে ফেরার অপেক্ষা
নেপালি যুবক রিয়ানের দেশে ফেরার অপেক্ষা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন
বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ছয়জনের সাক্ষ্য
বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ছয়জনের সাক্ষ্য
জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে
জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে
সর্বশেষ খবর
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে অনুদান দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল, আবেদন শেষ ২০ জুলাই
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে অনুদান দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল, আবেদন শেষ ২০ জুলাই

১ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

সেনেগালের হয়ে গোল দিলেন দিয়ারা
সেনেগালের হয়ে গোল দিলেন দিয়ারা

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ডিসেম্বরে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট’, ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত
ডিসেম্বরে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট’, ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত

৩০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

টেকনাফে এক লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক
টেকনাফে এক লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেনদেনে নতুন সুবিধা: মাস্টারকার্ড-এমটিবি-জিপের নতুন প্রিপেইড কার্ড চালু
লেনদেনে নতুন সুবিধা: মাস্টারকার্ড-এমটিবি-জিপের নতুন প্রিপেইড কার্ড চালু

৪৯ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ভাঙ্গায় সুমন হত্যার বিচার দাবি
ভাঙ্গায় সুমন হত্যার বিচার দাবি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে শাইন ১০০ ডিএক্স উন্মোচন করল হোন্ডা বাংলাদেশ
দেশে শাইন ১০০ ডিএক্স উন্মোচন করল হোন্ডা বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা
ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শেষ ষোলোর লড়াইয়ের সেনেগাল-বেলজিয়ামের শুরুর একাদশ
শেষ ষোলোর লড়াইয়ের সেনেগাল-বেলজিয়ামের শুরুর একাদশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে জনপ্রিয় হচ্ছে পুইশাকের বীজ চাষ
ঝিনাইদহে জনপ্রিয় হচ্ছে পুইশাকের বীজ চাষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে
জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বঞ্চিত বেসরকারি খাত
বঞ্চিত বেসরকারি খাত

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাংশায় রোগীর মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালে বিক্ষোভ
পাংশায় রোগীর মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পেলেকে ছাড়িয়ে  নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন
পেলেকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিনেমা হল, যুবকের কারাদণ্ড
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিনেমা হল, যুবকের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখার সেই তিন যুবক ‘উধাও’
রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখার সেই তিন যুবক ‘উধাও’

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাসিরনগরে বাসা থেকে নার্সের মরদেহ উদ্ধার
নাসিরনগরে বাসা থেকে নার্সের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুঠিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতি, ট্রাকসহ ১৯ মহিষ লুট
পুঠিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতি, ট্রাকসহ ১৯ মহিষ লুট

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে ৫৩ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস
জয়পুরহাটে ৫৩ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের
ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

হ্যারি কেইনের জোড়া গোল
হ্যারি কেইনের জোড়া গোল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হ্যারি কেইনের গোলে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের গোলে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়া মহানগর বিএনপির আনন্দ মিছিল
বগুড়া মহানগর বিএনপির আনন্দ মিছিল

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে পানি কমলেও তীব্র নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি
কুড়িগ্রামে পানি কমলেও তীব্র নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

অনলাইনে বিনিয়োগের নামে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৬
অনলাইনে বিনিয়োগের নামে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৬

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিংড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭ পরিবার পেল ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা
সিংড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭ পরিবার পেল ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথমার্ধেই এগিয়ে কঙ্গো
প্রথমার্ধেই এগিয়ে কঙ্গো

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা
ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

১৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও
পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব
ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা
রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের
পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ
ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের
সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে
৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি
মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট
হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!
৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ
সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন
আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল
ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা
জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি
পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে
মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক
বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল
ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?
ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের প্রেসিডেন্টকে মোদির ফোন, হরমুজ নিয়ে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
ইরানের প্রেসিডেন্টকে মোদির ফোন, হরমুজ নিয়ে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন
আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ‘খুবই সামান্য’, বলছেন হালান্ড
ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ‘খুবই সামান্য’, বলছেন হালান্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু
পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়

প্রথম পৃষ্ঠা

নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে  মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স
নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবলে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল
চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল

নগর জীবন

দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার
দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

কালের সাক্ষী বলিহার হাউস
কালের সাক্ষী বলিহার হাউস

পেছনের পৃষ্ঠা

গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত
গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

প্রথম পৃষ্ঠা

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি
ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

পেছনের পৃষ্ঠা

এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার
এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার

পেছনের পৃষ্ঠা

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের
পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

নগর জীবন

অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা
অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা

রকমারি নগর পরিক্রমা

রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি
রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি

নগর জীবন

পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স

প্রথম পৃষ্ঠা

আলু চাষ এখন গলার কাঁটা
আলু চাষ এখন গলার কাঁটা

নগর জীবন

কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে
কম্পিউটার ফুটবল খেলছেন এমবাপ্পে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি

সম্পাদকীয়

সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে
সংসদে সংবিধান সংস্কার না হলে যাব জনগণের কাছে

নগর জীবন

সরকার জনগণের প্রতি আন্তরিক
সরকার জনগণের প্রতি আন্তরিক

নগর জীবন

নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে
নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে

নগর জীবন

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ

নগর জীবন

হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক
গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক

শোবিজ

খেলার সময়সূচি
খেলার সময়সূচি

মাঠে ময়দানে

ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান
ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান

নগর জীবন

নিরাপত্তাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
নিরাপত্তাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা