শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:১৯, বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬ আপডেট: ১৭:২২, বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ কয়েকজন নেতা রাজধানীর ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের (আবাসিক হোটেল) দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে প্রায় আট মাস ধরে নানা ‘অশ্লীল-অনৈতিক কর্মকাণ্ড’ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হোটেলের সেই দুটি রুমে রাতভর অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যোগ দিতেন এনসিপির আরও কয়েক ডজন নেতা। সেখানে দিন-রাত অবাধ আনাগোনা ছিল নারীদের। এমনকি হোটেল ভাড়া পরিশোধ না করেই চলে যান তারা- এমন অভিযোগও করেছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এনসিপির ওই পাঁচ নেতা হলেন- ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, সাদেক মির্জা, মিরাসাত হোসেন হিমেল, শাখাওয়াত হোসেন ও তাওসীপ। এর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্য সচিব। বাকিরাও দক্ষিণের কমিটিতে বিভিন্ন পদ-পদবিতে রয়েছেন। শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের আগে ছাত্রলীগের সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তিনি ছিলেন স্থানীয় এমপির ঘনিষ্ঠজন। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তিনি রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিবের পদ লাভ করেন। শাহরিয়ারের বাবাও ছিলেন পতিত সরকারের যাত্রাবাড়ী এলাকার এমপি কাজী মনিরুল ইসলাম মনুর বিশেষ সহকারী।

জানা যায়, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাঁচ নেতার কাছে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ এলাকার আবাসিক হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রায় ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা হোটেল ভাড়া বকেয়া রয়েছে। ভাড়া নেওয়া রুমে নারীদের অবাধ যাতায়াত করতেও দেখা যায়। এ বিষয়ে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। হোটেলটির মহাব্যবস্থাপক খন্দকার রুহুল আমিনের স্বাক্ষরে এ অভিযোগ দেওয়া হয়। 

অভিযোগ অনুযায়ী, এই পাঁচ নেতার নেতৃত্বে কয়েকডজন নেতা সেখানে নিয়মিত রাত্রিযাপন করতেন। পাশাপাশি নারীদের আনাগোনাসহ নানা ধরনের অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর এনসিপির কয়েকজন সমন্বয়ক আওয়ামী লীগ কার্যালয় সংস্কারের কাজের কথা জানিয়ে হোটেলটিতে অবস্থান নেন। পরে তারা ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় আট মাস হোটেলের ৭২৫ ও ৭২৭ নম্বর কক্ষ দুটি ব্যবহার করেন।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিটি কক্ষের দৈনিক ভাড়া ছিল ৩ হাজার টাকা। সে হিসাবে দুই কক্ষের মোট ভাড়া দাঁড়ায় ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা। বুকিংয়ের সময় তারা ১০ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করলেও পরবর্তী সময়ে বাকি অর্থ পরিশোধ করেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দলীয় পরিচয়ের কারণে সরল বিশ্বাসে হোটেলে থাকার সুযোগ পান। কিন্তু পরে বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করেই হোটেল ত্যাগ করেন। পাওনা টাকা চাইলে হোটেল কর্তৃপক্ষকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, হোটেলে অবস্থানকালে কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজ তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দলীয় নেতৃত্বের সহযোগিতায় বকেয়া অর্থ আদায় সম্ভব না হলে তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জনসমক্ষে তুলে ধরবে।

অভিযোগপত্রে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, সাদেক মির্জা, মিরাসাত হোসেন হিমেল, শাখাওয়াত হোসেন ও তাওসীপ। এই পাঁচজনের নেতৃত্বে আরও কয়েক ডজন নেতা সেখানে নিয়মিত অবস্থান করতেন।

হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনালের হিসাব বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ কাজল গণমাধ্যমকে বলেন, এনসিপির নেতারা হোটেলে দুইটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে আট মাস ছিলেন। হোটেল বুকিংয়ের সময় ১০ হাজার টাকা দিলেও পরে আর কোনো ভাড়া দেননি। হোটেলে যারা ছিলেন তাদের কারও বাসা শনিরআখড়া, জুরাইন আবার কেউ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এখানে হোটেলে আসতো, আড্ডা দিতো রাতভর। তাদের সঙ্গেও লোকজন আসতো। প্রায়ই তারা ‘নারীদের’ নিয়ে আসতো। তাদের সঙ্গে যারা আসতো তারাও ‘নারীদের’ নিয়ে আসতো। আমরা বলেছি যে, নারী এলাওড না। তারা তখন বলেছে- আপনাদের কাজ আপনারা করেন, আমাদের কাজ আমাদের করতে দেন।

তিনি আরও বলেন, বকেয়া ভাড়ার বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমরা কয়েকবার বসেছি। তারা আমাদের ম্যানেজমেন্টকে বলেছে টাকা আমরা দিয়ে দেবো। কবে নাগাদ দেবে তা বলেনি। প্রায়ই ভাড়া চাইতাম। তারা ঘুরাইত। নির্বাচনের পর দিন দেখি তারা আর নেই। পরে আমরা তালা ভেঙে রুম ক্লিন করে নতুন তালা দিয়ে রুম ভাড়া দিয়ে দিয়েছি। পাওনা টাকা আদায়ের জন্য আমরা এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বরাবর অভিযোগ করেছি।

অভিযোগের বিষয়ে এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার বলেন, ‘হোটেলের রুম ভাড়ার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। নারী নিয়ে হোটেলে অবস্থানের প্রশ্নই আসে না। ওই ব্যক্তিটি আমি নই, তা যাচাই করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, আমি জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম। শিক্ষার্থীদের মারধরের যে ভিডিওটির কথা বিভিন্ন সময়ে বলা হয় ওই ভিডিও পুরোনো, ২০২৩ সালের।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেক মির্জা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ওই হোটেলে দুটি রুমে আমাদের কয়েকজন ছিল। তবে রুম ভাড়ার বিষয়ে আমি অবগত না। ওই সময়ে রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন আন্দোলনের সময় আমি দু-একবার দেখা করতে হোটেলে গিয়েছি। আন্দোলনের সময় রাত হয়ে যাওয়ায় রাতে অনেকে সেখানে থাকতো। এর বাইরে আমার কিছু জানা নেই।’

আরেক অভিযুক্ত এনসিপি নেতা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘হোটেল ভাড়ার বিষয়টি আমি অবগত না। ওই রুমটি তো আমার নামে বুক হয়নি। যে পাঁচজনের কথা বলা হচ্ছে তার মধ্যে একজন ভাড়া নিয়েছে। তিনিই হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমি তাদের সঙ্গে ওখানে গিয়েছিলাম এটা সত্যি। দুই রুমে কখনো পাঁচজন, সাতজন এমনকি দশজনও থেকেছি আমরা। সঠিক তথ্য জানতে হলে হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।’

এনসিপির যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান সমন্বয়কারী মিরাসাত হোসেন হিমেল বলেন, আমি ওই হোটেলে গিয়েছি এমনটি মনে পড়ে না। হোটেলের কে অভিযোগ করেছেন আমাকে একটু জানান।

অভিযোগের বিষেয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই বিষয়ে অভিযোগ যেহেতু আসছে, সংগঠনের শৃঙ্খলা কমিটি আছে তারা বিষয়টি দেখতেছেন। শৃঙ্খলা কমিটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরে সেই অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ সূত্র: কালবেলা

বিডি প্রতিদিন/এআরএ

এই বিভাগের আরও খবর
লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে: উর্মি
লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে: উর্মি
জুলাই গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার মাস: মাসুদ সাঈদী
জুলাই গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার মাস: মাসুদ সাঈদী
জামায়াতে ইসলামীর ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা
জামায়াতে ইসলামীর ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা
ইসলামী আন্দোলনের মজলিশে শুরার সদস্য হলেন আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি
ইসলামী আন্দোলনের মজলিশে শুরার সদস্য হলেন আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি
ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিবকে খেলাফত মজলিসের শুভেচ্ছা
ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিবকে খেলাফত মজলিসের শুভেচ্ছা
ইসলামী আন্দোলনের উপদেষ্টা পরিষদ ও মজলিশে শুরায় নতুন সদস্য
ইসলামী আন্দোলনের উপদেষ্টা পরিষদ ও মজলিশে শুরায় নতুন সদস্য
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত দেশে ফেরার আশা
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত দেশে ফেরার আশা
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী: মো. তারেক
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী: মো. তারেক
সাভারে এনসিপির দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
সাভারে এনসিপির দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান
ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরের সাফল্যে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরের সাফল্যে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল
চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: রিজভী
চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: রিজভী
সর্বশেষ খবর
ডিসেম্বরে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট’, ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত
ডিসেম্বরে ‘ঢাকা ডিসকাউন্ট ফেস্ট’, ছাড় মিলবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত

এই মাত্র | অর্থনীতি

টেকনাফে এক লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক
টেকনাফে এক লাখ ৭০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লেনদেনে নতুন সুবিধা: মাস্টারকার্ড-এমটিবি-জিপের নতুন প্রিপেইড কার্ড চালু
লেনদেনে নতুন সুবিধা: মাস্টারকার্ড-এমটিবি-জিপের নতুন প্রিপেইড কার্ড চালু

১৯ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ভাঙ্গায় সুমন হত্যার বিচার দাবি
ভাঙ্গায় সুমন হত্যার বিচার দাবি

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশে শাইন ১০০ ডিএক্স উন্মোচন করল হোন্ডা বাংলাদেশ
দেশে শাইন ১০০ ডিএক্স উন্মোচন করল হোন্ডা বাংলাদেশ

৪৪ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা
ইসলাম সর্বকালের সর্বাধুনিক ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা

৫৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

শেষ ষোলোর লড়াইয়ের সেনেগাল-বেলজিয়ামের শুরুর একাদশ
শেষ ষোলোর লড়াইয়ের সেনেগাল-বেলজিয়ামের শুরুর একাদশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে জনপ্রিয় হচ্ছে পুইশাকের বীজ চাষ
ঝিনাইদহে জনপ্রিয় হচ্ছে পুইশাকের বীজ চাষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে
জামায়াত এমপির বিশেষ বরাদ্দে প্রকল্প সভাপতি ভগ্নীপতি-ভাগনে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বঞ্চিত বেসরকারি খাত
বঞ্চিত বেসরকারি খাত

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাংশায় রোগীর মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালে বিক্ষোভ
পাংশায় রোগীর মৃত্যু কেন্দ্র করে হাসপাতালে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পেলেকে ছাড়িয়ে  নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন
পেলেকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় হ্যারি কেইন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিনেমা হল, যুবকের কারাদণ্ড
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিনেমা হল, যুবকের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখার সেই তিন যুবক ‘উধাও’
রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখার সেই তিন যুবক ‘উধাও’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাসিরনগরে বাসা থেকে নার্সের মরদেহ উদ্ধার
নাসিরনগরে বাসা থেকে নার্সের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের ম্যাজিকে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুঠিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতি, ট্রাকসহ ১৯ মহিষ লুট
পুঠিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতি, ট্রাকসহ ১৯ মহিষ লুট

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে ৫৩ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস
জয়পুরহাটে ৫৩ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ধ্বংস

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের
ফ্রি-ট্রেড জোনে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান চট্টগ্রাম চেম্বারের

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

হ্যারি কেইনের জোড়া গোল
হ্যারি কেইনের জোড়া গোল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হ্যারি কেইনের গোলে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড
হ্যারি কেইনের গোলে সমতায় ফিরলো ইংল্যান্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়া মহানগর বিএনপির আনন্দ মিছিল
বগুড়া মহানগর বিএনপির আনন্দ মিছিল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে পানি কমলেও তীব্র নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি
কুড়িগ্রামে পানি কমলেও তীব্র নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

অনলাইনে বিনিয়োগের নামে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৬
অনলাইনে বিনিয়োগের নামে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ৬

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিংড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭ পরিবার পেল ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা
সিংড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭ পরিবার পেল ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথমার্ধেই এগিয়ে কঙ্গো
প্রথমার্ধেই এগিয়ে কঙ্গো

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭ মিনিটেই ইংল্যান্ডের জালে কঙ্গোর গোল
৭ মিনিটেই ইংল্যান্ডের জালে কঙ্গোর গোল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ডুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি সিরাজুল হক, সম্পাদক মাহফুজ আলম
ডুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি সিরাজুল হক, সম্পাদক মাহফুজ আলম

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি
বাংলা কিউআর কোডে লেনদেনে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, সার্কুলার জারি

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা
ফুটবলে মাতলো লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

১৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও
পেনাল্টি নিতে ৪ জার্মান ফুটবলারের অস্বীকৃতি, রাখলেন না অধিনায়ক কিমিচের অনুরোধও

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব
ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা
রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের
পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ
ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের
সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে
৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি
মনিবের অবাধ্য হলে শিক্ষা দেবে ইরান: ইসরায়েলকে আরাগচির হুঁশিয়ারি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট
হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!
৮ মাসের ভাড়া না দিয়ে হোটেল থেকে উধাও এনসিপির শীর্ষ ৫ নেতা!

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ
সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন
আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল
ফ্রান্স কখনোই স্পেনের চেয়ে ভালো দল নয় : ইয়ামাল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা
জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি
পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে
মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাকা ঘুরছে না ৫৫০ কারখানায়
চাকা ঘুরছে না ৫৫০ কারখানায়

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক
বল এখন আমেরিকার কোর্টে: ইরানি বিশ্লেষক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল
ফ্রান্সকে থামাতে পারবে শুধু আর্জেন্টিনা : গ্যারি নেভিল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?
ফরাসি ঝড়ের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে কি?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের প্রেসিডেন্টকে মোদির ফোন, হরমুজ নিয়ে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
ইরানের প্রেসিডেন্টকে মোদির ফোন, হরমুজ নিয়ে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন
আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন

১৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু
পিতৃপরিচয়ের খোঁজে ৪ হাজার শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়
ট্রমা সেন্টার নিজেই ট্রমায়

প্রথম পৃষ্ঠা

নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবল খেলে নকআউটে ফ্রান্স
নিখুঁত ও দ্রুতগতির ফুটবল খেলে নকআউটে ফ্রান্স

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ
নতুন পোশাকে মাঠে পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল
চার মেগা প্রকল্পের আশায় বরিশাল

নগর জীবন

দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার
দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

কালের সাক্ষী বলিহার হাউস
কালের সাক্ষী বলিহার হাউস

পেছনের পৃষ্ঠা

গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত
গণতন্ত্র ধ্বংসের খেলায় মাঠে নেমেছেন হাসনাত

প্রথম পৃষ্ঠা

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি
ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে বসতি

পেছনের পৃষ্ঠা

পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের
পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত সরকারের

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার
এখনো স্মার্ট কার্ডের বাইরে সাড়ে ৫ কোটি ভোটার

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

নগর জীবন

অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা
অল্প বৃষ্টিতেই ডুবছে ঢাকা

রকমারি নগর পরিক্রমা

পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স
পূর্বাচলে চার থানা ও ৪১ পুলিশ বক্স

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি
রাজধানীতে জুনে গ্রেপ্তার ২৩১৪ শীর্ষে মাদক কারবারি

নগর জীবন

আলু চাষ এখন গলার কাঁটা
আলু চাষ এখন গলার কাঁটা

নগর জীবন

প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর জাদুকরী সফর ও সমতার ভূরাজনীতি

সম্পাদকীয়

সংবিধান সংস্কার না হলে জনগণের কাছে যাব
সংবিধান সংস্কার না হলে জনগণের কাছে যাব

নগর জীবন

এভারকেয়ারে নজরুল ইসলাম খান
এভারকেয়ারে নজরুল ইসলাম খান

নগর জীবন

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে আম উপহার বাংলাদেশের

প্রথম পৃষ্ঠা

সরকার জনগণের প্রতি আন্তরিক
সরকার জনগণের প্রতি আন্তরিক

নগর জীবন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছায় সিক্ত বাংলানিউজ

নগর জীবন

হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ
হোলি আর্টিজান হামলায় নিহতদের স্মরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপের ফলাফল
বিশ্বকাপের ফলাফল

মাঠে ময়দানে

গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক
গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা না করেই নতুন ৪০ সদস্য, বিতর্ক

শোবিজ

খেলার সময়সূচি
খেলার সময়সূচি

মাঠে ময়দানে

ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান
ছাত্রদলের আন্দোলনের ফল জুলাই গণ অভ্যুত্থান

নগর জীবন

জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই
জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই

প্রথম পৃষ্ঠা

নিরাপত্তাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
নিরাপত্তাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা