শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:২৪, রবিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০২৫

ব্যাংক কর্মকর্তা থেকে ব্যাংক লুটেরা

লুটতন্ত্রের প্রতীক নাফিজ সরাফত - ১ম পর্ব
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
ব্যাংক কর্মকর্তা থেকে ব্যাংক লুটেরা

২০০৯ সালের আগে তাঁকে কেউ চিনত না। ছিলেন সামান্য একজন চাকরিজীবী। একটি ব্যাংকের মাঝারি স্তরের কর্মী ছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর হঠাৎ করেই যেন পেয়ে গেলেন আলাদিনের চেরাগ। রাতারাতি ফুলেফেঁপে উঠলেন। মাত্র ১৫ বছরে হয়ে গেলেন হাজার কোটি টাকার মালিক! রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এ রকম লুটপাট নজিরবিহীন। আর এ বিপুল সম্পদ গড়তে পদে পদ করেছেন প্রতারণা, দুর্নীতি। চৌধুরী নাফিজ সরাফত, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দুর্নীতির প্রতীক। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ১৯৯৯ সালে চাকরিজীবন শুরু করেন চৌধুরী নাফিজ সরাফত। বিদেশি এ ব্যাংকে থাকার সময় হঠাৎ করেই বেসরকারি আইএফআইসি ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক হন তিনি। এক ব্যাংকে চাকরি আর অন্য ব্যাংকে পরিচালক, এমন প্রশ্ন ওঠার পর তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দেন। ২০০৮ সালে তিনি যোগ দেন আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকে। হন কনজুমার ব্যাংকিংয়ের প্রধান। ভিজিটিং কার্ডে তিনি নিজের পরিচয় ‘এমডি, কনজুমার ব্যাংকিং, আইসিবি গ্লোবাল হোল্ডিংস’ ব্যবহার করতেন।

তার আগেই চৌধুরী নাফিজ সরাফত একটি মিউচুয়াল ফান্ডের লাইসেন্স নেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে। লাইসেন্সের জন্য প্রথমে নিজের নামে আবেদন করেছিলেন। যেহেতু ব্যক্তির নামে লাইসেন্স দেওয়া হয় না, তাই বিএসইসি সদস্য মোহাম্মদ আলী খানের পরামর্শে পরে তিনি কোম্পানি গঠন করেন। এ কোম্পানিরই নাম ‘বাংলাদেশ রেস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট’, যাতে তাঁর মালিকানা ২৫ শতাংশ। বাকি মালিকানা অন্য অংশীদার হাসান ইমামের। বিএসইসিতে তখন যাঁরা চাকরি করতেন, তাঁরা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকেই বিভিন্ন খাতের অন্যতম প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন নাফিজ সরাফত। শুরুতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েন। পরে তাঁর সখ্য গড়ে ওঠে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সঙ্গে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও তাঁর সুসম্পর্কের চিত্র গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। গোপালগঞ্জের এই ব্যক্তি শেখ হাসিনাকে ‘ফুপু’ বলে সম্বোধন করতেন। আর সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ছিলেন তাঁর ‘চাচা’। গোপালগঞ্জের মানুষ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ‘কাজিন’ হিসেবে অন্যদের কাছে পরিচয় দিতেন।

শেখ হাসিনার উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে নাফিজ সরাফতের সম্পর্কের কথা ব্যাংক ও পুঁজিবাজারের প্রায় সবারই জানা।

মাত্র ১৩ বছরে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাংক, পুঁজিবাজার, বিদ্যুৎ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, গণমাধ্যমসহ আরও কিছু খাতে রহস্যজনক কিন্তু অপ্রতিরোধ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পান নাফিজ সরাফত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, তিনি মালিক হন হাজার কোটি টাকার। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নাফিজ সরাফতের সম্পদ অনুসন্ধান করতে দুদক তিন সদস্যের দল গঠন করেছে। নাফিজ সরাফত চেয়েছেন কিন্তু হয়নি, পুঁজিবাজারে এমন ঘটনা নেই বলে জানান বাজারসংশ্লিষ্টরা। ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড দিয়ে রেস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের যাত্রা। বর্তমানে মেয়াদি ও অমেয়াদি মিলিয়ে রেসের ফান্ড রয়েছে ১৩টি।

১০টি ফান্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ ১০ বছর ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও এগুলোর অবসায়ন হয়নি, নাফিজ সরাফতের তদবিরে বরং আরও ১০ বছর বেড়েছে। তখন বিএসইসির চেয়ারম্যান ছিলেন এম খায়রুল হোসেন। তিনি বলেন, ‘তহবিলগুলোর মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব শুরুতেই আমি নাকচ করে দিয়েছিলাম। প্রয়াত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তখন চিঠি দিয়ে বললেন, এটা দেওয়া যায়। তখন দিতে হয়েছিল।’

তিনি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল টি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচিত হন ২০২১ সালে। গত ৩০ জুন শেষে রেস পরিচালিত তহবিলগুলোর ক্রয়মূল্যে সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা, যার বাজারমূল্য ২ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) মাধ্যমে গত জুন থেকে রেস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের তহবিলগুলোর ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিত রয়েছে।

বেস্ট হোল্ডিংসকে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাজারে আনার পাশাপাশি ছোট প্রতিষ্ঠান কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও অনুমোদনেও তদবিরে নেমেছিলেন নাফিজ। কপারটেকের আর্থিক প্রতিবেদন তৈরিতে জালিয়াতির অভিযোগ ওঠায় নিরীক্ষক আহমেদ অ্যান্ড আখতারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল তখন ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি)। নাফিজ সরাফত ক্ষমতাচ্যুত সরকারের আমলের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী এক ইকোনমিক হিটম্যান।

নাফিজ সরাফতের প্রভাব-প্রতিপত্তি আরও বাড়তে শুরু করে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর। সে সময় নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য বেশ কিছু বিদেশি পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে এসেছিলেন। তাঁরা সেই বিতর্কিত নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে মত দিয়েছিলেন। এ বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আনার ক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব পালন করেছিলেন নাফিজ সরাফত। এর পর থেকেই তিনি সরকারের আরও আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। নাফিজ সরাফতের ব্যাংক দখল নিয়ে ফেসবুকে কার্টুন আঁকার অপরাধে ২০২০ সালের মে মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হন কার্টুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোর ও লেখক মুশতাক আহমেদ। সে বছরের ২ মে কার্টুনিস্ট কিশোরকে বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয়। মুশতাক আহমেদকে তুলে নেওয়া হয় ৪ মে। আটকের পর তাঁদের মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। এরপর ৫ মে তাঁদের র‌্যাবের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সে সময় ১০ মাসের মধ্যে অন্তত ছয়বার তাঁদের জামিনের আবেদন নাকচ হয়ে যায়। আটক অবস্থায় ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে মুশতাক আহমেদ মারা যান। ওই বছরের মার্চে জামিনে ছাড়া পান কিশোর। ছাড়া পাওয়ার পর গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিশোর জানিয়েছিলেন, তাঁকে হেফাজতে নিয়ে নির্যাতনের সময় একটি ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে নিয়ে কার্টুন আঁকার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছেন, কিশোর ও মুশতাককে নির্যাতনের সময় নাফিজ সরাফতও উপস্থিত ছিলেন।

মূলত কার্টুন আঁকার কারণে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দিয়ে কিশোর ও মুশতাককে অমানুষিক নির্যাতন করিয়েছিলেন নাফিজ সরাফত। ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি মুশতাক আহমেদের মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় সে সময় শোক ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত এবং যুক্তরাজ্য ও কানাডার হাইকমিশনার।

এ ১৩ দেশের রাষ্ট্রদূতেরা তাঁদের বিবৃতিতে কী পরিস্থিতিতে মুশতাক আহমেদের মৃত্যু ঘটেছে তার দ্রুত, স্বচ্ছ ও স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানান।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বাশেলেটও সে সময় বাংলাদেশের কারা হেফাজতে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনা ও কার্টুনিস্ট কিশোরকে নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত, স্বচ্ছ ও স্বতন্ত্র তদন্ত নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচও এক বিবৃতিতে মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর স্বচ্ছ ও স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছিল। দেশেও কিশোর ও মুশতাকের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও টিআইবি।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সম্প্রতি       দুদকের পক্ষ থেকে নাফিজ সরাফতের ব্যাংক দখল ও পুঁজিবাজার থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে       তদন্ত শুরু হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বাংলাদেশের ক্ষোভ-নিন্দা শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি
বাংলাদেশের ক্ষোভ-নিন্দা শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে
সর্বশেষ খবর
গাইবান্ধায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা
গাইবান্ধায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

তিতাসে নতুন কূপ খনন শুরু, দৈনিক মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
তিতাসে নতুন কূপ খনন শুরু, দৈনিক মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন
এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন

৩ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যকে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে : সালাহউদ্দিন
ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যকে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে : সালাহউদ্দিন

৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

নতুন ২ মামলায় গ্রেফতার ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী
নতুন ২ মামলায় গ্রেফতার ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ
দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২৯ বছর পর হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
২৯ বছর পর হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

১৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কামিন্স-স্টার্কদের প্রজন্ম অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা: ব্রেট লি
কামিন্স-স্টার্কদের প্রজন্ম অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা: ব্রেট লি

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির মাসসেরা প্রোটিয়া স্পিনার
আইসিসির মাসসেরা প্রোটিয়া স্পিনার

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মরক্কোতে আকস্মিক বন্যায় ৩৭ জনের মৃত্যু
মরক্কোতে আকস্মিক বন্যায় ৩৭ জনের মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের
৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুজন গ্রেফতার

২৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যুব এশিয়া কাপে টানা জয় বাংলাদেশের
যুব এশিয়া কাপে টানা জয় বাংলাদেশের

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান

৩২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবসে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনা সভা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবসে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনা সভা

৩৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

কলমাকান্দায় ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
কলমাকান্দায় ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রেললাইনের পাশে মিলল যুবকের লাশ
রেললাইনের পাশে মিলল যুবকের লাশ

৩৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিজয় দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নৌবাহিনীতে অনারারী কমিশন প্রদান
বিজয় দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নৌবাহিনীতে অনারারী কমিশন প্রদান

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

কলাপাড়ায় খাল খননে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতবিনিময়
কলাপাড়ায় খাল খননে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতবিনিময়

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার অর্থ জব্দ করে ইউক্রেনকে দিচ্ছে ইইউ
রাশিয়ার অর্থ জব্দ করে ইউক্রেনকে দিচ্ছে ইইউ

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পটুয়াখালীর ৪৪ জলমহাল ইজারা যোগ্য নয়: ভূমি উপদেষ্টা
পটুয়াখালীর ৪৪ জলমহাল ইজারা যোগ্য নয়: ভূমি উপদেষ্টা

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বিজয় দিবসে স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগান ক্ষতি না করার অনুরোধ
বিজয় দিবসে স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগান ক্ষতি না করার অনুরোধ

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’ সড়কের ফলক উন্মোচন কাল
‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’ সড়কের ফলক উন্মোচন কাল

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

হবিগঞ্জে সংকটাপন্ন জুলাই যোদ্ধার পাশে জেলা প্রশাসক
হবিগঞ্জে সংকটাপন্ন জুলাই যোদ্ধার পাশে জেলা প্রশাসক

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজতন্ত্র ফেরাতে নেপালে একীভূত হচ্ছে দুই দল
রাজতন্ত্র ফেরাতে নেপালে একীভূত হচ্ছে দুই দল

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আ.লীগের পক্ষে দেয়ালে লিখনকালে যুবলীগ কর্মীসহ আটক ৩
আ.লীগের পক্ষে দেয়ালে লিখনকালে যুবলীগ কর্মীসহ আটক ৩

৫৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৯৫৫ মামলা
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৯৫৫ মামলা

৫৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

আনিস আলমগীর গ্রেফতার
আনিস আলমগীর গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

থাইল্যান্ডের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
থাইল্যান্ডের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বন্দুক নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইনের প্রস্তাব অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
বন্দুক নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইনের প্রস্তাব অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬
বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জামায়াত নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা
জামায়াত নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

২১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে
মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান
১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ
প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?
কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ
কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা
হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান
আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?
সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন
হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিসিএসের নন-ক্যাডার ৮৫০১ পদ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ
বিসিএসের নন-ক্যাডার ৮৫০১ পদ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে
দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড
'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সন্দেহভাজনদের পালানো ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
সন্দেহভাজনদের পালানো ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল
পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা
নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা

পেছনের পৃষ্ঠা

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি
দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে

প্রথম পৃষ্ঠা

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

এনইউবির ইইই ফেস্টে উদ্ভাবনের উৎসব
এনইউবির ইইই ফেস্টে উদ্ভাবনের উৎসব

প্রাণের ক্যাম্পাস

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়