শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:০৬, রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০২৪ আপডেট:

ইতিকাফ কী ও কেন

আসআদ শাহীন
অনলাইন ভার্সন
ইতিকাফ কী ও কেন

ইতিকাফের আভিধানিক অর্থ হলো অবস্থান করা। পারিভাষিক অর্থ হলো, যে ব্যক্তি মসজিদে অবস্থান করে এবং ইবাদতে লিপ্ত হয় তাকে বলা হয় ‘আকিফ’ এবং ‘মুতাকিফ’। অর্থাৎ ইতিকাফকারী। (লিসানুল আরব, খণ্ড ৯, পৃষ্ঠা : ২৫৫)

শরিয়তের পরিভাষায় ইতিকাফ মানে আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে নিজেকে মসজিদে আবদ্ধ করা।

(উমদাতুল কারি, খণ্ড ১১, পৃষ্ঠা : ১৪০)

ইতিকাফ হলো এমন একটি ইবাদত, যা পূর্ববর্তী আম্বিয়ায়ে কিরাম (আ.)-এর সময় থেকে চলে আসছে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনেও এর কথা উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় খলিল ইবরাহিম (আ.) এবং ইসমাইল (আ.)-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন কাবা গৃহ নির্মাণের পর তাওয়াফ করতে এবং ইতিকাফকারী ও নামাজ আদায়কারীদের জন্য তা (আল্লাহর ঘর) পরিষ্কার রাখতে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং আমি ইবরাহিম ও ইসমাঈলকে হুকুম করি, তোমরা আমার ঘরকে সেই সকল লোকের জন্য পবিত্র করো, যারা (এখানে) তাওয়াফ করবে, ইতিকাফ করবে এবং রুকু ও সিজদা আদায় করবে।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১২৫)
মূলত রমজান মাস হলো আল্লাহ তাআলার আনুগত্য ও ইবাদতের বসন্তকাল এবং ক্ষমা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির মৌসুম। যদিও এই মাস গুনাহগার ও নাফরমানদের জন্য ক্ষমা ও মাগফিরাতের সুবর্ণ সুযোগের মাধ্যম, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি নেক ও পরহেজগার ব্যক্তিদের জন্য রহমত, বরকত এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের মূল মাধ্যম। তাই আল্লাহ তাআলা রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফের মতো মহান ইবাদতের বিধান রেখেছেন। এটি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে একটি মহা উপহার।


যা পূর্ববর্তী নবী (আ.) থেকে সাহাবায়ে কিরামরা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে আমল করে এসেছেন।
শরিয়তে ইতিকাফ হলো সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। (আল ইখতিয়ার লি তালিলিল মুখতার, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা : ১৩৬)

রমজানের শেষ ১০ দিনে ইতিকাফ করা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি স্বতন্ত্র সুন্নত এবং এর চেয়ে উত্তম আর কী হতে পারে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) সর্বদা এর প্রতি যত্নবান ছিলেন। ইমাম জুহরি (রহ.) বলেন, অনেক আমল তো নবীজি (সা.) কখনো করেছেন আবার কখনো ছেড়েও দিয়েছেন। কিন্তু মদিনায় হিজরত করার পর থেকে ওফাত পর্যন্ত রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের ইতিকাফের আমলটি তিনি কখনোই ছেড়ে দেননি।

অথচ বড়ই আশ্চর্য ও আফসোসের বিষয় হলো, এই মর্যাদাপূর্ণ আমলটির ব্যাপারে মানুষ তেমন গুরুত্ব দেয় না। (ফাতহুল বারি, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা : ২৮৫)
হাদিসে এসেছে, আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন। (বুখারি, হাদিস : ২০২৫)

নবীপত্নীরাও নিজ নিজ ঘরে ইতিকাফ করতেন। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ ১০ দিনে ইতিকাফ করতেন। তাঁর ওফাত পর্যন্ত এই নিয়মই ছিল। এরপর তাঁর সহধর্মিণীরাও (সে দিনগুলোতে) ইতিকাফ করতেন। (বুখারি, হাদিস : ২০২৬)

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের মধ্যম দশকে ইতিকাফ করতেন। (বুখারি, হাদিস : ২০২৭)

ওফাতের বছর মহানবী (সা.) ২০ দিন ইতিকাফ করেছিলেন। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রমজানে ১০ দিন ইতিকাফ করতেন, কিন্তু তাঁর ইন্তেকালের বছর তিনি ২০ দিন ইতিকাফ করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ২০৪৪)

এ ছাড়া ইতিকাফ হলো, আল্লাহ তাআলার ঘর মসজিদে অবস্থান করার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জন, দুনিয়াবিমুখতা এবং আল্লাহর রহমতে সিক্ত হওয়া ও ক্ষমা চাওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। আর ইতিকাফকারী ব্যক্তির উদাহরণ দিতে গিয়ে আতা (রহ.) বলেন যে কোনো ব্যক্তি এসে কারো দরজায় কড়া নাড়ল এই বলে যে যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে কিছু না দেওয়া হবে, ততক্ষণ সে এখান থেকে এগোবে না। অনুরূপভাবে ইতিকাফকারী ব্যক্তিও আল্লাহ তাআলার দরজায় কড়া নাড়তে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত না আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং ক্ষমা অর্জিত না হয়, ততক্ষণ সে আল্লাহর রহমত থেকে নৈরাশ হয়ে ফিরে আসে না। (মারাকিল ফালাহ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা : ২৬৯)

ইতিকাফের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শাহ ওয়ালি উল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভি (রহ.) বলেন, মসজিদে ইতিকাফ হচ্ছে হৃদয়ের প্রশান্তি, আত্মার পবিত্রতা ও চিত্তের নিষ্কলুষতা; চিন্তার পরিচ্ছন্নতা ও বিশুদ্ধতা। ফেরেশতাদের গুণাবলি অর্জন এবং লাইলাতুল কদরের সৌভাগ্য ও কল্যাণ লাভসহ সব ধরনের ইবাদতের সুযোগ লাভের সর্বোত্তম উপায়। এ জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইতিকাফ পালন করেছেন এবং তাঁর পূতঃপবিত্র বিবিগণসহ সাহাবায়ে কিরামের অনেকেই এই সুন্নতের ওপর আমৃত্যু আমল করেছেন। (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা : ৪২)

সওয়াবের দিক থেকে ইতিকাফের জন্য সর্বোত্তম স্থান হলো মসজিদুল হারাম। এরপর মসজিদে নববী। তারপর মসজিদুল আকসা। এরপর যেকোনো জামে মসজিদ। তারপর যেকোনো পাঞ্জেগানা মসজিদ।

তবে নারীদের জন্য ইতিকাফের স্থান হলো ঘরের নির্দিষ্ট কোনো পবিত্র স্থান। এ ক্ষেত্রে স্বামীর অনুমতি প্রযোজ্য। নারীদের মসজিদে ইতিকাফ করা মাকরুহে তাহরিমি। কারণ বর্তমান যুগ ফিতনা-ফ্যাসাদের যুগ। মসজিদে পুরুষদের সঙ্গে মেলামেশার প্রবল আশঙ্কা এবং অনৈতিকতা, অশ্লীলতারও আশঙ্কা আছে। তাই বর্তমান যুগে নারীদের মসজিদে ইতিকাফ করা মাকরুহে তাহরিমি। (আল মাবসুত লিল সারাখসি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১১৫)

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৭৭ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৫৫
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৭৭ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৫৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৩০ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ৩০ জুন ২০২৬
শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা
শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা
হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬  বাংলাদেশি
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৯ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৯ জুন ২০২৬
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৮ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৮ জুন ২০২৬
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের তাগিদ
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের তাগিদ
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
সর্বশেষ খবর
১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন
১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি গ্রেফতার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি গ্রেফতার

৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

প্রতিবন্ধী কিশোরীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আটক ১
প্রতিবন্ধী কিশোরীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আটক ১

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত চার তরুণ টেকনাফে উদ্ধার
মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত চার তরুণ টেকনাফে উদ্ধার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানের আইআরজিসির ২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইরানের আইআরজিসির ২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চোরাই পথে আনা ১৯ গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪
চোরাই পথে আনা ১৯ গরু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

১৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মুস্তাফা মনোয়ার
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মুস্তাফা মনোয়ার

১৭ মিনিট আগে | শোবিজ

কক্সবাজারে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ
কক্সবাজারে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ

২০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ধর্ষণ মামলায় কিশোরের ১০ বছরের আটকাদেশ
ধর্ষণ মামলায় কিশোরের ১০ বছরের আটকাদেশ

২৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঘুচছে প্রায় শতাব্দীর অপেক্ষা
ঘুচছে প্রায় শতাব্দীর অপেক্ষা

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশের মারুফা-নাহিদাদের
র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশের মারুফা-নাহিদাদের

৩৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলি নির্যাতনে ছয় মাসেই করুণভাবে বদলে গেল ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের জীবন
ইসরায়েলি নির্যাতনে ছয় মাসেই করুণভাবে বদলে গেল ফিলিস্তিনি সাংবাদিকের জীবন

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধারে কাতারে আলোচনায় বসছে ইরান
আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ উদ্ধারে কাতারে আলোচনায় বসছে ইরান

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গণমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন
গণমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন

৪২ মিনিট আগে | জাতীয়

দেবিদ্বারে ৪ হাজারের বেশি কৃষককে প্রণোদনা
দেবিদ্বারে ৪ হাজারের বেশি কৃষককে প্রণোদনা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গবেষণা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: ইউজিসি সদস্য ড. আইয়ুব
গবেষণা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: ইউজিসি সদস্য ড. আইয়ুব

৪৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জার্সি পরিবর্তনের ঘটনায় এসআইকে শোকজ
জার্সি পরিবর্তনের ঘটনায় এসআইকে শোকজ

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!
ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সাইবার সুরক্ষা আইনের জুয়া সংক্রান্ত ধারা বাতিল করে বিল পাস
সাইবার সুরক্ষা আইনের জুয়া সংক্রান্ত ধারা বাতিল করে বিল পাস

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

জামায়াতে ইসলামীর ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা
জামায়াতে ইসলামীর ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

৫০ মিনিট আগে | রাজনীতি

শিক্ষাখাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের
শিক্ষাখাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মা ও ছেলের
মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল মা ও ছেলের

৫৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

ইসলামী আন্দোলনের মজলিশে শুরার সদস্য হলেন আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি
ইসলামী আন্দোলনের মজলিশে শুরার সদস্য হলেন আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি

৫৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জার্মান বধের নায়ক গিল, সন্তানকে বাঁচাতে বিক্রি করেছিলেন বুট-জার্সি
জার্মান বধের নায়ক গিল, সন্তানকে বাঁচাতে বিক্রি করেছিলেন বুট-জার্সি

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিস কি ইসরায়েলের ‘ট্রোজান হর্স’?
গ্রিস কি ইসরায়েলের ‘ট্রোজান হর্স’?

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনাজপুরে ফুলবাড়ী পৌরসভার ৬২ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা
দিনাজপুরে ফুলবাড়ী পৌরসভার ৬২ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর
সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় গাছের চারা বিতরণ
কলাপাড়ায় গাছের চারা বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন
তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাবে যা বলল চীন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল
আইভরি কোস্ট নাকি নরওয়ে: কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?
শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার
সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন ট্রাম্প, নারী সাংবাদিককে দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে
নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’
ট্রাম্পের কথার কড়া জবাব মেলোনির ‘আমি মাথা নত করার মতো মানুষ নই’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন
দুদকের জালে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিন

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের
প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয়, ২৪ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ব্রাজিলের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

১০ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব
এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ
পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী
একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার
অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা
এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক
একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প
কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল উড়োজাহাজে এ সপ্তাহে প্রথম ভ্রমণ করবেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো
অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে
রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার
বিরোধী দলে থেকে কানাকড়িও পাইনি, জেলে গেছি পাঁচবার: স্পিকার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের
৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি
জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বাজেটে বড় পরিবর্তন
বাজেটে বড় পরিবর্তন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি
ক্রেডিট কম ডেবিট বেশি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার যুবক

দেশগ্রাম

কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি
কেউ মানছে না যুদ্ধবিরতি

পেছনের পৃষ্ঠা

যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন
যেকোনো মূল্যে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার
গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ক্যাশিয়ার

দেশগ্রাম

এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব
এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট
এবার ইনিংসে তাইজুলের সাত উইকেট

প্রথম পৃষ্ঠা

মনের ভিতর বনের কুহু
মনের ভিতর বনের কুহু

সম্পাদকীয়

ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ
ময়লার স্তূপে সোর্সের লাশ

দেশগ্রাম

বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে
বারবার পুশইনের চেষ্টা মৌলভীবাজার সীমান্তে

পেছনের পৃষ্ঠা

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর
অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ভাঙচুর

দেশগ্রাম

এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?
এমবাপ্পে-হলান্ড কত দূর যাবেন?

মাঠে ময়দানে

চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক
চাচা হত্যা, ভাতিজা আটক

দেশগ্রাম

কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার
কত কী শিখিয়ে গেলেন মুস্তাফা মনোয়ার

সম্পাদকীয়

বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই
বিদ্যুৎ-জ্বালানির ভবিষ্যৎ সৌরবিদ্যুতেই

বিশেষ আয়োজন

ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন
ইতিহাসের দোরগোড়ায় গোলরক্ষক উনাই সিমন

মাঠে ময়দানে

বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক
বাবা-মায়ের অভিযোগে ইয়াবাসহ ছেলে আটক

দেশগ্রাম

সংকটে পোশাক রপ্তানি
সংকটে পোশাক রপ্তানি

সম্পাদকীয়

নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ
নিম্নমানের কার্পেটিং তুলে নতুন কাজের নির্দেশ

দেশগ্রাম

অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি
অন্তর্বর্তীর দুর্নীতি

সম্পাদকীয়

১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক
১০ গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশের মামলা আসামি ৭ শতাধিক

দেশগ্রাম

আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা
আহলে বায়েতের প্রতি ভালোবাসা

সম্পাদকীয়

ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল
ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল

দেশগ্রাম

গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা
গ্রাম আদালতের ভূমিকায় মামলা জট কমার আশা

দেশগ্রাম

আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি
আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনের ভূমি রক্ষার দাবি

দেশগ্রাম

খানাখন্দে ভরা সড়ক
খানাখন্দে ভরা সড়ক

দেশগ্রাম

শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
শেবামেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দেশগ্রাম