বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে রবিবার ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে নরওয়ে। তবে ম্যাচের আগে সমর্থকদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম আর্লিং হালান্ড।
আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে ৮৬তম মিনিটে জয়সূচক গোল করেন হালান্ড। কিন্তু ম্যাচ শেষে তিনি জানান, এতটাই ক্লান্ত ছিলেন যে খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে আর খেলতে পারতেন না।
নরওয়ের কোচ স্টলে সোলবাক্কেনও জানান, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হালান্ডের শক্তি প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল।
ক্রীড়া শারীরবিদ ডম রে অবশ্য মনে করেন, পাঁচ দিনের বিরতি খেলোয়াড়দের সতেজ হতে যথেষ্ট সহায়তা করবে। তার মতে, পুরো মৌসুমের ক্লান্তি দূর করা সম্ভব না হলেও ম্যাচের আগে খেলোয়াড়রা অনেকটাই চাঙা হয়ে উঠতে পারবেন।
রে বলেন, সাধারণত ম্যাচের ৪৮ ঘণ্টা পর ক্লান্তি সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। ৯৬ ঘণ্টা বা পঞ্চম দিনে অধিকাংশ খেলোয়াড়ই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন।
তিনি আরও বলেন, ব্রাজিলের তুলনায় নরওয়ের পাঁচ দিনের বিরতিই বরং বেশি কার্যকর হতে পারে। তিন-চার দিনের বিরতিতে শুধু বিশ্রাম ও প্রস্তুতির সুযোগ থাকে, কিন্তু পাঁচ-ছয় দিনে পরিকল্পিত অনুশীলন ও পুনরুদ্ধারের জন্য পর্যাপ্ত সময় মেলে।
দলকে মানসিকভাবে সতেজ রাখতে ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচের পর খেলোয়াড়দের নিউইয়র্ক ঘুরে দেখার সুযোগও দিয়েছিল নরওয়ে। রে মনে করেন, এমন মানসিক প্রশান্তিও মাঠের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
এদিকে তিনি হাইড্রেশন বিরতির গুরুত্বও তুলে ধরেন। তার মতে, গরম আবহাওয়ায় খেলোয়াড়দের শরীর থেকে প্রচুর পানি, খনিজ লবণ ও শক্তি ক্ষয় হয়। তাই এই বিরতিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারা দলগুলোই বাড়তি সুবিধা পাবে।